Image description

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় গ্রেনেড হামলা ও হত্যা চেষ্টা মামলায় বিশেষ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ের তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস।

 

শুক্রবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আব্দুল আজিজ, সভাপতি পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ মিসবাহ এবং মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান।

বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা এই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী ও জি কে গউছসহ আটজন আসামি খালাস পেলেও হাফেজ নাঈম আহমেদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে, যা তারা অন্যায় ও বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন।

তাদের ভাষ্য, কোনো অকাট্য বা বস্তুগত প্রমাণ ছাড়াই কেবল ১৬৪ ধারায় দেওয়া কথিত জবানবন্দির ভিত্তিতে একজন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। তারা অভিযোগ করেন, মামলাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং তদন্ত প্রক্রিয়াও ছিল একপেশে ও সাজানো।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, একই মামলায় অধিকাংশ আসামি খালাস পেলেও একজন সাধারণ দ্বীনি ছাত্রকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বিচারিক বৈষম্যের উদাহরণ। সংগঠনটির দাবি, তদন্তের মূল উদ্দেশ্য ছিল আলেম-ওলামা ও নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তিকে মামলায় জড়ানো।

বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের নেতৃবৃন্দ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারিক পর্যালোচনা, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং পুনর্বিচারের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা হাফেজ নাঈম আহমেদের প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।