Image description

বাংলাদেশের সংবিধান দিবস আজ ৪ নভেম্বর। ১৯৭২ সালের এই দিনে গণপরিষদে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। এ বছর সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৫৪ বছর পূর্ণ হয়েছে।

স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন ৩৪ জন সদস্য। ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল গঠিত এই কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিলেন দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, আইনজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা। দীর্ঘ আলোচনা, মতপার্থক্য ও বিতর্কের মধ্য দিয়ে তারা তৈরি করেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান। সেই কমিটির ৩৪ সদস্যের মধ্যে বর্তমানে জীবিত রয়েছেন মাত্র তিনজন।

তারা হলেন সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন, অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ ও ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম। বাকি ৩১ সদস্যই মারা গেছেন। ১৯৭২ সালে গঠিত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ৭ নম্বর সেক্টরের উপদেষ্টা ও ক্যাম্প ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৩ ও ১৯৯৬ সালে পাবনা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন তিনি। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন রাকসুর সাবেক এই ভিপি।

অধ্যাপক আবু সাইয়িদ জানান, ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন রাজিয়া বানু। তিনি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি।

 

বাহাত্তারের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন, সদস্য অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ ও ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম (বাঁ থেকে), ফাইল ছবি
 
বাহাত্তারের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন, সদস্য অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ ও ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম (বাঁ থেকে), ফাইল ছবি

 

বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন

১৯৭২ সালের ২২ মার্চ বাংলাদেশের গণপরিষদ আদেশের অধীনে নতুন গণপরিষদ গঠিত হয়। ওই বছরের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন ও গ্রহণ করে। সংবিধানের প্রস্তাবনায় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়।

মাত্র নয় মাসে সংবিধান প্রণয়ন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। বিভিন্ন দেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দলিল থেকে ধারণা গ্রহণ করে তা বাংলা ভাষার মাধ্যমে দেশের আইনি সংস্কৃতিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কিন্তু এতো বছরেও কি জনমনের আশার প্রতিফলন ঘটেছে সাংবিধানিকভাবে?

যেভাবে রচিত হয়েছিল বাংলাদেশের সংবিধান

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান। একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর, প্রথম বিজয় দিবসে সংবিধানটি কার্যকর হয়।

অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেমন কেবল নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের ইতিহাস নয়, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম। তেমনি বাংলাদেশের সংবিধানও বিভিন্ন দেশের সংবিধান থেকে কিছু অনুচ্ছেদ নিয়ে তৈরি কোনো দলিল নয়। এর প্রতিটি বাক্য, শব্দ, এমনকি সেমিকোলন নিয়েও গণপরিষদে আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে।

তিনি জানান, প্রাদেশিক পরিষদের ২৬৮ জন এবং জাতীয় পরিষদের ১৫১ জনসহ মোট ৪১৯ জন সদস্য শপথ গ্রহণ করেন। মিজানুর রহমান চৌধুরীর ‘রাজনীতির তিন কাল’ বইয়েও এ বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।

 

সংবিধান তৈরির প্রাথমিক উদ্যোগ

১৯৭২ সালের ২০ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করা হয়। এই আদেশ অনুযায়ী, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ ও পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে বাংলাদেশ গণপরিষদ গঠন করা হয়। এই গণপরিষদের ওপরই বাংলাদেশের সংবিধান রচনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। গঠন করা হয় ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটি

১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ১১ এপ্রিল গঠন করা হয় সংবিধান প্রণয়ন কমিটি।

কমিটির ৩৪ সদস্যের নাম প্রস্তাব করেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনসুর আলী। প্রস্তাবে ড. কামাল হোসেনকে কমিটির সভাপতি করার কথা বলা হয়। গণপরিষদের স্পিকার মুহম্মদুল্লাহ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

৩৪ সদস্যের এই কমিটিতে ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, হাফেজ হাবিবুর রহমান, আব্দুল মুন্তাকীম চৌধুরী, নুরুল ইসলাম চৌধুরীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি রাজিয়া বানু।

 

কমিটির বৈঠক ও সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল। এরপর কয়েক দফায় বৈঠক চলে। ১৭ থেকে ২৯ এপ্রিল, ১০ থেকে ২৫ মে, ৩ থেকে ১০ জুন, ১০ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর এবং ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৮৫ দিন ধরে চলে সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের কাজ।

১০ জুন অনুষ্ঠিত তৃতীয় দফার বৈঠকে সংবিধানের একটি পূর্ণাঙ্গ খসড়া অনুমোদন করা হয়। এখানে পূর্ণাঙ্গ বলতে বিষয়বস্তুর দিক থেকে পূর্ণাঙ্গ খসড়াকে বোঝানো হয়েছে। এরপর ইংরেজি ভাষ্যের আইনগত দিক এবং বাংলা ভাষ্যের ভাষাগত উন্নয়নের কাজ বাকি ছিল।

সংবিধানের ইংরেজি খসড়া তৈরি করেন ড. কামাল হোসেন। সেটির বাংলা অনুবাদের দায়িত্ব দেওয়া হয় ড. আনিসুজ্জামানকে। পরে এ কে এম শামসুদ্দীন নামে আরও একজনকে এ কাজে যুক্ত করা হয়। সংবিধান প্রণয়নের কাজে সহায়তার জন্য বিচারপতি এফ কে এম মুনীমকে আইনসচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

এ সময় সংবিধান প্রণয়ন কমিটির কাছে গণপরিষদের বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পরামর্শসংবলিত ৯৮টি স্মারকলিপি জমা পড়ে। এসব স্মারকলিপি কমিটির সদস্যদের বিবেচনার জন্য সরবরাহ করা হয়েছিল।

 

গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া উপস্থাপন ও আলোচনা

অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ জানান, ১২ অক্টোবর কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ১৫৩টি অনুচ্ছেদসংবলিত ৭২ পৃষ্ঠার সংবিধানের খসড়া বিল আকারে গণপরিষদে উপস্থাপন করেন।

১৯ অক্টোবর বিলটির ওপর সাধারণ আলোচনা শুরু হয়, যা চলে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময় গণপরিষদের ৪৫ জন সদস্য খসড়া সংবিধানের ওপর আলোচনায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ১৬ জন ছিলেন সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য। সাধারণ আলোচনার বাইরেও কমিটির সভাপতি হিসেবে ড. কামাল হোসেন বিভিন্ন সদস্যের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং খসড়ার বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করেন।

সংবিধান নিয়ে সদস্যদের ভিন্নমত ও প্রস্তাব

সংবিধানের বিভিন্ন ধারা ও অনুচ্ছেদ নিয়ে কমিটির সদস্যদের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। কেউ প্রস্তাবনায় ধর্মীয় বাক্য যুক্ত করার পক্ষে মত দেন, কেউ সংসদীয় কাঠামো ও সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতা নিয়ে আপত্তি তোলেন। আবার কেউ সম্পত্তির অধিকার, সমাজতন্ত্র ও নারীর সমান অধিকার নিয়ে বিকল্প প্রস্তাব দেন।

সংবিধানের প্রস্তাবনার শুরুতে ‘সর্বশক্তিমান, পরম দয়ালু, ক্ষমাশীলের নামে’ কথাগুলো যুক্ত করার প্রস্তাব করেন কমিটির সদস্য এ কে মোশাররফ হোসেন আকন্দ। তার যুক্তি ছিল, দেশের জনগোষ্ঠীর ৮৩ শতাংশ মুসলমান এবং তারা নিজেদের সব কাজ সর্বশক্তিমানের নামে শুরু করেন।

 

হাফেজ হাবিবুর রহমান তার নোট অব ডিসেন্টে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাব করেন। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের সদস্যপদ বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কঠোর সমালোচনা করেন। তার মতে, এই অনুচ্ছেদের কারণে দলীয় একনায়কত্ব এবং দলীয় নেতার একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।

আব্দুল মুন্তাকীম চৌধুরীও ৭০ অনুচ্ছেদ পুনর্লিখনের প্রস্তাব করেন।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং সম্পত্তির অধিকারসংক্রান্ত ৪২ অনুচ্ছেদ নিয়ে বড় ধরনের আপত্তি জানান আছাদুজ্জামান খান। তার মতে, নির্দিষ্ট সীমার বাইরের ব্যক্তিগত সম্পত্তি আইন করে জাতীয়করণের প্রয়োজন রয়েছে।

এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি নোট অব ডিসেন্ট দেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্পদ ও উৎপাদনব্যবস্থার যৌথ মালিকানাকে সংবিধানের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচনা করার প্রস্তাব দেন তিনি। পাশাপাশি শহর ও গ্রামে ব্যক্তিগত সম্পত্তির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের পরিবর্তে জীবনের সব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার প্রস্তাব করেন।

অন্যদিকে, ডা. ক্ষিতীশ চন্দ্র মণ্ডল তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ বিশেষ যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতাকে রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানান। এ বিষয়টি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি।

কমিটির ছয় সদস্যের এসব নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।

 

গৃহীত হয় বাংলাদেশের সংবিধান

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে খসড়া সংবিধানের তৃতীয় ও চতুর্থ পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দুপুরে তুমুল হর্ষধ্বনি ও করতালির মধ্য দিয়ে গৃহীত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

এরপর ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদের সদস্যরা হাতে লেখা মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এতে প্রথম স্বাক্ষর করেন। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

দীর্ঘ আলোচনা, বিতর্ক, মতপার্থক্য ও পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে রচিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান। সেই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত ৩৪ সদস্যের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির মধ্যে অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জীবিত রয়েছেন মাত্র তিনজন—ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ।

 

সংবিধান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ড. কামাল হোসেন ও অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ। তাদের দুজনের মধ্যে আছেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ছবি: অধ্যাপক আবু সাইয়িদের ফেসবুক থেকে
 
সংবিধান দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ড. কামাল হোসেন ও অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ। তাদের দুজনের মধ্যে আছেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ছবি: অধ্যাপক আবু সাইয়িদের ফেসবুক থেকে

 

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির ৩৪ সদস্যের তালিকা

১. ড. কামাল হোসেন (ঢাকা-৯, জাতীয় পরিষদ)
২. মো. লুৎফর রহমান (রংপুর-৪, জাতীয় পরিষদ)
৩. অধ্যাপক আবু সাইয়িদ (পাবনা-৫, জাতীয় পরিষদ)
৪. এম আবদুর রহিম (দিনাজপুর-৭, প্রাদেশিক পরিষদ)
৫. এম আমীর-উল ইসলাম (কুষ্টিয়া-১, জাতীয় পরিষদ)
৬. নূরুল ইসলাম মঞ্জুর (বাকেরগঞ্জ-৩, জাতীয় পরিষদ)
৭. আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী (সিলেট-৫, জাতীয় পরিষদ)
৮. ডা. ক্ষিতীশ চন্দ্র মণ্ডল (বাকেরগঞ্জ-১৫, প্রাদেশিক পরিষদ)
৯. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (সিলেট-২, প্রাদেশিক পরিষদ)
১০. সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ময়মনসিংহ-১৭, জাতীয় পরিষদ)
১১. তাজউদ্দীন আহমদ (ঢাকা-৫, জাতীয় পরিষদ)
১২. খন্দকার মোশতাক আহমেদ (কুমিল্লা-৮, জাতীয় পরিষদ)
১৩. এ এইচ এম কামারুজ্জামান (রাজশাহী-৬, জাতীয় পরিষদ)
১৪. আবদুল মমিন তালুকদার (পাবনা-৩, জাতীয় পরিষদ)
১৫. আবদুর রউফ (রংপুর-১১, জাতীয় পরিষদ)
১৬. মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ (রাজশাহী-৩, জাতীয় পরিষদ)
১৭. বাদল রশীদ (বার অ্যাট ল)
১৮. খন্দকার আবদুল হাফিজ (যশোর-৭, জাতীয় পরিষদ)
১৯. শওকত আলী খান (টাঙ্গাইল-২, জাতীয় পরিষদ)
২০. মো. হুমায়ুন খালিদ
২১. আছাদুজ্জামান খান (যশোর-১০, প্রাদেশিক পরিষদ)
২২. এ কে মোশাররফ হোসেন আখন্দ (ময়মনসিংহ-৬, জাতীয় পরিষদ)
২৩. আবদুল মমিন
২৪. শামসুদ্দিন মোল্লা (ফরিদপুর-৪, জাতীয় পরিষদ)
২৫. শেখ আবদুর রহমান (খুলনা-২, প্রাদেশিক পরিষদ)
২৬. ফকির সাহাব উদ্দিন আহমদ
২৭. অধ্যাপক খোরশেদ আলম (কুমিল্লা-৫, জাতীয় পরিষদ)
২৮. অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক (কুমিল্লা-৪, জাতীয় পরিষদ)
২৯. দেওয়ান আবু আব্বাছ (কুমিল্লা-৫, জাতীয় পরিষদ)
৩০. হাবিবুর রহমান (কুমিল্লা-১২, জাতীয় পরিষদ)
৩১. আবদুর রশিদ
৩২. নুরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬, জাতীয় পরিষদ)
৩৩. মোহাম্মদ খালেদ (চট্টগ্রাম-৫, জাতীয় পরিষদ)
৩৪. রাজিয়া বানু (নারী আসন, জাতীয় পরিষদ)