Image description

ছয় মাস আগে দায়িত্ব নেয় নতুন সরকার। পথচলা শুরু হয় একগুচ্ছ প্রত্যাশা নিয়ে। প্রথম ১৮০ দিনে তৈরি হয়েছে সাফল্যের নানা চিত্র। একই সঙ্গে সামনে এসেছে কঠিন কিছু চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রকাশ করেছে সরকারের প্রথম ছয় মাসের খাতভিত্তিক একটি হিসাব।

ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য। এতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা, পররাষ্ট্র, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, খাদ্য, সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান ও পরিবেশকে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম ছয় মাসের বড় অর্জনের মধ্যে রয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার উদ্যোগ, ৩৬ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ ও আর্থিক খাতে সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জঙ্গল সলিমপুরে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা, ভারসাম্যের পররাষ্ট্রনীতি ও ২০টির বেশি চুক্তি-সমঝোতা, শিক্ষা বাজেটে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, ১ লাখ হেলথকেয়ারার ও ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ, ২৪ লাখ টনের বেশি খাদ্য মজুদ এবং ১৪ লাখের বেশি কৃষকের ঋণমুক্তি, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বৃহৎ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, পাঁচ বছরে ৯৩ লাখ ২৭ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য এবং ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কর্মসূচি। সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ডের এ চিত্রে একদিকে তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলা, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্র সংস্কারের পরিকল্পনা— দুদিকই গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে অর্জনের পাশাপাশি স্পষ্ট হয়েছে বেশ কিছু সংকটও। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব পড়ে জ্বালানি, এলএনজি, সার ও পরিবহন খাত আর মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে। জ্বালানিসংকট নতুন করে পরিস্থিতি কঠিন করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। বেড়েছে লোডশেডিং। ভোগান্তিতে নগর ও গ্রামের মানুষ। শিল্পকারখানায়ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। সবমিলিয়ে অর্থনীতিতে পুরোপুরি ফেরেনি স্বস্তি। রয়ে গেছে ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, রাজস্ব আদায়ে চাপ এবং বিনিয়োগের অনিশ্চয়তাও।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ। চলছে বিশেষ অভিযান। গ্রেপ্তারও হয়েছে বিপুলসংখ্যক। কিন্তু খুন, ছিনতাই, ডাকাতিসহ নানা অপরাধের ঘটনায় মানুষের মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তাহীনতা। ফলে অর্থনীতি, জ্বালানি-বিদ্যুৎ ও আইনশৃঙ্খলা— এই তিন খাত সরকারের সামনে হয়ে দাঁড়িয়েছে বড় পরীক্ষা।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই দিনে শপথ নেন ২৫ পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ৫০ জনে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনটি বিষয়ে জোর দেয় সরকার। সেগুলো হলো প্রশাসন সচল করা, অর্থনীতি স্থিতিশীল আর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন।

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিবেদনে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থনীতিকে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। আগের বছরের ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার তুলনায় এটি প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি। সরকারের লক্ষ্য ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। মূল্যস্ফীতি নামিয়ে আনার লক্ষ্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

অর্থনীতি ঘুরে দাঁড় করাতে নেওয়া হয়েছে ‘থ্রি আর’ কৌশল। ব্যবসা শুরুর সময় এক বছর থেকে কমিয়ে ১৪ দিনে আনার উদ্যোগ রয়েছে। ব্যাংক পুনর্মূলধনীকরণ এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের কথাও বলা হয়েছে। পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে তুলে দেওয়া হয়েছে কৃত্রিম ফ্লোর প্রাইস। কৃষি ও সবুজ শিল্পে অর্থায়নের জন্য নেওয়া হয়েছে ১৯ হাজার কোটি টাকার কর্মসূচি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। আলোচিত মামলার দ্রুত বিচার এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে নেওয়া হয়েছে উদ্যোগ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত অভিযানগুলোর একটি ছিল চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে। সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও এপিবিএনের কয়েক হাজার সদস্য অংশ নেন এতে। হেলিকপ্টার, ড্রোন ও সাঁজোয়া যানও ব্যবহার হয় ওই অভিযানে। সরকারের দাবি, এর মাধ্যমে ওই এলাকায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়েছে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব।

সীমান্তে ‘পুশইন’ ঠেকাতেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কারাগার ও আটককেন্দ্রে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ‘ন্যাশনাল প্রিভেন্টিভ মেকানিজম’ বিভাগ গঠনের উদ্যোগ রয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপের পরও মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফেরেনি পুরোপুরি। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ তাই হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ।

ভারসাম্যের নতুন কূটনীতি: পররাষ্ট্রনীতিতে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে আনা হয়েছে সামনে। একই সঙ্গে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’— এ অবস্থানও করা হয়েছে পুনর্ব্যক্ত। চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, মালয়েশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে চেষ্টা চলছে সম্পর্ক বাড়ানোর।

জুনে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ২০টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আলোচনায় ছিল অবকাঠামো, ডিজিটাল অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ। মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার নিয়েও অগ্রগতির কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বাজার আবার খোলার বিষয়ে এসেছে সিদ্ধান্ত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অবস্থান জোরদারের দাবি করা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

শিক্ষায় বেড়েছে বরাদ্দ: শিক্ষা খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের বছরের ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকার তুলনায় বরাদ্দ বেড়েছে ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ। শিক্ষাকে কর্মমুখী করার ওপর দেওয়া হয়েছে জোর। পরিকল্পনা রয়েছে শিল্পের সঙ্গে উচ্চশিক্ষার সংযোগ বাড়ানোর। ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, গবেষণা ও উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এআই, সাইবার নিরাপত্তা ও প্রোগ্রামিংও অগ্রাধিকার পাচ্ছে। দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ৬০০টি সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। শুরু হয়েছে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচির কাজও।

এক লাখ হেলথকেয়ারার: প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এক লাখ হেলথকেয়ারার (স্বাস্থ্যসেবক) নিয়োগের। তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ হবেন নারী। এ ছাড়া শুরু হয়েছে পাঁচ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম। নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট ও মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগও রয়েছে। ভবিষ্যতে হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।

খাদ্য মজুদ ২৪ লাখ টনের বেশি: খাদ্যনিরাপত্তায় সরকারের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে ২৪ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুদের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে চাল প্রায় ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৭৪৬ এবং গম প্রায় ২ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮৯ টন। গত ২৮ জুন পর্যন্ত বোরো সংগ্রহ অভিযানে ২ লাখ ৭১ হাজার ৩১২ টন ধান ও ৭ লাখ ৯৮ হাজার ৯১২ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে সুদসহ। এতে ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮২ জন কৃষক ঋণমুক্ত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিকল্পনা রয়েছে প্রায় ৪৩ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার।

ফ্যামিলি কার্ড: নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর। পাইলট কর্মসূচিতে ১ লাখ ২১ হাজার ১৩২টি পরিবার আওতায় এসেছে জরিপের। কার্ড পেয়েছে ৬৭ হাজার ২৭৮টি পরিবার। অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে পরিবারের নারীপ্রধানকে। প্রথম বছরে ৪১ লাখ নারীকে কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

কর্মসংস্থান: কর্মসংস্থানকে সরকারের অন্যতম বড় অগ্রাধিকার হিসেবে দেখানো হয়েছে। ২০২৬-৩১ সাল পর্যন্ত দেশ ও বিদেশে মিলিয়ে ৯৩ লাখ ২৭ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষি, শিল্প, সেবা ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানকে প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ।

পরিবেশ ও অবকাঠামো: পরিবেশ রক্ষায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ হয়েছে। এ বছর ৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি চারা লাগানোর লক্ষ্যের বিপরীতে ১৮০ দিনে লাগানো হয়েছে ২ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার চারা। বার্ষিক লক্ষ্যের ৪৩ দশমিক ২৫ শতাংশ অর্জিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। খাল পুনঃখননেও বড় কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ১ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ১৬৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের তথ্য দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যানজট কমাতে সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

সংসদ ও অন্যান্য উদ্যোগ: সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে জাতীয় সংসদ ৫২টি কার্যদিবস পেয়েছে। এ সময়ে ১০৫টি বিল পাস হয়েছে। এ ছাড়া নবম জাতীয় বেতন স্কেল প্রবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এলপিজি কার্ড চালু, ৬৪ জেলায় নতুন কুড়ি কর্মসূচি, ধর্মীয় প্রধানদের ভাতা এবং মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগও রয়েছে।

বড় সাফল্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ বলছেন মাহদী আমিন: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন আগামীর সময়কে বললেন, ১৮০ দিনে সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক প্রতিটি কাজ এগিয়ে নেওয়া। একই সঙ্গে এ সময়ে বাজেট করা হয়েছে জনবান্ধব। ব্যবসা-বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে নেওয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ। কর্মসংস্থান বাড়ানোসহ প্রযুক্তি ও শিক্ষায় এমন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য দেশকে স্বনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলা।

তার ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দায়িত্ব গ্রহণের পর একধরনের অনাড়ম্বর জীবন বেছে নিয়েছেন। প্রটোকল কমিয়ে, ভিআইপি সিস্টেম বাদ দিয়ে তিনি রাষ্ট্রনায়কোচিত নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য, সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারেক রহমান।