ধর্মীয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি- এমন মন্তব্য করলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বললেন, এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টি করে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক।
আজ শুক্রবার রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় তিনি একথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বললেন, বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ হাজার বছর ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। এ দেশে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। তাই ধর্মের নামে সমাজে বিভেদ সৃষ্টির সব অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে।
যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভুলে যেতে বা ভুলিয়ে দিতে চায়, তারা কখনোই বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তার মতে, একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সমাজে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। সামনে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও জুলাই আন্দোলনের গুরুত্ব খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। একইসঙ্গে ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে রুখে দিতে হবে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।