Image description

শুধু জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নয়, বরং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি ও বৈষম্যের মতো সূচককে গুরুত্ব দিয়ে প্রকৃত উন্নয়ন পরিমাপ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রেহমান সোবহান।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘সৈয়দ হুমায়ুন কবির স্মারক গবেষণা সিম্পোজিয়াম ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাঙলার পাঠশালা ফাউন্ডেশন ও সাজেদা ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে ‘ন্যায্যতা, সক্ষমতা ও জীবনকল্যাণ: ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশের জন্য মানব উন্নয়নকে নতুন করে ভাবা’ প্রতিপাদ্যে দিনব্যাপী এ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়।

রেহমান সোবহান বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন শুধু মানুষের আয় বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ ও সামগ্রিক সক্ষমতা বাড়ানোও উন্নয়নের অংশ। সাজেদা ফাউন্ডেশনের মডেলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, করপোরেট মুনাফার অংশ স্থায়ীভাবে জনকল্যাণে বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব।

 

রেহমান সোবহান বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন শুধু মানুষের আয় বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ ও সামগ্রিক সক্ষমতা বাড়ানোও উন্নয়নের অংশ। সাজেদা ফাউন্ডেশনের মডেলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, করপোরেট মুনাফার অংশ স্থায়ীভাবে জনকল্যাণে বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব।

 

সিম্পোজিয়ামে মূল প্রবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক কৌশিক বসু বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি পরিমাপে জিডিপিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ‘সক্ষমতা পদ্ধতি’র প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আয় দিয়ে নয়; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির সুযোগ নিয়ে মানুষ কী ধরনের জীবনযাপন করতে পারছে, সেটিই উন্নয়নের মানদণ্ড হওয়া উচিত।

উদ্বোধনী অধিবেশনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও কার্যকর কাঠামো একটি প্রতিষ্ঠানকে টেকসই করে। দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল করা কঠিন হলেও তা নিয়ন্ত্রণে নাগরিক সমাজের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বাঙলার পাঠশালা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ জাভেদ চৌধুরী, সাজেদা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফারুক সোবহান ও সমাজবিজ্ঞানী ড. সাজেদা আমিনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।