Image description

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা শেষে দলটির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে এনসিপি। দলটির অভিযোগ, স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউজের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

এনসিপির দাবি, পদযাত্রা শেষে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে ফেরার পথে সার্কিট হাউসের সামনে তাদের বহরে হামলা হয়। গাড়িবহরের সামনে থাকা মিডিয়া টিমের গাড়িটিই প্রথম হামলার শিকার হয়।

 
 
 

হামলায় আহতরা হলেন- এনসিপির ভিডিওগ্রাফার ইউসুফ আহমেদ, মিডিয়া সেলের মোজো আরাফাত সানি, গাড়িচালক আসলাম হোসাইন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোশারফ এবং ভিডিও এডিটর শাহরিয়ার।

 
 

হামলার শিকার এনসিপির কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোশারফ অভিযোগ করেন, জুলাই পদযাত্রা শেষে সার্কিট হাউসে ফেরার সময় সার্কিট হাউসের ভেতরে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।

 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সমাবেশস্থল থেকে সার্কিট হাউসের দূরত্ব প্রায় ২ কিলোমিটার এবং ফেরার পথেই এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় দুটি ক্যামেরা সেটআপ, একটি ল্যাপটপ, একটি ম্যাকবুক, দুটি মোবাইল ফোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মিডিয়া টিমের ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে এনসিপি।

এ ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে এনসিপি।

এদিকে ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লেখেন, ‘হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। হামলায় সাংবাদিক ও এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এমনকি এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাস জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে নিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে।’

‘রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই হামলাকে’ রাজনৈতিক সহিংসতার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত বলেও পোস্টে দাবি করেন তিনি।

কালবেলা