গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি মাদ্রাসায় ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগে সাত বছরের এক শিশুশিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে এনামুল মোল্যা নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে উপজেলার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঘটে।
আহত শিক্ষার্থী মো. আহম্মদ মোল্যা (৭) উপজেলার ডালিকান্দী গ্রামের বাসিন্দা এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শিশুটির বাবা শাওন মোল্যা অভিযোগ করেন, মাদ্রাসা থেকে একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ছেলেকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে প্রায় এক বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা একটি শিশুর পক্ষে করা সম্ভব নয়।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্যার পরিবারের সদস্যরা। শিক্ষকের ছোট ভাই আমিনুল মোল্যা বলেন, ‘আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। সে পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে।’
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’