পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়।
উপস্থিত আছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর আগে দিনভর কয়েকটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। যেখানে শ্রমিকদের আন্দোলনের সুযোগে কোনো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যাতে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে না পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকরা বিক্ষোভ সড়কে নেমে বিক্ষোভ ও অবরোধ করছেন। এতে বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে বেশ কিছু কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিএমপি এলাকা, গাজীপুর-ময়মনসিংহ এবং সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী শিল্পাঞ্চলে পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) এক তথ্যে এ কথা জানানো হয়েছে।
এদিকে, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আগামীকাল সোমবার (২ নভেম্বর) কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হবে মালিকরা। বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি।