Image description
 

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সম্প্রতি এক টক শোতে বলেছেন, বর্তমান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পেছনে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম। 

 

তিনি উল্লেখ করেন, জীবিত থাকাকালে তার বিরুদ্ধে কোনো বহিষ্কারের আদেশ আসেনি; এটি এসেছে তার মৃত্যুর পর।

 

তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও নেতৃত্ব আমাকে রাজনীতিতে এনেছে। যদি তিনি জীবিত থাকতেন, হয়তো অনেক কিছুই আলাদা হতো।”

 

রুমিন ফারহানা বলেন, গত ১৭ বছর ধরে তিনি টেলিভিশন শো, সংসদ ও নির্বাচনী এলাকায় ধারাবাহিকভাবে দল, দেশ ও মানুষের পক্ষে কাজ করে আসছেন। 

তিনি ব্যাখ্যা করেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল এবং সেখানে নানা ধরনের হিসাব-নিকাশ স্বাভাবিক।

 

নির্বাচনের আগে দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৭ সাল থেকে তিনি নির্দিষ্ট আসনে কাজ করে আসছেন। তবে হঠাৎ দলীয় হাইকমান্ড জানায়, অন্য একটি দলের সঙ্গে জোট করা হচ্ছে। 

রুমিন ফারহানা জানান, ব্যক্তিগতভাবে তাকে এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। 

তিনি বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু এলাকার মানুষের প্রতি আমার অঙ্গীকারই মুখ্য। তাই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, এলাকার মানুষ স্পষ্টভাবে চাইছিলেন, এবার জোটের কোনো প্রার্থী না দেওয়া হোক এবং ধানের শীষের প্রার্থী নির্বাচনে আসুক। কারণ, ২০০১ সালের পর এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ছিল না।

রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, জনগণের কাছে সবকিছু স্পষ্ট হতে হবে। কে মাঠে আছে, কে সাহায্য করে, কে দূরে-সবই মানুষের চোখের সামনে। 

তিনি স্মরণ করান, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিনেই নয়জন নেতার বহিষ্কার জনগণের কাছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তিনি এলাকার ১৯টি ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন জরিপ ও রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে ‘হাঁস’ মার্কায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত বড় কোনো বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েনি, তবে ২২ তারিখ থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু হলে চূড়ান্ত চিত্র দেখা যাবে। ২১ তারিখ প্রতীক বরাদ্দের পর পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে।”