কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার এক কলেজ শিক্ষককে হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদলের কর্মী মিজান ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। নওদা আজমপুরে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তার ওপর এই নির্যাতন করা হয়।
জানা গেছে, আহত ওই শিক্ষকের নাম মো.মোখলেসুর রহমান। তিনি নওদা আজমপুর গ্রামের মৃত খবির উদ্দিনের ছেলে এবং আজমপুর টেকনিক্যাল কলেজের হিসাববিজ্ঞান (একাউন্টিং) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। বর্তমানে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি নিয়ে যুবদল কর্মী মিজানের সঙ্গে ওই শিক্ষকের বিরোধ চলছিল।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে কলেজ থেকে ক্লাস শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে নওদা আজমপুর মোড়ে পৌঁছালে আগের থেকে ওঁত পেতে থাকা মিজান এবং তার অনুসারী রনি, কামাল,ইন্টু, বিপ্লব,হাসান, সাগর, মহি খা, মিঠুসহ কয়েকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে শিক্ষককে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকলে তিনি গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই শিক্ষক জানান, জমি নিয়ে মামলা চলছে। অভিযুক্ত মিজান কয়েকদিন আগে তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছে। দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে এভাবে হামলা করা হয়। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম শহীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মোখলেস নামে এক কলেজ শিক্ষককে পেটানো হয়েছে। আহত শিক্ষক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।