Image description

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা মানে রক্ত ও বৈবাহিক সূত্রে যাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আছে, সম্পর্ক অনুযায়ী তাদের খোঁজ-খবর রাখা, তাদের সঙ্গে সদাচরণ করা, বিপদ-আপদে তাদের পাশে দাঁড়ানো, সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করা। ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীদের নিন্দা করা হয়েছে।

মুমিনের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা। আল্লাহ জ্ঞানী মুমিনদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, আর আল্লাহ যে সম্পর্ক অটুট রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, যারা তা অটুট রাখে এবং তাদের রবকে ভয় করে, আর মন্দ হিসাবের আশঙ্কা করে। (সুরা রা’দ: ২১)

বিজ্ঞাপন

একটি ভিডিওতে ইসলামিক স্কলার ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন,

১. প্রথম শ্রেণির আত্মীয়: এই শ্রেণিতে রয়েছেন বাপের দিকের আত্মীয়রা, যাদের অগ্রাধিকার সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে রয়েছেন—বাবা, চাচা, দাদা, ফুফু, ভাই, বোন, সন্তান-সন্ততি এবং মা।

২. দ্বিতীয় শ্রেণির আত্মীয়: যারা রক্ত সম্পর্কের আত্মীয় কিন্তু সরাসরি সম্পদের ভাগ পান না। এর মধ্যে রয়েছেন—মামা, নানা, নানি এবং খালা। যেহেতু মায়ের রক্ত আপনার শরীরে আছে, তাই মায়ের ভাই-বোনদের সঙ্গে আপনার রক্তের সম্পর্ক বিদ্যমান।

৩. তৃতীয় শ্রেণির আত্মীয়: এই শ্রেণিতে পড়ে শ্বশুরবাড়ি বা বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে তৈরি হওয়া আত্মীয়তা। সাধারণত এদের সঙ্গে সরাসরি রক্তের সম্পর্ক থাকে না।