Image description

প্রতিটি শিশুর শিক্ষার জন্য শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে কাজ জোরদার করছে সরকার ও ইউনিসেফ। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ফাউন্ডেশনাল লার্নিং অ্যাকশন ট্র্যাকার (এফএলএটি)-এর র‍্যাপিড সার্ভে ২০২৬ পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করতে জাতীয় পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (এমওপিএমই), ইউনিসেফ বাংলাদেশ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় দেশের শিশুদের শেখার দক্ষতা বাড়ানো এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কর্মশালায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং ইউনিসেফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অংশগ্রহণকারীরা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন, বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ যাচাই করেন এবং সারা দেশে শিশুদের শেখার সক্ষমতা আরও জোরদার করতে অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করেন।

কর্মশালায় বলা হয়, শিক্ষায় শিশুদের প্রবেশাধিকার বাড়াতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিটি শিশু প্রকৃত অর্থে শিখছে কিনা, তা নিশ্চিত করা।

 

 

প্রাথমিক পর্যায়ে পড়া, গণিত এবং সামাজিক-মানসিক দক্ষতার শক্ত ভিত্তি শিশুদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন ও উন্নত সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এসব দক্ষতা দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবেও কাজ করে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি গিলিয়ান মেলসপ বলেন, প্রতিটি শিশুরই স্কুল ও জীবনে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আজকের কর্মশালা শিক্ষানীতি ও বিনিয়োগ আরও কার্যকর করতে তথ্য-প্রমাণ ব্যবহারের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এর মাধ্যমে প্রতিটি শিশুর শেখার জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি এবং তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশে সহায়তা করা সম্ভব হবে।