Image description

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, ‘জুলাই বিপ্লবের শুরুটা হয়েছিল এই নারায়ণগঞ্জ থেকেই। আন্দোলনের উত্তাল সেই সময়ে আমাকে লক্ষ্য করে যখন গুলি চালানো হয়, তখন নেতাকর্মীরা আমাকে মানবঢাল তৈরি করে ঘিরে রেখেছিলেন। সেই মুহূর্তেই আমার মাথার ওপর দিয়ে যাওয়া একটি গুলি সরাসরি শাওনের শরীরে লাগে এবং সে রাজপথেই মৃত্যুবরণ করেন।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এমপি মান্নান বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে জুলাই বিপ্লবের প্রতিটি যোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তাদের পাশে আমরা সব সময় ছিলাম এবং আগামী দিনেও সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকব।

 
 
 

সোনারগাঁয়ে জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জেনেছি আমাদের সোনারগাঁয়ে ৩ জন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন। এছাড়া অসংখ্য ছাত্র ও নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের সবার তালিকা উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত আছে। সরকারি সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তিতে তারা যেন সবার আগে অগ্রাধিকার পায়, সেটি আমি নিশ্চিত করব, ইনশাআল্লাহ।

 
 

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণসভা শেষে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু, জামায়াত নেতা খোরশেদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সোনারগাঁ শাখার সভাপতি ফারুক আহমেদ মুন্সী, জাতীয় যুব শক্তির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, কাউসার আহমেদসহ অনেকে।

এছাড়াও জুলাই শহীদদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।