বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার শিশু-কিশোরদের সংশোধনে সরকারি তিন কেন্দ্রের সুফল মিলছে না। শুধরে নেওয়ার বদলে এখান থেকে বেরিয়ে অনেকে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। অভিভাবকেরা জানিয়েছেন, কেন্দ্রে যাওয়ার পর উন্নতি তো হয়নি, বরং ক্ষতি হয়েছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও মানহীন খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে গেছে। বাড়ি ফিরে দীর্ঘদিন লেগেছে নির্যাতনের ট্রমা কাটাতে।
গাজীপুরের টঙ্গীতে বালক এবং কোনাবাড়িতে রয়েছে বালিকা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র। আর যশোর সদরের পুলেরহাটে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র। দণ্ডিত ও অভিযুক্ত অপ্রাপ্ত বয়স্কদের সংশোধনের জন্য আদালতের নির্দেশে কারাগারের পরিবর্তে এসব কেন্দ্রে রাখা হয়। উদ্দেশ্য– কাউন্সেলিং ও শিখন প্রক্রিয়ায় তাদের কর্মক্ষম এবং উৎপাদনশীল নাগরিক হিসেবে সমাজে পুনর্বাসন করা। তিন কেন্দ্রই পরিচালিত হয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে।
কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমিত বাজেট, প্রশাসনিক দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ত জনবলের কারণে কেন্দ্রগুলোর বন্দীরা সঠিক পরিচর্যা পায় না। মানসম্মত খাবার দূরে থাক, ঘুমাতে হয় গাদাগাদি করে। এতে অনেক ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হয়।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রতিষ্ঠান-২) রাশেদুল কবীর জানান, কোনো উন্নয়ন কেন্দ্রে নির্যাতন বা যেকোনো অভিযোগ পেলে, তারা তাৎক্ষণিক বা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেন। শিশু-কিশোরদের ওপর নির্যাতন অধিদপ্তর বরদাশত করে না।
চারজনের কক্ষে ৯ বন্দী, ৪০ জনে এক শৌচাগার
সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্যে, তিন কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা ৬০০। তবে বর্তমানে দুই থেকে তিনগুণ বন্দী রয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৩০০ ধারণক্ষমতার টঙ্গীর বালক কেন্দ্রে ৮৯৮ এবং যশোরের কেন্দ্রে ১৫০ জনের বিপরীতে ৩৫৬ বন্দীর তথ্য জানান কর্মকর্তারা। অবশ্য কোনাবাড়ীর বালিকা কেন্দ্রে ২২ শয্যা ফাঁকা ছিল। এখানকার পরিবেশও তুলনামূলক ভালো।
কেন্দ্রের দায়িত্বশীলেরা জানান, স্থান সংকটে চারজনের কক্ষে ৮-৯ বন্দী রাখা হচ্ছে। এতে শিশুরা পর্যাপ্ত ঘুম, পড়াশোনাসহ অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অধিক বন্দী এবং স্বল্প বরাদ্দের কারণে কার্যক্রম পরিচালনা করতেও হিমশিম খেতে হয় তাদের।
টঙ্গী বালক কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক এমরান খান বলেন, ‘এখানে ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ বন্দী থাকে। সংকট কাটাতে স্টাফদের ভবনে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবুও সংকট কাটেনি।’ যশোর কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক মঞ্জুরুল হাছান স্ট্রিমকে বলেন, ‘১৫০ জনের জায়গায় তিন শতাধিক বন্দী থাকে। জনবল সংকটে কার্যক্রম চালাতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে। শিশু-কিশোরদেরও ক্ষতি হচ্ছে।’
গত ২৪ সেপ্টেম্বর সরেজমিন গাজীপুর কোনাবাড়ি কেন্দ্রে এক শিশুকে কান্নারত পাওয়া যায়। তার গাল গড়িয়ে পানি পড়ছে। মুছে দিচ্ছেন বাবা। চেহারায় ফোলাভাব, চোখের কোনে লালচে দাগ। শার্টের বুক পকেটে লেখা, ‘শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক)’।
ছেলের কান্নায় সোলাইমান আকন্দের চোখেও পানি। শেরপুর থেকে কেন্দ্রে এসেছেন। ছেলেকে সান্ত্বনা দিয়ে ফেরার সময় সোলাইমান স্ট্রিমকে জানান, তাঁর ছেলে নির্দোষ। পড়শীরা মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে গাজীপুরের কেন্দ্রে রয়েছে। কোনো উন্নতি নেই। উল্টো নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘এখানে কোনো চিকিৎসা নেই। জ্বর হলেও ওষুধ দেয় না। যন্ত্রণার কথা যখন বলে, সহ্য করতে পারি না। যেভাবেই হোক ছেলেকে এখান থেকে বের করতে চাই।’
টঙ্গী কেন্দ্র থেকে সম্প্রতি রাজধানীর বনশ্রীর বাসায় ফেরা এক কিশোর ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। কিশোরের বাবা মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘ছেলের শারীরিক গঠন বেশ ভালো। কেন্দ্র থেকে বের হলে খুবই অস্বাভাবিক লাগছিল, চেনাই যাচ্ছিল না।’
বাবার পাশে বসা ওই কিশোরের ভাষ্য, কেন্দ্রের বড় সমস্যা পানি ও শৌচাগার। টয়লেটের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে থাকা লাগে। এ নিয়ে প্রায় সংঘর্ষ হয়।
কেন্দ্রের পরিচালক এমরান খান স্বীকার করেন, পাঁচ তলা ভবনের সব তলায় দুটি করে টয়লেট ও গোসলখানা রয়েছে। বন্দীর হিসাবে একটি টয়লেট ৪০ জন ব্যবহার করছে। এজন্য লাইন ধরা নিয়ে মাঝেমধ্যে সংঘর্ষ হয়।
চারবেলা খাবারে বরাদ্দ ১০৩ টাকা
কেন্দ্রগুলোতে বন্দীপ্রতি মাসিক খাবারের বরাদ্দ ৪ হাজার টাকা। এরমধ্যে ৯০০ টাকা রান্নার জ্বালানি খরচ। বাকি টাকা সকাল-বিকেলের নাশতা এবং দুপুর ও রাতের খাবারের জন্য। হিসাবে দেখা যায়, চারবেলা খাবারের জন্য বরাদ্দ মাত্র ১০৩ টাকা ৩৩ পয়সা।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, কৈশোরে প্রতিদিনের খাবারে অন্তত হাজার ২২০০ ক্যালরি থাকা জরুরি। স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য খাবারে শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও ফ্যাটি অ্যাসিড নিশ্চিত করতে হয়। কেন্দ্রগুলোর এই বরাদ্দে বর্তমান বাজারদরে পুষ্টিসম্মত দূরে থাক, পরিমিত খাবার দেওয়া সম্ভব নয়।
কেন্দ্রে বন্দীপ্রতি আনুষঙ্গিক সামগ্রীর জন্য ১ হাজার টাকা বরাদ্দও রয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষা ও খেলাধুলার সামগ্রীর জন্য ২০০, প্রশিক্ষণসামগ্রী ২৫০, পোশাকে ৩০০, চিকিৎসায় ১০০ ও সাবান-তেলে বরাদ্দ ১৫০ টাকা।
অভিভাবক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্র যে খাবার দেয়, তা আমার ছেলে খেতে পারত না। কয়েক দিনেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে নিজে খাবারের জোগান দিয়েছি।’
মাসখানেক আগে যশোরের কেন্দ্র থেকে মুক্তি পাওয়া এক কিশোর স্ট্রিমকে বলে, ‘কেন্দ্রের খাবারে পেট ভরে না। একটা সময় না খেতে খেতে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল।’
অর্ধেক পদ খালি, নেই কোনো চিকিৎসক
তিন কেন্দ্রে পদ ১৪৮। বর্তমানে কর্মরত মাত্র ৬৭ জন। সবচেয়ে করুণ দশা টঙ্গী কেন্দ্রের। এখানে ৬৮ পদের বিপরীতে আছেন মাত্র ১৯ জন। যশোরে ৪৯ জনের জায়গায় ২৪ এবং কোনাবাড়ি কেন্দ্রে ৩১ পদের বিপরীতে ২৪ জন কর্মরত।
চিকিৎসাও বেহাল। কেন্দ্রগুলোতে নার্স থাকলেও কোনো চিকিৎসক নেই। ফলে সর্দি-জ্বরের জন্যও বন্দীদের কেন্দ্রের বাইরে নিতে হয়। টঙ্গী কেন্দ্রের অপেক্ষাগারে কথা হয় বন্দী এক শিশুর বাবা মোহাম্মদ হারুণের সঙ্গে। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘ছেলেটারে ঠিকমতো খেতে দেয় না। কিছুদিন আগে জ্বর হলেও চিকিৎসা পায়নি। নিজে এসে ওষুধ কিনে দিয়েছি। শরীরের খোস-পাঁচড়া দেখা দিয়েছে। বাইরে থেকে ওষুধ কিনে দিচ্ছি।’
যশোর কেন্দ্র থেকে মুক্তি পাওয়া এক কিশোর বলে, ‘কেন্দ্রের পানি ভালো না। প্রায় সবার শরীরে খোস-পাঁচড়া আছে। এখানে শুধু গুরুতর আহত হলে চিকিৎসা মেলে। অন্য রোগে কিছুই পাওয়া যায় না।’
টঙ্গী কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক এমরান খান বলেন, ‘লোকবল কম থাকায় আমাদের বাড়তি দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। এতে পরিপূর্ণ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’
কোনাবাড়ী কেন্দ্রে কিশোরীদের যৌন হয়রানি, হুমকি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তাসনিম ফেরদৌসী স্ট্রিমকে বলেন, ‘এখানে আগে যৌন হয়রানির নানা অভিযোগ ছিল। এখন তেমন কিছু নেই। আমরা সবসময় ভালো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
আবেদন নতুন তিন কেন্দ্রের, অগ্রগতি ‘শূন্য’
সংকট নিরসনে কিশোরগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও জয়পুরহাটে নতুন শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র তৈরির প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। তবে এখন পর্যন্ত নতুন কেন্দ্রের বিষয়ে তেমন অগ্রগতি নেই।
যশোর কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক (সহকারী পরিচালক) মঞ্জুরুল হাছান স্ট্রিমকে বলেন, ‘বন্দী বেশি হওয়ায় সবাইকে পরিপূর্ণ সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। নতুন কেন্দ্রগুলো তৈরি হলে, চাপ কমতো। শিশুরাও ভালো সেবা পেত।’
সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সাদিকুল হক বলেন, ‘প্রকল্প তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বৈঠকও হয়েছে। অনুমোদন পেলে কাজ শুরু হবে।’
নির্যাতন ও মৃত্যু রোধে আইন কার্যকরের তাগিদ
২০১৩ সালের শিশু আইনে পরিচালিত কেন্দ্রগুলোর মূল উদ্দেশ্য– ভালো পরিবেশ ও সংশোধনের মাধ্যমে অপরাধে জড়িয়ে পড়া শিশু-কিশোরদের সামাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা। তবে বাস্তবে তাদের কারাগারের মতোই রাখা হয়। ফলে কেন্দ্রে সংঘর্ষ, পলায়ন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে নির্যাতন, মৃত্যু, এমনকি আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে।
কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা জানান, গত এক দশকে যশোর কেন্দ্রে ছোট-বড় আটবার সংঘর্ষ হয়েছে। এখানে মারা গেছে ৭ কিশোর। আর আত্মহত্যা করেছে চারজন।
২০২০ সালে যশোর কেন্দ্রে তিন শিশু একসঙ্গে মারা যায়। কেন্দ্রের কর্মীদের মারধরে তাদের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। আগেও একবার কেন্দ্রের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ১৫ কিশোর কাচ দিয়ে শরীর কেটে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। এছাড়া বাথরুমের জানালা ভেঙে এবং দেয়াল টপকে এই কেন্দ্র থেকে ৮ কিশোর পালিয়েছিল।
২০২১ সালে টঙ্গী কেন্দ্রে এক কিশোর খুন হয়। বন্দীদের মধ্যে সংঘর্ষে তার মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছিল কর্তৃপক্ষ। একই বছরের জানুয়ারিতে রিয়াজুদ্দিন নামে কেন্দ্রে এক ভারতীয় কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট কেন্দ্রে আরেক কিশোর মারা যায়। অভিযোগ উঠেছিল, চিকিৎসার অভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল। এর পরের বছর কেন্দ্রে মারুফ আহমেদ নামে এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরিবারের অভিযোগ ছিল, কর্মীদের নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছিল। এখানেও একাধিক কিশোরের পালিয়ে যাওয়ার রেকর্ড রয়েছে।
অভিভাবক সোলাইমান আকন্দ স্ট্রিমকে বলেন, ‘টঙ্গীতে ছেলেকে দেখতে এলেই নানা ঘটনা শুনি। এবার এসে দেখি মুখ ফোলা। জিজ্ঞেস করলে জানায়– অন্য বন্দীরা তাকে মেরেছে।’
কেন্দ্রগুলোতে ‘বড় ভাই’ সংস্কৃতির তথ্যও পেয়েছে স্ট্রিম। চার মাস যশোর কেন্দ্রে বন্দী থেকে বের হওয়া এক কিশোর জানায়, একটু বেশি বয়সীদের মধ্য থেকে হাউস ক্যাপ্টেন ঠিক করা হয়। ‘বড় ভাই’ নামে পরিচিত ক্যাপ্টেন পছন্দের শিশু-কিশোর নিয়ে দল গঠন করে। নেতৃত্ব নিয়ে গ্রুপ এবং উপ-গ্রুপ তৈরি হয়। ফ্লোর ও রুমে ভেদে তারা রাজত্ব করে। গ্রুপের প্রধানেরা যা বলে, তা করতে হয়। না হলে নির্যাতন করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান স্ট্রিমকে বলেন, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রকে ‘শিশু কারাগার’ বানানো গ্রহণযোগ্য নয়। শিশু অপরাধে অভিযুক্ত বা দোষী হলেও, তার মর্যাদা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পুনর্বাসনের অধিকার অক্ষুণ্ন থাকে এবং রাষ্ট্রকেই তা নিশ্চিত করতে হবে।
কোনো উন্নয়ন কেন্দ্রে নির্যাতন বা যেকোনো অভিযোগ পেলে, তারা তাৎক্ষণিক বা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেন। শিশু-কিশোরদের ওপর নির্যাতন অধিদপ্তর বরদাশত করে না।রাশেদুল কবীর, উপপরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর
তিনি বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে কার্যকর ও স্বাধীন মনিটরিং ব্যবস্থা, আকস্মিক পরিদর্শন, শিশুদের সঙ্গে গোপনে কথা বলার ব্যবস্থা, সহজ ও নিরাপদ অভিযোগ ব্যবস্থা, খাবার-পুষ্টি ও চিকিৎসার নির্দিষ্ট মান এবং নির্যাতনের অভিযোগে দ্রুত স্বাধীন তদন্ত করা দরকার। তাহলে যে উদ্দেশে কেন্দ্রগুলো প্রতিষ্ঠা, তার বাস্তবায়ন হবে।
ইশরাত হাসান আরও বলেন, নির্যাতনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রয়োজনে ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে হবে। হেফাজত বা পরিচর্যায় থাকা শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন বা অবহেলার মাধ্যমে অহেতুক দুর্ভোগ বা নির্দিষ্ট ধরনের শারীরিক/মানসিক ক্ষতি ঘটালে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের যে বিধান রয়েছে, তা কার্যকর করলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
(প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন যশোর সংবাদদাতা)