Image description

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মীর কাসেম আলীর অবদানের কথা স্মরণ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। 

দশম শাহাদাত বার্ষিকীকে সামনে রেখে বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন, মীর কাসেম আলী আজীবন বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ইসলামী জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। ইসলামী ব্যাংক-বীমা, বহু মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নানাবিধ ইসলামী ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। বিশেষত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তার উদ্যোগ ছিল যুগান্তকারী, যার সুফল আজও মানুষ পাচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ এজন্য কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁর অবদান স্মরণ রাখবে।

বিজ্ঞাপন

ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে এবং মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। ফ্যাসিবাদী সরকার তার বিরুদ্ধে আনা কোনো অভিযোগই ক্যাঙ্গারু আদালতে প্রমাণ করতে পারেনি। যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। কিন্তু তারপরও সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তাকে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা অনুযায়ী ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

জামায়াত আমির বলেন, তিনি দাঈ ইলাল্লাহ হিসেবে বাংলাদেশের জমিনে যে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সূচনা করেছিলেন, তা ইনশাআল্লাহ সুদীর্ঘকাল অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের এই নিবেদিত দায়িত্বশীল তার কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আমরা মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করি, তিনি যেন মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল করেন এবং তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।

 

তিনি বলেন, মীর কাসেম আলীর রেখে যাওয়া কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।