Image description

টাঙ্গাইলের বিন্নাফৈর উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন তোরণে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে আপত্তি জানিয়েছেন তার নাতি আজাদ খান ভাসানী। বলেছেন, এটি শুধু একটি নাম বাদ দেওয়ার ঘটনা নয়; বরং প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রতিষ্ঠাতার অবদানের প্রতি অবমাননা।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। পোস্টে আজাদ খান ভাসানী বলেন, কয়েক দিন আগেও বিন্নাফৈর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাইনবোর্ডে প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ভাসানীর নাম ছিল। বিদ্যালয়টির উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন সময়ে লেখালেখিও হয়েছে। নতুন তোরণ নির্মাণকে তিনি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে স্বাগত জানালেও সেখানে প্রতিষ্ঠাতার নাম বাদ দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন।

তিনি লেখেন, নতুন অবকাঠামো অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ। কিন্তু কাছ থেকে লক্ষ্য করে দেখলাম, বিদ্যালয়ের নামের সঙ্গে এর প্রতিষ্ঠাতা মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর নামটি বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো উন্নয়নের দৃষ্টান্ত হতে পারে না। বরং প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং প্রতিষ্ঠাতার অবদানের প্রতি চরম অবমাননা।

আজাদ খান ভাসানী আরও বলেন, উন্নয়নের অর্থ ইতিহাসকে মুছে ফেলা নয়, বরং ইতিহাসকে যথাযথ মর্যাদায় সংরক্ষণ করা। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি নতুন তোরণে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মাওলানা ভাসানীর নাম পুনঃসংযুক্ত করার দাবি জানান। তার ভাষ্য, ইতিহাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শনই হবে প্রকৃত উন্নয়নের পরিচয়।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালে টাঙ্গাইলের বিন্নাফৈর গ্রামে মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী বিন্নাফৈর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। আজাদ খান ভাসানী জানিয়েছেন, বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস নিয়ে তিনি শিগগিরই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবেন।