সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিক স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে এ সীমানার মধ্যে থাকা বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। মঙ্গলবার এমন নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ১৮ সেপ্টেম্বর ‘অবৈধ হাসপাতালের ছড়াছড়ি’ শিরোনামে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতায় প্রধান প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এই প্রতিবেদনে সারা দেশের সরকারি হাসপাতালের গা ঘেঁষে গড়ে ওঠা অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকে মানহীন স্বাস্থ্যসেবা ও নানা অসঙ্গতির কথা তুলে ধরা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন করে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না। বর্তমানে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমও নিয়মিত তদারকি করা হবে। মানসম্মত সেবা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের অনুমোদন বাতিল করা হবে।
একই দিনে এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। এই সীমার মধ্যে থাকা বিদ্যমান কোনো বেসরকারি হাসপাতালে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না বলে জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নবিষয়ক সভার কার্যবিবরণীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো ওই কার্যবিবরণীর আলোকে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।