চলতি বছরের নওগাঁর সাপাহারের ভিওইল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৬৫ জন শিক্ষার্থী। তবে আশানুরূপ শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। ফেল করেছেন ৫০ জনই। এর প্রতিবাদে এবং শিক্ষার্থীদের পাসের হার বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভিওইল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে ভিওইল গ্রামবাসীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ও যথাযথভাবে পাঠদান করা হয় না। পাঠদানের নির্ধারিত সময়ে শিক্ষকদের কেউ কেউ কলেজের বাইরে আড্ডা দিয়ে সময় কাটান এবং অনেক শিক্ষক যথাসময়ে প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হন না।
এসব অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে এবং এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার আশানুরূপ হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের। বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা, শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং পরীক্ষার ফলাফল উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
একই সঙ্গে শিক্ষকদের অনিয়ম ও পাঠদানে অবহেলার দায় নিয়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি জানান তারা। এ সময় শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।
এ বিষয়ে ভিওইল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, চলতি বছর কলেজের দুটি শাখা জেনারেল ও ভোকেশনাল থেকে ৬৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তাদের মধ্যে ১৫ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে।
এসব পরীক্ষার্থীর মধ্যে অধিকাংশই কর্মজীবী জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ কারণে আশানুরূপ ফলাফল হয়নি। তবে আগামীতে ফলাফল ভালো হবে বলে আশা করছি।’