Image description

প্রশাসন যে কোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে বেশি সচল বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। প্রশাসন তাদের সহযোগিতা করছে না- সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কেউ কেউ বিভিন্ন সময়ে এমন দাবি করলেও এসব বক্তব্যের কোনো সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।

সম্প্রতি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রশাসন নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে সরকারের অবস্থান, প্রশাসনের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেন জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মাসুদ রানা।

জাগো নিউজ: সম্প্রতি প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আচরণ ও বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হচ্ছে। রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারের একটি আচরণ এবং পীরগঞ্জে একজন কর্মকর্তার বক্তব্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বিষয়গুলো কীভাবে দেখছেন?

 

আব্দুল বারী: আপনি যে ঘটনাগুলোর কথা বলছেন, সেগুলো আগে আমাকে দেখতে হবে। আসলে কী ঘটেছে। কোনো ঘটনা সম্পর্কে শুধু খবর শুনে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। কিছু ঘটনা সম্প্রতি সামনে আসছে। তবে এগুলোর সব যে সত্য, তা বলা যাবে না। আবার সব মিথ্যা, সেটিও বলা যাবে না। প্রতিটি ঘটনা যাচাই করতে হবে। কে কোন উদ্দেশ্যে কাকে কোন ঘটনার সঙ্গে জড়াতে চাইছে, সেটি বোঝাও অনেক সময় কঠিন। আমরা এ রকম বেশকিছু ঘটনা যাচাই করেছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক কিছু ছড়িয়ে পড়লেও যাচাই করতে গিয়ে সেগুলোর সত্যতা পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, যেখানে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে, সেখানে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগে দেখতে হবে, ঘটনাটি আসলে সত্য কি না। সত্যতা নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাগো নিউজ: শুধু কর্মকর্তাদের আচরণ নয়, সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের কেউ কেউ বিভিন্ন সময়ে বলছেন, প্রশাসন তাদের সহযোগিতা করছে না। প্রশাসনকে নিয়ে এমন নেতিবাচক বক্তব্য আসছে। এর কারণ কী?

 

আব্দুল বারী: এগুলো বাজে কথা। এসব বক্তব্যের কোনো অথেনটিসিটি নেই। প্রশাসন যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন বেশি সচল। দেশের যেসব কাজ চলছে, সেগুলো দেখলেই বোঝা যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেসব কর্মসূচি নিয়েছেন, সেগুলোর প্রতিটি বাস্তবায়নে প্রশাসন কাজ করছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউএনও থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন। বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চলতে পারে। কিন্তু অপপ্রচার দিয়ে তো হবে না। আপনাদেরও দেখতে হবে, প্রশাসন বাস্তবে কাজ করছে কি না।

সামগ্রিকভাবে প্রশাসন কাজ করছে না, এমন পরিস্থিতি নেই। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা যথেষ্ট সচেতন এবং তারা কাজ করছেন। মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকেও তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আমরা যখন যেখানে যাচ্ছি, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, কথা বলছি

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে খাল খনন কর্মসূচির কথাই ধরুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে দেখেছেন, একজন ইউএনও খাল খননের কাজ করছেন এবং সরকারি প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ শেষ করার পর অব্যয়িত অর্থের একটি অংশ সরকারকে ফেরত দিয়েছেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তার স্টাফকে বিষয়টি খুঁজে দেখতে নির্দেশ দেন। অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায়, এভাবে ৮৩ জন ইউএনও টাকা ফেরত দিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ওই ৮৩ জন ইউএনওকে নিয়ে বৈঠক করেছেন। মাঠপর্যায়ে তাদের বক্তব্য শুনেছেন এবং কর্মসূচিটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

‌‘তাই ভালো কাজগুলোও দেখতে হবে। কোথাও দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। সেটি অসম্ভব কিছু নয়। কিন্তু সামগ্রিকভাবে প্রশাসন কাজ করছে না, এমন পরিস্থিতি নেই। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা যথেষ্ট সচেতন এবং তারা কাজ করছেন। মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকেও তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আমরা যখন যেখানে যাচ্ছি, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, কথা বলছি।’

 

এ সরকার মানুষের কাছে দায়বদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী
 
এ সরকার মানুষের কাছে দায়বদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী

 

সরকারের কাজকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য হয়তো কিছু কিছু অপপ্রচার চালানো হতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

জাগো নিউজ: সরকারের আট মাসের কার্যক্রম নিয়ে আপনাদের দলের নেতারাও বিভিন্ন সময়ে কথা বলছেন। প্রশাসন ও সরকারের কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়ে কোন বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া উচিত?

আব্দুল বারী: আপনারা দেখুন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অফিস করেন, অনেক সময় এর চেয়েও বেশি সময় কাজ করেন। শনিবারসহ ছুটির দিনেও তিনি অফিস করেন।

 

একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও ভঙ্গুর প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপর দাঁড়িয়ে এ সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। মানুষ ভোট দিয়ে সরকারকে ক্ষমতায় নিয়ে এসেছে, এ সরকার মানুষের কাছে দায়বদ্ধ।

‘আপনি দেখুন, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে, রপ্তানি আয় বাড়ছে। আশপাশের অনেক দেশে মুদ্রার মান কমে গেলেও বাংলাদেশের মুদ্রার মান স্থিতিশীল রয়েছে, বরং কিছুটা বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের দিকে তাকান। রমজানের সময় তুলনামূলকভাবে দ্রব্যমূল্য বাড়েনি। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ করা হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রয়েছে, খাদ্য মজুত আছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানির ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হয়েছিল, সরকার সেটি মোকাবিলা করেছে। বিদ্যুতের সমস্যাও অনেকটা কেটে গেছে। একেকটি সমস্যা চিহ্নিত করে সরকার সেগুলোর সমাধানে কাজ করছে।

কোনো জায়গায় দু-একজন বিচ্ছিন্নভাবে কিছু বললেন বা কোনো ঘটনা ঘটলো, সেটি নিয়ে খবর হতে পারে। কিন্তু শুধু এসব ঘটনা দিয়ে সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রম মূল্যায়ন করা যায় না। বাস্তবতা হলো, সবাই কাজ করছেন।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান দেখুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখবেন, প্রত্যেক জেলা ও উপজেলায় এমন কার্যক্রম চলছে। এমনকি ঢাকা শহরেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৩টিরও বেশি জায়গা পরিদর্শন করেছেন।

 

‘ঢাকার যানজটের বিষয়টিও দেখুন। আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় যানজট এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি আরও নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। প্রতিটি সমস্যা চিহ্নিত করে সরকার সমাধানের চেষ্টা করছে। কোথাও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলে সেটিও সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৮০ দিনের লক্ষ্যমাত্রা খুব ভালোভাবে অর্জিত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্জন হয়েছে। এরপরও পরবর্তী ধাপ রয়েছে, তার পরের ধাপও রয়েছে। প্রতিটি ধাপের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিটি পর্যায়েই কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে

জাগো নিউজ: প্রশাসনকে নিয়ে এত আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যে সরকার কি প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কোনো ধরনের অস্বস্তিতে রয়েছে?

আব্দুল বারী: অস্বস্তির প্রশ্নই আসে না। অস্বস্তি কেন থাকবে? এটি একটি গণতান্ত্রিক সরকার। ৫১ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়ে সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ। তিনি সারা দেশের মানুষের প্রধানমন্ত্রী, তার সরকারও সারা দেশের মানুষের সরকার। এখানে অস্বস্তির কোনো বিষয় নেই। এগুলো অপপ্রচার। অপপ্রচার করে লাভ হবে না।

তিনি বলেন, আমি আরেকটি কথা বলতে চাই। শুধু প্রশাসনের কর্মকর্তা নন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষই এখন দেশটাকে বাসযোগ্য করতে চাইছেন। আজও (গত শনিবার) দেখুন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে বসেছেন।

 

‌‘সবাই চাইছেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকুক, দুর্নীতি বন্ধ হোক, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হোক এবং দেশটি একটি বাসযোগ্য রাষ্ট্রে পরিণত হোক। আমরা চাই, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন এ দেশে ভালোভাবে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে। রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা যেন সব মানুষ পায়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবাই সেই লক্ষ্যেই কাজ করছেন। এখানে অসহযোগিতা বা অসন্তোষের কোনো বিষয় নেই। এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

জাগো নিউজ: সরকারের বিভিন্ন নিয়োগ কার্যক্রমের অগ্রগতি কতদূর? নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে সরকারের কোনো বিশেষ উদ্যোগ আছে কি?

আব্দুল বারী: সব নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। কোনো কার্যক্রম বন্ধ নেই। রাষ্ট্র সচল রয়েছে। আপনারা দেখুন, কোনো নিয়োগ কার্যক্রমই বন্ধ নেই।

 

সরকারের ১৮০ দিনের লক্ষ্যমাত্রা খুব ভালোভাবে অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
 
সরকারের ১৮০ দিনের লক্ষ্যমাত্রা খুব ভালোভাবে অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

 

জাগো নিউজ: সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ১৮০ দিনের জন্য একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্যমাত্রা কতটা অর্জিত হয়েছে?

আব্দুল বারী: ১৮০ দিনের লক্ষ্যমাত্রা খুব ভালোভাবে অর্জিত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্জন হয়েছে।

এরপরও পরবর্তী ধাপ রয়েছে, তার পরের ধাপও রয়েছে। প্রতিটি ধাপের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিটি পর্যায়েই কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

জাগো নিউজ: সম্প্রতি বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বেড়েছে বলে সমালোচনা রয়েছে। এ ধরনের নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের নীতি কী?

 

আব্দুল বারী: চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের একটি আইন রয়েছে। রাষ্ট্রের আইনি কাঠামোর মধ্যেই এসব নিয়োগ পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রের প্রয়োজনে যখন যেখানে উপযুক্ত লোকের প্রয়োজন হয়, সেখানে আইন মেনেই নিয়োগ দেওয়া হয়। এটি নতুন কিছু নয়। গত ৫০ বছর ধরেই এ ধরনের নিয়োগ হয়ে আসছে।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও অনেক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখন যেখানে একান্ত প্রয়োজন, সেখানে সেই প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। সবকিছুই রাষ্ট্রের আইনি কাঠামোর মধ্যে করা হচ্ছে। আইনের বাইরে কোনো কিছু হচ্ছে না।

‘এখানে মূল বিষয় হলো, উপযুক্ত লোককে দায়িত্ব দিতে হবে। কোনো কোনো জায়গায় অভিজ্ঞ, দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ লোকের প্রয়োজন হয়। সেই প্রয়োজন বিবেচনা করেই নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে আইন ও বিধিবিধান মেনেই সবকিছু করা হচ্ছে।’

জাগো নিউজ: প্রশাসন ও সরকারের কার্যক্রম নিয়ে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা কী হওয়া উচিত বলে মনে করেন?

আব্দুল বারী: আমি আপনাদের (সাংবাদিক) কাছে বিনীত অনুরোধ করব, চলমান কার্যক্রমের সঠিক চিত্র তুলে ধরুন। সরকারের কোথাও কোনো দুর্বলতা দেখলে বা আপনাদের কোনো পরামর্শ থাকলে সেটিও সরকারকে জানান। দেশ তো আমাদের সবার।

 

সরকার পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এই পাঁচ বছরে সরকার দেশটাকে ভালো করতে চায়। সে ক্ষেত্রে আমাদের সবার দায়িত্ব সরকারকে সহযোগিতা করা। যদি দেখা যায়, সরকার ভালো কাজ করছে না বা সরকারের উদ্দেশ্য ভালো নয়, তাহলে সেটি ভিন্ন বিষয়।

‘কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনরাত পরিশ্রম করছেন। তিনি সবার সঙ্গে বসছেন, সবার মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। জাতীয় সংসদেও বিরোধীদলের নেতারা কোনো বক্তব্য বা প্রস্তাব তুলে ধরলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সেটি গ্রহণ করছেন। দেশটা আমাদের সবার। সবাই মিলে চেষ্টা করলেই দেশকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।’

জাগো নিউজ: জাগো নিউজকে সময় দেওয়ায় আপনাকে ধন্যবাদ।

আব্দুল বারী: জাগো নিউজকেও অনেক ধন্যবাদ।