Image description

আগামী পাঁচ বছরে দেশে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির আশা দেখালেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এই কর্মসংস্থান হবে পিকেএসএফসহ আরও ২২টি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে।

আজ শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সন্মেলন কক্ষে সবগুলো ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ফাউন্ডেশনগুলোকে চাপ দিইনি। তারাই তাদের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছে।’

তার ভাষ্য, ফাউন্ডেশনগুলো পাঁচটি ক্লাস্টারভিত্তিক কাজ করবে। এগুলো হলো-এক গ্রাম এক পণ্য কর্মসূচি বাস্তবায়নে তারা কাজ করবে। এখানে রপ্তানি বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এটি করতে গিয়ে ফাউন্ডেশনগুলোকে যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন দেওয়া হবে। এ ছাড়া আরও চারটি ক্লাস্টারে কাজ করবে ফাউন্ডেশনগুলো।’

বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বর্তমান বিদ্যুতের যারা গ্রাহক তাদের উৎপাদকের কাতারে নিয়ে আসা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে সৌর বিদুৎ তৈরিতে গ্রাহকরা ২০ শতাংশ খরচ বহন করবে। বাকিটা ইডকলসহ অন্যান্য সংস্থা থেকে মেটানো হবে, যোগ করেন অর্থ উপদেষ্টা।

 

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বড় সংস্কার দরকার। সেখানে ফাউন্ডেশনগুলো কিভাবে ভূমিকা রাখতে সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সার্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তায় ফাউন্ডেশনগুলো কিভাবে কাজ করবে সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে দেশের প্রতিজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া যাকাত সামাজিক নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখতে পারবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করবে ফাউন্ডেশনগুলো।’

তিনি আরো বলেন, ‘অতীতের সরকার টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলেনি। তারা আমদানি নির্ভর ও আত্মীয়-স্বজন তোষণের ব্যবস্থা নিয়েছিল। আমরা সেখানে টেকসই জ্বালানির নিশ্চয়তা করতে চাচ্ছি। নিয়োগ বাড়াতে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা। আমাদের সব লক্ষই বাস্তবসম্মত।’

আমরা কোনো সত্যই কার্পেটের নিচে ঢেকে রাখতে চাই না। বিবিএসকে ফরেনসিক করা হচ্ছে। বিবিএসকে শক্তিশালী ও স্বাধীন করা হবে বলে মন্তব্য করলেন তিনি।

ব্রিফিং এ পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আকতাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।