তিন বছরেরও বেশি সময় পর দেশের বাইরে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে পাকিস্তান। আর সেই জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন বাবর আজম।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৮৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন বাবর। দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ২৪ রান করে দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে। দুই ম্যাচের সিরিজে ১৯৩ রান করে সিরিজসেরাও তিনিই।
দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রভাব আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়েও পড়েছে। পাঁচ ধাপ এগিয়ে দশম স্থানে উঠেছেন বাবর। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে সেরা দশের বাইরে চলে যাওয়ার পর এবারই প্রথম আবারও শীর্ষ দশে ফিরলেন তিনি।
তবে বাবরের এই প্রত্যাবর্তন শুধু র্যাঙ্কিংয়ে নয়, আত্মবিশ্বাসেও বড় বার্তা দিচ্ছে। দীর্ঘ সময় পর দেশের বাইরে টেস্ট জয় এবং সিরিজসেরার স্বীকৃতি—সব মিলিয়ে বাবরের ব্যাটে যেন আবারও দেখা যাচ্ছে পুরোনো ছন্দ।
অন্যদিকে, একই সিরিজে আলো ছড়িয়েছেন আবদুল্লাহ শফিকও। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে অপরাজিত ১৬০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে র্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ২৫ ধাপ এগিয়েছেন তিনি। এতে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৩২তম স্থানে উঠে এসেছেন।
বল হাতে পাকিস্তানের সেরা ছিলেন সাজিদ খান। দুই ইনিংসে কার্যকর বোলিংয়ের পুরস্কার হিসেবে টেস্ট বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়ে ৩০তম স্থানে উঠেছেন এই অফ-স্পিনার।
টেস্ট ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড। বোলারদের এক নম্বরে ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহ। আর অলরাউন্ডারদের শীর্ষে আছেন রবীন্দ্র জাদেজা।