বাংলাদেশের সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন কামনা করে চীন সরকারের সাম্প্রতিক বিবৃতি এবং একইসঙ্গে নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে জোর দেওয়ায় বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে বাংলাদেশ গভীরভাবে মূল্যায়ন করে। বাংলাদেশও ‘এক চীন নীতি’ মেনে চলার বিষয়টি দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করে।
বাংলাদেশের এক চীন নীতিকে সমর্থনে স্বাগত জানিয়েছে চীন। ঢাকার চীন দূতাবাস এক বার্তায় জানায়, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে বলেছে যে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে গভীরভাবে মূল্য দেয়, যা অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে আরও উচ্চতায় গিয়েছে। বাংলাদেশও এক চীন নীতির প্রতি দৃঢ়ভাবে আনুগত্য প্রকাশ করেছে।’
প্রসঙ্গত, ‘এক চীন নীতি’ অনুযায়ী বিশ্বে কেবল একটি চীন আছে, তাইওয়ান চীনের ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকার সমগ্র চীনের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র আইনি সরকার। এটি চীনের অবস্থানগত কূটনৈতিক স্বীকৃতি, যার ফলে অন্যান্য দেশ এটা মেনে নেবে যে চীনে শুধুমাত্র একটি চীনা সরকার রয়েছে। চীনের জোর দাবি—তাইওয়ান চীনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা একদিন পুনরায় একত্রিত হবে।
এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চীন ও তাইওয়ানের ‘পুনর্মিলন’ অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং বেইজিংয়ের দীর্ঘদিনের লক্ষ্যকে ‘অপ্রতিরোধ্য’ বলে অভিহিত করেছেন।
তাইওয়ানের চারপাশে চীনের সামরিক বাহিনী যুদ্ধ মহড়া শেষ করার একদিন পর নববর্ষের ভাষণে শি বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) তাইওয়ান প্রণালির উভয় পাশে চীনা জনগণের মধ্যে ‘রক্ত ও আত্মীয়তার বন্ধন’ তুলে ধরেন।