Image description

ক্রীড়াঙ্গনে বিএনপির দলীয়করণের অভিযোগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, দেশের বিভিন্ন খাতে দলীয়করণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। এ জন্য বিকল্প পরিসর তৈরি করা প্রয়োজন। ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স তেমনই একটি পরিসর, যেখানে ক্রীড়াঙ্গনের মানুষেরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন।

 

সোমবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল, নির্বাচনের পর নতুন সরকার এসে সরকারি দায়িত্ব থেকে ক্রীড়াঙ্গনের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নের কাজগুলো করবে। কিন্তু নির্বাচনের পর আমরা দেখলাম, সারা বাংলাদেশে রীতিমতো দলীয়করণ হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনও সেই দলীয়করণ থেকে মুক্ত থাকতে পারেনি।

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কমিটি অবৈধভাবে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিষয়টি তারা সংসদেও বলেছেন। বিসিবিতে যে কমিটি করা হয়েছে, সেটিকে তারা ‘বাপের দোয়া কমিটি’ বলেছেন। এখন এই কমিটির ফলাফল বাংলাদেশের মানুষ দেখতে চায়।

ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সকে এনসিপির সহযোগী না করে সহযোগিতা করার কথা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, সংগঠনটির কাজের ক্ষেত্রে এনসিপি কোনো প্রেসক্রিপশন দেবে না। রাজনৈতিক দল পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্বাচনি আইনসহ প্রযোজ্য আইন মেনে চলবেন তারা। স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের সঙ্গে আদর্শিক ও নীতিগত সম্পর্ক থাকায় সংগঠনটির উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং সহযোগিতা করতে চান।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, জনসংখ্যার অনুপাতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো পিছিয়ে। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে খেলাধুলায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে দেশের ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সুযোগ তৈরি করতে হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সকে কাজ শুরু করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে দেশের খেলাধুলায় ইতিবাচক পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি হয়।

অনুষ্ঠানে বিসিবির সাবেক পরিচালক ও সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের নাম উল্লেখ না করে বলেন, আমাদের যেই অটোপাস এমপি হতে পারেনি, মন্ত্রী হয়েছেন, তার এই উত্তরের (ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আহ্বায়ক) সদস্যপদ চলে গেছে, এখন তিনি শুধুমাত্র কোনোমতে মন্ত্রী আছেন। কবে যান, আমার মনে হয় আজকে মিডিয়ায় বক্তব্য প্রচারের পরে সেটাও তার টলমল হয়ে যাবে। কারণ একজন গোলরক্ষকের হাতে ক্রিকেট থাকতে পারে না। ফুটবলে যেখানে তার ভূমিকা, ফুটবল তাকে পাত্তা দেয় না।