ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়ে দুই পূজামণ্ডপের পক্ষের লোকজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ভাঙ্গা দুধবাজার নদীর ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নারী-পুরুষসহ হরিমন্দির যুব সংঘের ৮ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, ভাঙ্গা বাজারের চালপট্টি হরিমন্দির যুব সংঘ ও কুমারপট্টি তরুণ সংঘের উদ্যোগে প্রায় ১০০ ফুট দূরত্বে দুটি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার মধ্যরাতে হরিমন্দির যুব সংঘের সদস্যরা প্রথমে প্রতিমা বিসর্জন দিতে নদীর ঘাটে যান। কিছুক্ষণ পর কুমারপট্টি তরুণ সংঘের সদস্যরাও প্রতিমা নিয়ে ঘাটের উদ্দেশে রওয়ানা হন।
এ সময় পথে তরুণ সংঘের একটি প্রতিমা রাস্তার ওপর রাখা হলে সেটি সরিয়ে নিতে বলেন হরিমন্দির যুব সংঘের সভাপতি স্বপন দাস। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে কুমারপট্টি তরুণ সংঘের ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন হরিমন্দির যুব সংঘের সদস্যরা।
হরিমন্দির যুব সংঘের সভাপতি স্বপন অভিযোগ করে বলেন, সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমারপট্টি তরুণ সংঘের সভাপতি সুব্রত রায়ের নির্দেশে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কুমারপট্টি তরুণ সংঘের সভাপতি সুব্রত রায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ভাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’