অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও সমাজ চিন্তক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা। ২০২৫ সালে সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং নতুন বছরের প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেছেন সমকালের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাকির হোসেন
সমকাল: ২০২৫ সাল শেষ। সার্বিক বিচারে বছরটা কেমন গেল?
হোসেন জিল্লুর রহমান : ১৫ বছর ধরে রাজনীতি ও অর্থনীতিতে কর্তৃত্ববাদী শাসনের যে ভয়াবহ বাস্তবতা ছিল, তার অবসানের মাধ্যমে ২০২৪ সাল ছিল প্রত্যাশার বছর। ২০২৫ সালে প্রাপ্তির বিষয়টি মূল আকাঙ্ক্ষার জায়গা ছিল। প্রাপ্তির মধ্যে একটি হলো, অনেক চড়াই-উতরাই এবং অনিশ্চয়তার অধ্যায় অতিক্রম করে গণতান্ত্রিক উত্তরণে নির্বাচনের একটি সময়সূচি পাওয়া গেছে। তবে বছরজুড়ে সংস্কার, বিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রাপ্তি তুলনামূলক অনেক কম। অনেক এজেন্ডা খোলা হয়েছে, অনেক কিছু আলোচনা হয়েছে এবং অনেক প্রস্তাব তোলা হয়েছে। কিন্তু প্রস্তাবগুলো ফাইলবন্দি, নাকি কার্যকর হচ্ছে, তার সার্বিক মূল্যায়ন প্রয়োজন। আমরা দেখতে পাচ্ছি, খণ্ডিতভাবে কিছু জায়গায় অগ্রগতি হয়েছে এবং কিছু জায়গায় স্থবিরতা। মোটা দাগে অনেক খাত যেখানে জনআকাঙ্ক্ষা জোরালো ছিল, বিশেষত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ এবং অর্থনীতির চাকা আরও বেগবান করার জায়গায় বিশ্বাসযোগ্য ও জোরালো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সব মিলিয়ে ২০২৫ সালে অনেক ঘোষণা ছিল এবং অনেক কথা হয়েছে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রাপ্তির বিষয়ে জোরালোভাবে বলা মুশকিল।
সমকাল: গণঅভ্যুত্থানের বছরের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে পরের বছরের প্রাপ্তির ঘাটতিকে আরেকটু ব্যাখ্যা করবেন?
হোসেন জিল্লুর: ২০২৪ সালে মূল সুর ছিল ঐক্যবদ্ধ জাতীয় অবস্থান। বড় ধরনের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে ছিল– কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসানের পর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে; মানবিক ও প্রাতিষ্ঠানিক একটা রাষ্ট্র গড়ে উঠবে এবং অর্থনীতির চাকা আবার ঘুরতে শুরু করবে। এগুলোর প্রতিটি বিষয়ে বড় বড় বক্তব্য এবং কাগুজে দলিল এসেছে। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ জাতীয় আকাঙ্ক্ষার যে বাস্তবতা ছিল, ২০২৫ সালে এসে সে জায়গায় নানামুখী প্রবণতা আমরা লক্ষ্য করেছি। জাতীয় ঐক্যের বিষয়টি বহুলাংশে অনুপস্থিত। তরুণদের ওপর বড় ধরনের ভরসা ছিল। কিন্তু তারা জাতির সামনে তাদের সম্ভাবনা সুনির্দিষ্ট এবং জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। রাজনৈতিক অঙ্গনে হয়তো নির্বাচনের বিষয়ে ঐক্য ছিল। কিন্তু সেখানেও নানামুখী প্রবণতা আমরা দেখতে পেয়েছি। অন্তর্বর্তী সরকার নিজেও একটি ঐক্যবদ্ধ টিমওয়ার্কের বাস্তবতা দেখাতে পারেনি। সরকারের মধ্যে নানা ধরনের সরকার কাজ করছে বলে মনে হয়েছে। একেকজন হয়তো একেক দিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। এ ছাড়া অনিশ্চয়তার অনেক আবহ লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়েছে, কিন্তু এখনও জনমনে কিছুটা আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। আশা করা যায়, এ আশঙ্কা দূর করে আমরা এগিয়ে যাব। কিন্তু অর্থনীতি বলি, রাজনীতি বলি কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার; বিভেদগুলো সামনে চলে এসেছে। জনগণের মধ্যে হয়তো দেশকে একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এখনও প্রবল। কিন্তু যারা প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাক্টর বিশেষত রাজনৈতিক দল, সরকার ও আমলাতন্ত্রের মধ্যে নানামুখী প্রবণতা প্রবল। চলতি বছরকে আমরা অনেকটা সেখানেই সমাপ্ত করছি।
সমকাল: নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরও অনিশ্চয়তার কারণ কী হতে পারে?
হোসেন জিল্লুর: কিছু সহিংসতার কারণে অনিশ্চয়তার আলোচনা আসছে। তরুণ রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড সাম্প্রতিক সহিংসতার বড় উদাহরণ। এই দুঃখজনক অকালমৃত্যু এবং এটি ঘিরে নানা প্রশ্ন ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় ঘাটতি শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। হাদি হত্যার বিচারের দাবিকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের একটা প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। অবশ্য ডিসেম্বরের শেষদিকে এসে বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির মধ্যে ঐক্য জোরালো করার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার পর অনিশ্চয়তা লাঘবের চেষ্টা সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। তবে এসবের মাঝে সবচেয়ে উদ্বেগের জায়গা হলো আইনশৃঙ্খলার ঘাটতির ঘটনাগুলো। আরও উদ্বেগের বিষয়, এগুলো মোকাবিলার জন্য সরকারের দিক থেকে বিশ্বাসযোগ্য ও ঐক্যবদ্ধ সাড়া নেই। প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, ছায়ানট, উদীচীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আক্রমণ ও অগ্নিসংযোগ হলো। এসব ঘটনা উদ্বেগের বিষয়। কিন্তু রাষ্ট্র থেকে সাড়া না পাওয়া আরও উদ্বেগের। এগুলোর পেছনে অনেক পক্ষের উস্কানি রয়েছে, কিন্তু তা মোকাবিলায় তো একটি সরকার আছে, রাষ্ট্র আছে। সেই জায়গাটা শক্তিশালী হলে উস্কানিদাতাদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়।
সমকাল: সার্বিকভাবে অর্থনীতির অবস্থাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
হোসেন জিল্লুর: আমার কাছে মনে হয়, অর্থনীতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের একমাত্রিক চিন্তা বা মনোযোগ কাজ করেছে। এটি ছিল সামষ্টিক অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থা কীভাবে কাটানো যায়। সামষ্টিক অর্থনীতির ধসে পড়া অবস্থা সরকার ঠেকিয়েছে। বিশেষত ডলার সংকট কাটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা আনার কিছু পদক্ষেপ উল্লেখযোগ্য। এর বাইরে যদি অর্থনৈতিকভাবে মানুষের ভালো থাকার কথা বলি; বিশেষত দ্রব্যমূল্য, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের কথা বলি, তাহলে প্রতিটাই নেতিবাচক অথবা করুণ অবস্থায় ছিল। কোনোভাবেই বিনিয়োগ খরা কাটছে না । মূল্যস্ফীতি একটু কমেছে, কিন্তু উচ্চহারে রয়ে গেছে। কর্মসংস্থান সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারি তথ্যেই কর্মসংস্থান হারানোর কথা রয়েছে। পিপিআরসির জরিপে আমরা দেখেছি, দারিদ্র্য এখন উল্টো পথে হাঁটছে। এখন প্রায় ২৮ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে ঢুকে গেছে। বিশ্বব্যাংকের প্রক্ষেপণেও দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতির কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ইউনিসেফ এবং বিবিএসের একটা মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার জরিপে দেখা গেছে, কিছু সামাজিক সূচকের অবনতি হয়েছে। স্কুল থেকে ঝরে পড়ার হার এবং জন্মনিয়ন্ত্রণের সূচক উল্টো দিকে গেছে। আসলে অন্তর্বর্তী সরকার বড় ধরনের কোনো অর্থনৈতিক এজেন্ডা সামনে নিয়ে আসতে পারেনি। যেমন আমাদের দরকার এখন নতুন প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলোকে বেগবান করা। সেই আলোচনা সামনে আসতে পারেনি। কর্মসংস্থানের বিশ্বাসযোগ্য উদ্যোগগুলো সামনে আসতে পারেনি। সবচেয়ে বেশি চিন্তার বিষয়, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ এবং তার জন্য একটা সুযোগ হচ্ছে মানব সম্পদ।
সমকাল: মানব সম্পদের জন্য তো শিক্ষার উন্নয়ন দরকার। শিক্ষা খাতের পরিস্থিতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
হোসেন জিল্লুর: শিক্ষায় এক ধরনের বেহাল অবস্থা চলছে। শিক্ষার একটা বড় ধরনের অবকাঠামো আছে। কিন্তু সেই অবকাঠামো থেকে যথাযথ মানব সম্পদ তৈরি হচ্ছে না। শিক্ষা সার্টিফিকেটনির্ভর হয়ে গেছে। আর এখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাত্র সংসদ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, নাকি আমলাতন্ত্রের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, তা পরিষ্কার নয়। স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা, নাকি শিক্ষকদের সমিতিগুলো চালাচ্ছে, তাও পরিষ্কার নয়। মানসম্মত শিক্ষার আলাপ কাগজে আছে, কিন্তু বাস্তবতা আমরা দেখছি, শিক্ষা বেহাল অবস্থায় আছে।
সমকাল: সার্বিকভাবে সংস্কার কার্যক্রমকে আপনি কীভাবে দেখেন?
হোসেন জিল্লুর: এক অর্থে সংস্কার শব্দটি চালু করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু সংস্কারের ব্যাখ্যা বা করণীয় জায়গায় সীমানাগুলো তারা খুবই সংকীর্ণভাবে দেখেছে। দীর্ঘ সময় ধরে ঐকমত্য কমিশনের নামে খুবই এলিট উপায়ে যমুনার চার দেয়ালের মধ্যে এক ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছে। সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার কিংবা দুর্নীতি দমনের মতো বিষয় গুরুত্ব পায়নি। শেষ পর্যন্ত তারা ঢাকঢোল পিটিয়ে জুলাই সনদ এবং গণভোট চালু করেছে। গণভোটের প্রশ্নগুলো জনগণের প্রতি এক ধরনের অবিচার।
সমকাল: কেন অবিচার মনে করছেন?
হোসেন জিল্লুর: আমরা মতামত জরিপের পেশাদারি ব্যাখ্যা যখন করি, তখন কিছু স্বাভাবিক ভুল সম্পর্কে সতর্ক করা হয়। তার মধ্যে একটা হলো ‘কগনিটিভ ওভারলোড। এর মানে হলো, যিনি উত্তর দেবেন, তার উত্তর দেওয়ার জন্য জ্ঞান এবং উপলব্ধির ওপর ‘ওভারলোড’ বা অতিরিক্ত চাপ দেওয়া থেকে সতর্ক থাকা। আপনাকে বুঝতে হবে, প্রশ্নগুলো কার স্বার্থে করছেন? এটা যদি সাধারণ মানুষের স্বার্থে হয় তাহলে তাদের জন্য সহজ করাটাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। গণভোটের অন্যতম সমস্যা এই ‘কগনিটিভ ওভারলোড’। অনেক প্রশ্ন, কিন্তু উত্তর একটা জায়গায় শুধু হ্যাঁ বা না। সাধারণ মানুষের উপলব্ধির ওপর বেশি চাপ তৈরি করে সেখান থেকে খুব সহজ একটা উত্তর চাওয়া হচ্ছে। এটি মানুষের প্রতি আসলেই অবিচার এবং প্রশ্নগুলো যারা করেছেন, হয়তো তাদের সুবিধার্থে করেছেন।
সমকাল: নতুন বছরে প্রত্যাশার জায়গায় আপনার ভাবনা জানতে চাই।
হোসেন জিল্লুর: প্রথমত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যায় শেষ করে একটি নির্বাচিত সরকার অধ্যায়ে যাওয়া দরকার। তবে এর মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আমি মনে করি না। কারণ চ্যালেঞ্জগুলো অনেক ধরনের। অর্থনীতি পুনর্জাগরণের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া অনৈক্যের নানা বাস্তবতা কমিয়ে আনার বড় চ্যালেঞ্জ আছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের একটা প্রবণতা আমরা দেখেছি, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সংহত না করে তারা আমলাতান্ত্রিক শাসনকে জোরদার করেছে। অন্যদিকে মানবিক রাষ্ট্রীয় শাসনের বিষয়গুলোকে জোরালোভাবে মনোযোগ দেয়নি। ফলে দুর্নীতির বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জ হিসেবে থেকে যাবে। দুর্নীতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের হয়রানির বিষয় বিবেচনায় আনা দরকার। সাধারণ মানুষ বলতে আমি কৃষক, শ্রমিক, নারী, তরুণ, উদ্যোক্তা শ্রেণি, বিনিয়োগকারী– সবার কথাই বলছি। রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়ার পদে পদে হয়রানি আছে। ফলে হয়রানি কমানোরও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, সামাজিক নিরাপত্তা– এগুলোতে জোরালোভাবে নজর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা থাকবে। এ ছাড়া আমাদের ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তা, একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়গুলো খুব জোরালো ইস্যু হিসেবে ২০২৬ সালে থাকবে এবং এগুলো সামাল দিতে আমাদের সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা ও বিশ্বাসযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশকে এবং বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার কীভাবে দেওয়া যায়, সেখানে নজর দেওয়ার প্রয়োজন হবে। আমি এটিও মনে করি যে, বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া শুধু নির্বাচিত সরকার বা রাজনৈতিক দলের কাজ নয়। এটি সবার কাজ হিসেবে দেখতে হবে। প্রত্যেকের নিজের অঙ্গীকার থাকতে হবে। নগণ্য হোক আর সর্বোচ্চ হোক, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিটা অবস্থানের গুরুত্ব আছে। আমরা যদি আমাদের লক্ষ্যমাত্রার কথা বলি, তাহলে মানুষের স্বস্তির জায়গাগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। এ জন্য রাজনৈতিক দল, নির্বাচিত সরকার, উন্নয়ন সহযোগীদের পাশাপাশি সামাজিক শক্তিগুলোকে জোরালোভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ করে উদ্যোক্তা, পেশাজীবী এবং তরুণদের কথা বলব। একটা যৌথ উদ্যোগ এবং কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশ কীভাবে এগিয়ে যাবে, তার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ঠিক করতে হবে। আমাদের স্বপ্ন হতে হবে সবার স্বপ্ন।