সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের নিউজফিড স্ক্রল করলেই চোখের সামনে ভেসে উঠছে চকচকে আগ্নেয়াস্ত্র। লাইক, কমেন্ট আর শেয়ারের ভিড়ে হারহামেশাই চলছে মারণাস্ত্র বিক্রির অফার। কোনো লুকোচুরি নয়, বরং আইনের নিয়ম-নীতিকে তোয়াক্কা না করে ডলার খরচ করে স্পনসরড বা ‘বুস্ট’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ্যেই চলছে এই অস্ত্রের কারবার। দেশের প্রচলিত ‘অস্ত্র আইন, ১৮৭৮’ অনুযায়ী, বৈধ লাইসেন্স ও সরকারি অনুমোদন ছাড়া যেকোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি কেনাবেচা, প্রদর্শন, নিজের কাছে রাখা বা পরিবহন করা সম্পূর্ণ অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য গুরুতর অপরাধ। অথচ সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘বিসমিল্লাহ পিস্তল ঘর’ নামের একটি অনলাইন পেজ খুলে দেশের বুকে বসেছে অবৈধ অস্ত্রের এই ভার্চুয়াল হাট। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার ফলোয়ারের একটি বড় ফলোয়াড় তৈরি করেছে পেজটি, যা দেশের তরুণ সমাজ ও অপরাধ জগতের জন্য এক নতুন আতঙ্কের নাম। এছাড়াও, দেশের সাইবার আইন ও ফেসবুকের নিজস্ব পলিসি অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো বিজ্ঞাপন বা বুস্টিং করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
ডিজিটাল প্রযুক্তির আড়ালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে কীভাবে চলছে এই রমরমা অস্ত্রের বাণিজ্য; আর অস্ত্রের উৎসই বা কোথায় তা জানতে ছদ্মবেশে ক্রেতা সেজে অনুসন্ধানে নামেন এই প্রতিবেদক। আর তাতেই বেরিয়ে আসে গা শিউরে ওঠার মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য।
অনুসন্ধানের শুরু যেভাবে
টাইমস টুডের অনুসন্ধানের শুরুতেই পেজটির ব্যাকগ্রাউন্ড ও লোকেশনে দেখা যায়, চক্রটি অত্যন্ত চতুরতার সাথে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর এলাকা যশোরের বেনাপোলকে তাদের মূল লোকেশন হিসেবে ব্যবহার করছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সীমান্ত গড়িয়ে অবৈধ অস্ত্র দেশে আনা এবং তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য তারা এই রুটটিকে বেছে নিয়েছে। বর্ডার ক্রস বা নিবন্ধনবিহীন এই মারণাস্ত্রগুলো মূলত চোরাকারবারিদের হাত ধরে সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে- যার ডিজিটাল শোরুম হিসেবে কাজ করছে ‘বিসমিল্লাহ পিস্তল ঘর’।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নয়, যেন বিলাসী রাজপ্রাসাদ
১৫ হাজারের পেজটিতে এখনো পর্যন্ত ২১টি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে প্রাক্টিক্যালি গুলি করে দেখানো হচ্ছে। পিস্তলের ফ্রেম শতভাগ লোহা কিনা তার ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলতে শোনা যায়, পাকিস্তান থেকে এই ফ্রেম সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্রান্ডের পিস্তলের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে পেজটিতে।
পেজে দেওয়া তথ্যের সূত্র ধরে সাধারণ ক্রেতা সেজে তাদের দেওয়া নির্দিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করেন এই প্রতিবেদক। মেসেজ দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ওপাশ থেকে সাড়া দেয় চক্রের এক সক্রিয় সদস্য। অত্যন্ত পেশাদার বিক্রেতার মতো তারা অস্ত্রের ছবি ও ক্যাটালগ পাঠাতে শুরু করে। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তারা জানায়, বর্তমানে তাদের কাছে সবচেয়ে বেশি কাটতি বা রানিং আইটেম হচ্ছে ‘9MM’ মডেলের পিস্তল। এছাড়াও Beretta কোম্পানির M9, Taiwan ব্রান্ডের কিছু পিস্তলের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। একটি পিস্তল কিনতে পরিশোধ করতে হচ্ছে ৩৩ হাজার টাকা। ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে তারা আকর্ষণীয় প্যাকেজ অফার করে। বিক্রেতারা জানান, ৩৩ হাজার টাকার এই মূল প্যাকেজের সাথে ক্রেতা পাবেন ২০ পিস তাজা বুলেট বা লাইভ রাউন্ড এবং ২টি ফুল সাইজ ম্যাগাজিন। এখানেই শেষ নয়,অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অস্ত্রের কার্যকারিতা বাড়াতে অতিরিক্ত পার্টসের একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ রেট চার্টও দেওয়া হয় এই প্রতিবেদককে। যেখানে বাড়তি প্রতি পিস বুলেটের দাম চাওয়া হয় ১ হাজার ১৫০ টাকা এবং দূর থেকে শব্দহীন নিখুঁত টার্গেটের জন্য একটি এক্সট্রা সাইলেন্সর বা সাউন্ড সাপ্রেসরের দাম চাওয়া হয় ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শুধু তাই নয়, দূর-দূরান্তের ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য চক্রটি বেছে নিয়েছে এক অভিনব পন্থা। বিক্রেতারা জানায়,অগ্রিম টাকা পাওয়ার পর ক্রেতাকে সরাসরি সুরক্ষিত ভিডিও কলে যুক্ত করা হবে। সেখানে অস্ত্রটি বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে দেখানোর পাশাপাশি লাইভ ৫ রাউন্ড গুলি ফুটিয়ে বা ফায়ারিং করে অস্ত্রের কার্যকারিতা ও শব্দের তীব্রতা পরীক্ষা করে দেখানো হবে। লাইভ টেস্টে ক্রেতা সন্তুষ্ট হলেই কেবল অস্ত্রটি পাঠানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
অস্ত্র যেভাবে দেশে ও ক্রেতার কাছে পৌঁছে
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, এই চক্রের সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং উদ্বেগের জায়গাটি হলো তাদের অস্ত্র সরবরাহের পদ্ধতি। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার চেকপোস্ট ও স্ক্যানার ফাঁকি দিতে তারা কুরিয়ার সার্ভিসের প্রচলিত মাধ্যম এড়িয়ে চলে। কীভাবে অস্ত্র পৌঁছিয়ে দিবেন- প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে চক্রের সেই সদস্য অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে জানান, দেশের যেকোনো প্রান্তে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা রয়েছে তাদের। এজন্য তারা পণ্য পরিবহনের সাধারণ ট্রান্সপোর্ট বা দূরপাল্লার বাসের ছাদকে বেছে নেয়। বর্ডার ক্রস করে আনা এই অবৈধ পিস্তল ও গুলিগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্লাস্টিকে মুড়িয়ে ৩০ কেজি ওজনের একটি চালের বস্তার ঠিক মাঝখানে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ওপর-নিচ থেকে চাল দিয়ে এমনভাবে প্যাক করা হয়, যাতে বাইরে থেকে বা সাধারণ তল্লাশিতে বোঝার কোনো উপায় না থাকে। এরপর সাধারণ চালের চালান হিসেবেই তা ক্রেতার বুকিং করা লোকেশনে পৌঁছে দেওয়া হয়। তবে এই পুরো ডিল বা চুক্তিটি চূড়ান্ত করতে এবং ভিডিও কলে লাইভ ফায়ারিং দেখতে শুরুতে ৩ হাজার ৩০০ টাকা অগ্রিম বা বুকিং মানি দাবি করে চক্রটি। এই অগ্রিম টাকা নেওয়ার জন্য তারা একটি বিকাশ নম্বর প্রদান করে এবং টাকা পাওয়ার পরই শুরু হয় অস্ত্রের মূল প্যাকেজিং। এর আগে সব চূড়ান্ত করতে ক্রেতার নাম, ঠিকানা, পরিচয়, ফোন নম্বর সবকিছু তাদেরকে দিতে হবে।
প্রতারক চক্র শঙ্কা
তবে এই পুরো অনুসন্ধানের পর সবচেয়ে বড় খটকা এবং সন্দেহের জায়গাটি অন্যখানে। চক্রটি যে আসলে কোনো অস্ত্র কারবারি নয় বরং অগ্রিম টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য তৈরি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র বা অনলাইন স্ক্যামার সেই সন্দেহও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এটি যে একটি প্রতারক চক্র, সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে তা বাইরে থেকে দেখে বা তাদের কর্মকাণ্ডের ধরণ বুঝে বোঝার বিন্দুমাত্র কোনো উপায় নেই। কারণ তারা ফেসবুকের কঠোর নিয়ম ভেঙে ডলার খরচ করে প্রকাশ্যে বুস্টিং বা স্পনসরড বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের চোখে নির্ভরযোগ্য মনে হয়। পেজে প্রায় ১৫ হাজার ফলোয়ারের বিশাল অডিয়েন্স রয়েছে, যা দেখে যে কেউ একে আসল মনে করতে বাধ্য। তা ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকা বেনাপোলের লোকেশন ব্যবহার করায় মানুষের মনে মনস্তাত্ত্বিকভাবে বিশ্বাস জাগে যে বর্ডার ক্রস অস্ত্র বলেই হয়তো এত সহজে ও সস্তায় পাওয়া যাচ্ছে।
হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো আনাড়ির মতো আচরণ না করে অত্যন্ত পেশাদারভাবে সুনির্দিষ্ট রেট চার্ট এবং ক্যাটালগ পাঠায়। এমনকি ভিডিও কলে ফায়ারিং টেস্ট ও চালের বস্তার আড়ালে নিখুঁত ডেলিভারির মতো যে অভিনব ছক তারা সাজিয়েছে তা দেখে সাধারণ মানুষের পক্ষে একে জালিয়াতি বা প্রতারণা বলে চেনার কোনো সুযোগই থাকে না। যেহেতু অবৈধ অস্ত্র কিনতে গিয়ে প্রতারিত হলেও ক্রেতারা নিজে ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে পুলিশ বা আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে না এই দুর্বলতা ও আইনি সীমাবদ্ধতাকেই পুঁজি করে ৩,৩০০ টাকা অগ্রিম বুকিং মানি হাতিয়ে নেওয়াই এই চক্রের আসল উদ্দেশ্য হতে পারে।
আইন যা বলছে
দেশের প্রচলিত ‘অস্ত্র আইন, ১৮৭৮’ অনুযায়ী, বৈধ লাইসেন্স ও সরকারি অনুমোদন ছাড়া যেকোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি কেনাবেচা, প্রদর্শন, নিজের কাছে রাখা বা পরিবহন করা সম্পূর্ণ অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য গুরুতর অপরাধ। তদুপরি, দেশের সাইবার আইন ও ফেসবুকের নিজস্ব পলিসি অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্রের কোনো বিজ্ঞাপন বা বুস্টিং করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। অথচ সব আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বেনাপোল সীমান্তকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই ভার্চুয়াল অন্ধকার সিন্ডিকেট দেদারসে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এই মারণাস্ত্রগুলো যদি সত্যি রাজনৈতিক সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী বা কিশোর গ্যাংয়ের হাতে পৌঁছায় তবে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। আর যদি এটি শুধুই প্রতারক চক্রও হয়ে থাকে, তাহলেও সাধারণ মানুষের টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং অস্ত্র কেনার দিকে তরুণদের প্রলুব্ধ করার এই সাইবার অপরাধকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। চালের বস্তার আড়ালে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া মারণাস্ত্রের এই ভয়ানক সিন্ডিকেট কিংবা টাকা হাতিয়ে নেওয়া এই সুনিপুণ প্রতারক চক্রের উৎস এখনই গোড়া থেকে উপড়ে না ফেললে চরম ঝুঁকিতে পড়বে সাধারণ মানুষের জননিরাপত্তা।
বিশেষজ্ঞ ও প্রশাসন যা বলছে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্র বিক্রির এই প্রবণতাকে সম্পূর্ণ ‘প্রতারণার ফাঁদ’ বা ‘স্ক্যাম’ বলে মনে করছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সাধারণ ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় এভাবে অস্ত্র কেনাবেচা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা কোনো পেশাদার অপরাধী সহজে করবে না। মূলত, সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে অগ্রিম টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই সাইবার অপরাধীরা এমন চটকদার ও ঝুঁকিপূর্ণ বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। তবে এই ধরনের পেজ বা গ্রুপগুলোর পেছনে কারা রয়েছে, তা নিশ্চিত হতে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে দ্রুত আইপি ট্র্যাকিং এবং মেটা (Meta) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডিজিটাল ফরেনসিক তদন্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এই বিষয়ে অপরাধ বিশেষজ্ঞ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম টাইমস টুডেকে বলেন, ‘‘ডার্ক ওয়েবে অস্ত্র কেনাবেচা নতুন কিছু নয় তবে ফেসবুক বা সাধারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্য পেজ বা গ্রুপ খুলে অস্ত্র বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়াটা বেশির ভাগ সময়ই চরম প্রতারণা। অপরাধীরা সাধারণত ফেক আইডি, বাটন ফোন এবং পরিচয়হীন মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ) অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অগ্রিম টাকা নেয়। টাকা পাওয়ার পর তারা আইডি বা পেজ গায়েব করে দেয়।’’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এভাবে অস্ত্র সরবরাহ করা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করে তিনি বলেন, তবে বিষয়টিকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, যদি এর ১০ শতাংশও সত্য হয় তাহলে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। সাইবার ক্রাইম ইউনিটের উচিত অবিলম্বে এই পেজগুলোর আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এবং ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ট্র্যাক করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা।
অনলাইনে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের অ্যাডিশনাল আইজিপি (অপরাধ ও অপস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, বিপিএম, পিপিএম টাইমস টুডেকে বলেন, ‘‘অনলাইনে অস্ত্র বিক্রি হয় এমন কথা আমরা আগে শুনিনি। বিষয়টি আমাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। কারণ, অস্ত্র একটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ জিনিস। যারা এর সাথে জড়িত, তারা এত বড় ঝুঁকি নেবে কি না এটা খতিয়ে দেখার দরকার।’’
এটি মূলত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো প্রতারক চক্রের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ফাঁদ হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে তথ্য দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশের সাইবার টিমকে দ্রুত নির্দেশনা দেওয়া হবে এবং এর পেছনে কারা রয়েছে তা প্রযুক্তির সহায়তায় শনাক্ত করা হবে বলে আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।