Image description

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ১ হাজার ৫১৯টি। অধিদপ্তর বলছে, ২০২৪ সাল থেকে ১ হাজার ৩৩৩টি অনুদান পাচ্ছে। আর সম্প্রতি হওয়া মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ১ হাজার ২৫৮টি। ফলে ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের  অনুদানের টাকা কার পকেটে? এদিকে ৩২ বছরে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া ২৬১টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে পারছে না অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।

মাদ্রাসা অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের শুরু থেকে থেকে ১ হাজার ৩৩৩টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকরা ৩ হাজার ৫০০ টাকা, সহকারী শিক্ষকরা ৩ হাজার ৩০০টাকা পাচ্ছেন। তারা ২০১৮ সালের নীতিমালা অনুযায়ী এ টাকা পাচ্ছেন। ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২৫ সালের মে মাস পর্যন্ত মোট ১৭ মাস অনুদান পান শিক্ষকরা। 

তবে ১ হাজার ৩৩৩ সংখ্যায় মন্ত্রণালয়ের সন্দেহ হলে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে অধিদপ্তর পরিচালক পর্যায়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি যাচাই-বাছাই করে ১২৫৮টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা খোঁজে পায়। তদন্ত রিপোর্টটি অধিদপ্তর এখনো প্রকাশ করেনি বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত মোট ১৭ মাস মাঠ পর্যায়ে না থাকা ৭৫টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা খোঁজে পায়নি তদন্ত কমিটি। এই ৭৫ প্রতিষ্ঠানের ৭৫ জন প্রধান শিক্ষক ও ৩০০ জন সহকারী শিক্ষকের নামে অনুদানের টাকা দেওয়া হয়েছে অধিদপ্তর থেকে।

ফলে ৭৫ জন প্রধান শিক্ষক ৩ হাজার ৫০০ করে প্রতিমাসে অনুদান পান ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা। মোট ১৭ মাসে ৪৪ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা পান তারা। ৭৫ প্রতিষ্ঠানের ৩০০ জন সহকারী শিক্ষক প্রতিমাসে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করে মোট ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা পেয়েছেন। মোট ১৭ মাসে তারা পেয়েছেন ৪২ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা। সব মিলিয়ে ১৭ মাসে তালিকায় না থাকা ৩৭৫ জন শিক্ষকের অনুদানের ৮৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা কার পকেটে? এ অনুদানের টাকা কার পকেটে গেছে বা কারা পেয়েছেন এসব তথ্য জানা যায়নি।

সূত্র জানায়, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ১৯৯৪ সাল থেকে ১৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে প্রথম অনুদান দেওয়া শুরু করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ১৯৯৪ সালের তালিকায় থাকা ১৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সব শিক্ষক (প্রধান ও সহকারী শিক্ষক) ৫০০ টাকা অনুদান, ২০১৩ সালে ১ হাজার ও মহার্ঘ ভাতা ২০০ টাকা, ২০১৭ সালে প্রধান শিক্ষক ২ হাজার ৫০০ টাকা, সহকারী শিক্ষক ২ হাজার ৩০০ টাকা পাচ্ছেন। তবে ২৪ সালের শুরু থেকে প্রধান শিক্ষক ৩৫০০ ও সহকারী শিক্ষক ৩৩০০ টাকা পাচ্ছেন। আর সবশেষ অনুদান প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সন্দেহ হওয়ায় চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত অনুদান পান শিক্ষকরা। জুন থেকে তাদের অনুদান বন্ধ রয়েছে। সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করে তারপর পুনরায় অনুদান চালু হতে পারে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ১৯৯৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার কথা মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে থাকলেও সম্প্রতি হওয়া তদন্তে ১২৫৮টি পাওয়া যায়। ফলে ৩২ বছরে হারিয়ে হাওয়া ২৬১টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে পারছে না অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।

জানা গেছে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী ১৯৯৪ সাল থেকে ১৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে প্রথম অনুদান দেওয়া শুরু করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ২০২৪ সাল থেকে  ১ হাজার ৩৩৩টি মাদ্রাসাকে অনুদান দিলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করে অনুদান শুরু হবে। তবে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের এই সংস্থাটি জানায়, কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান দাখিলে সংযুক্ত হয়েছে। আবার কোনোটিতে শিক্ষক সংকট, নদী ভাঙ্গনসহ নানা কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যায়। তবে কতগুলো প্রতিষ্ঠান দাখিলে উন্নীত হয়েছে তার নির্দিষ্ট তালিকা দিতে পারেনি অধিদপ্তর। তবে তাদের দাবি ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো অনুদানের টাকা পেয়েছে। বাকি থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুদানের টাকা কেউ পাচ্ছেন না বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড জানায়, মাদ্রাসাগুলো দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। তুলনামূলক কোনো উন্নয়ন বা মাদ্রাসা শিক্ষাকে বাস্তব ও যুগোপযোগী করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ ছাড়াও নিয়ম অনুযায়ী দুই-তিন বছর পর পর প্রতিষ্ঠান নবায়ন করতে হয়। কিন্তু অনেক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার কার্যক্রম বিগত দিনে না থাকায়, তাদের আইডি-পাসওয়ার্ডও হয়তো বাতিল বা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। ফলে ১৫১৯টি মাদ্রাসার তালিকা থেকে হয়তো এসব প্রতিষ্ঠান বাদ পড়ে যায়।

দীর্ঘদিন অবহেলা ও পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তার অভাবে দেশের অনেক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা নিষ্ক্রিয় বা বিলীন হয়ে গেছে। আর্থিক সংকট, শিক্ষক সংকট, নদীভাঙন, পৃষ্ঠপোষকতার অভাব এবং কিছু প্রতিষ্ঠান দাখিল পর্যায়ে উন্নীত হওয়ায় অনেক মাদ্রাসা আগের অবস্থায় নেই। এমনকি কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে এক-দুজন শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের দেওয়া অল্প বেতনে বর্তমান সময়ে সংসার চালানো কঠিন। ফলে অনেক শিক্ষক অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন এবং এতে প্রতিষ্ঠানগুলোও ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে। স্থানীয় পৃষ্ঠপোষকতা থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনোভাবে টিকে থাকলেও অনেক এলাকায় এ ধরনের সহযোগিতার অভাবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

অনুদান পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর যথাযথ দেখভাল না করা হলে ভবিষ্যতে নিষ্ক্রিয় মাদ্রাসার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিক, মানসম্মত, বিজ্ঞানভিত্তিক ও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সক্ষম করতে মাদ্রাসার পাঠ্যক্রমেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে।

‘২০২৬ সালের চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত ১ হাজার ৩৩৩টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের শুরু থেকে তারা এ পরিমাণ টাকার অনুদান পাচ্ছেন। তালিকার বাহিরে কাউকে অনুদান দেওয়ার সুযোগ নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান দাখিলে উন্নীত হয়েছে, এ ছাড়াও নানা কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খোঁজ মেলেনি।’-ইবাদাৎ হোসেন, সহকারী পরিচালক, মাদ্রাসা অধিদপ্তর

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৮ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ১৫১৯টি অনুদানভুক্ত ইবতেদায়ী মাদ্রাসার তালিকা প্রকাশ করা হয়। ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রম জাতীয়করণের দাবিতে একই বছরের ১২ অক্টোবর থেকে টানা ৩০দিন আন্দোলন করে ইবতেদায়ি শিক্ষক ঐক্যজোট। পরে ১০ নভেম্বর ১ হাজার ৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির অনুমোদন করে অর্ন্তর্বতী সরকার। পরে ১২ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের অনুমোদন সংক্রান্ত আদেশ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসার শিক্ষা বিভাগ। 

এদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী অনুদান পেতে থাকেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা। ২০১৮ সালের নীতিমালা অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ৩ হাজার ৫০০ টাকা, আর সহকারী শিক্ষকরা ৩ হাজার ৩০০ টাকা। এ নীতিমালায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রধানসহ মোট ৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। বর্তমানে অনুদানপ্রাপ্ত ১ হাজার ৩৩৩টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক রয়েছেন ৪ হাজার ৭১১ জন। ২০২৫ সালের নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় ১ জন প্রধান শিক্ষক ও ৪ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। 

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (দাখিল ও এবতেদায়ী শাখা) ইবাদাৎ হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘২০২৬ সালের চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত ১ হাজার ৩৩৩টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের শুরু থেকে তারা এ পরিমাণ টাকার অনুদান পাচ্ছেন। তালিকার বাহিরে কাউকে অনুদান দেওয়ার সুযোগ নেই।’

কার্যক্রম না থাকা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনেক প্রতিষ্ঠান দাখিলে উন্নীত হয়েছে, এ ছাড়াও নানা কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খোঁজ মেলেনি।’

মাদ্রাসাগুলো দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। এখানে সেভাবে কোনো উন্নয়ন বা মাদ্রাসা শিক্ষাকে বাস্তব ও যুগোপযোগী করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান দুই-তিন বছর পর পর নবায়ন করতে হয়। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান নবায়ন করেনি। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মাদ্রাসা শিক্ষা পরিদর্শক মো. নূরুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ১৯৯১ সালের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার তালিকা অধিদপ্তরকে দেওয়া হয়েছিল। আমরা তালিকা পাঠায়, তারা যাচাই-বাছাই করে অনুদান দিয়ে থাকে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে বাস্তব ও যুগোপযোগী না করা, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো ব্যক্তি কেন্দ্রীক পরিচালিত হওয়ার কারণে নানা সময়ে আর্থিক সংকটে বন্ধ হয়ে যায়। সেসময় বোর্ড থেকে ১৫১৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার তালিকা দেওয়া হয়েছিল। মাদ্রাসাগুলো দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিল। এখানে সেভাবে কোনো উন্নয়ন বা মাদ্রাসা শিক্ষাকে বাস্তব ও যুগোপযোগী করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান দুই-তিন বছর পর পর নবায়ন করতে হয়। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠান নবায়ন করেনি। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, নতুন করে জাতীয় সংসদে আলোচনা হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আবার অনেকে তৎপর হয়েছেন। আমার মনে হয়, যেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বিগত দিনে ছিল না, তাদের আইডি-পাসওয়ার্ডও হয়তো বাতিল বা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। এখন আবার যখন শুনছে যে জাতীয়করণ হতে পারে বা সরকার তাদের বিষয়ে কথা বলছে, তখন তারা পুরোনো ফাইল নড়াচড়া করে আইডি-পাসওয়ার্ড নেওয়ার জন্য তৎপর হচ্ছেন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং অধিদপ্তরের তালিকায় যেসব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা সচল আছে, তাদের আইডি-পাসওয়ার্ড দেওয়া হচ্ছে। বাকিগুলোর না থাকার কারণে তারা অনুদান পাচ্ছে না।’

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোটের সদস্য সচিব মো. তাজুল ইসলাম ফরাজী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ১৯৯৪ সালের তালিকা অনুযায়ী স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা অনুদান পাচ্ছেন। ১৩৩৩টি প্রতিষ্ঠানের কথা জানালে তিনি বলেন, ১৫১৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তবে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো একজন শিক্ষক মারা যাওয়ায়, বাকিদের অনুদান বন্ধ রয়েছে। কারণ সবার একসঙ্গে টাকা তুলতে হয়।’