Image description

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর গোপন তৎপরতায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কোনো শিক্ষক জড়িত আছেন কিনা, তা অনুসন্ধানে তিন সদস্যের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামিজদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির জন্য গোপন তৎপরতায় দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক লিপ্ত রয়েছেন। উক্ত গোপন তৎপরতায় নোবিপ্রবির কোনো শিক্ষক জড়িত রয়েছেন কিনা, সে সম্পর্কিত তথ্যানুসন্ধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির প্রথম সভাও গতকাল বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টায় আহ্বায়কের দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিন এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান।

উল্লেখ্য সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তালিকায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করা হয়। যাদের বিরুদ্ধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর জন্য টেলিগ্রাম গ্রুপে গোপন তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়।