রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন পেছনে ফেলে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের বিপক্ষে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মঙ্গলবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, ক্রীড়া কূটনীতির মাধ্যমেই প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার বরফ গলানো সম্ভব এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নির্ধারিত সময়েই মাঠে গড়াবে এই বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজ।
বাংলাদেশ-ভারতের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ভারত সফরটি স্থগিত করে। সম্প্রতি বিসিবির পদক্ষেপে এবং শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ না রাখার সিদ্ধান্তে সিরিজটি মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা জোরালো হয়। যদিও মিডিয়া রাইটস বিক্রয় প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করায় কিছুটা ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছিল, তবে সরকারের পক্ষ থেকে সিরিজ আয়োজনের প্রস্তুতি জোরেশোরেই চলছে।
মঙ্গলবার ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্রীড়া কূটনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। যেহেতু ক্রিকেটে আমাদের একটি শক্তিশালী অবস্থান ও মর্যাদা রয়েছে, সেহেতু ভারতের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত আছে। আমরা ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলেছি এবং আশা করছি সেপ্টেম্বরে ভারতীয় দল বাংলাদেশে আসবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘অতীতের কিছু ছোটখাটো ঘটনা নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনা আমরা এই সফরের মাধ্যমে কাটিয়ে উঠতে পারব বলে বিশ্বাস করি। আশা করি আমাদের ক্রীড়া কূটনীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।’
বিসিবির পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, ভারতীয় দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।