Image description

জুলাই জাদুঘর শুধু বাংলাদেশিদের জন্য নয়, সারা বিশ্বের প্রত্যেক নাগরিকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট। তিনি বলেছেন, ‘জুলাই জাদুঘর আমার দেখা সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী জাদুঘর।’

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন তিনি। জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের জনসংযোগ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গণভবনে পাওয়া নথিপত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিবরণ পড়ে দেখেন স্টিভেন কোলেট। এ সময় তিনি বলেন, ‘জুলাই জাদুঘরে দেখানো নথিগুলো এখন নিছক নথিপত্রই নয়; তা ওই সময়ের হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ উপস্থাপন করছে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট। ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক উপমন্ত্রী স্টিভেন কোলেট। ছবি: সংগৃহীত

স্টিভেন কোলেট ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের স্মারক পরিদর্শন করেন। তিনি জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের চালানো ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের ভিডিও চিত্র দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে যান।

এ সময় স্টিভেন কোলেটের সামনে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন তাঁর বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তি।

জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন শেষে স্টিভেন কোলেট বলেন, ‘আমি এই জাদুঘরের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিবাদন জানাই। এই জাদুঘর আমাদের সবাইকে এমন এক ইতিহাসের কথা বলে, যা কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর আমাদের মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে ভবিষ্যৎ গঠনের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ করে তোলে।’

জুলাই জাদুঘর পরিদর্শনের সময় নেদারল্যান্ডসের উপমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ইউরিস ভ্যান বোমেল, ডেপুটি হেড মিশন ইয়ানা ভান দের লিন্দেন, দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি জাওয়াদ আজওয়ি এবং দূতাবাসের রাজনীতি ও জনকূটনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা লুবাইন মাসুম।