Image description

রাঙামাটিতে স্থানীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈকত রঞ্জন চৌধুরী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা আলী আকবর সুমনকে সাদাপোশাকে তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘিরে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে জেলা পরিষদ ফটকের সামনে থেকে তাদের তুলে নেওয়া হয়।

ডিবিসি নিউজের প্রতিনিধি সৈকত রঞ্জন চৌধুরী ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমনকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তবে তুলে নেওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট তথ্য না দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সাংবাদিক সৈকত রঞ্জন চৌধুরীর স্ত্রী তুষি বড়ুয়া জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে স্বামীর সঙ্গে তার ফোনে কথা হয়েছে। সৈকত তাকে জানিয়েছেন যে তিনি ভালো আছেন এবং ডিবির একটি কাজে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সাবেক ছাত্রদল নেতা সুমনকে আটকের বিষয়ে থানায় খবর নেওয়া হলেও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ প্রশাসন থেকে তাকে কেন বা কোনো মামলায় আটক করা হয়েছে তা স্পষ্ট করা হচ্ছে না।

ঘটনার বিষয়ে রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সৈকত রঞ্জন চৌধুরীকে আটক করেছে বলে তাকে জানানো হয়েছে। তাকে যথাযথ আইন মেনেই আটক করা হয়েছে, তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে তাকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে রাতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলামকে ফোন করে ও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়ে উত্তর পাওয়া যায়নি।