ভেনেজুয়েলাকে কাঁপিয়ে দেওয়া পরপর দুটি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্য আফটারশক বা ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা থাকায় অনেকেই রাস্তায় তাঁবু স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
অন্যরা বাগানে বা ফুটপাতে গদি, মাদুর বা চাদর পেতে রাত কাটাচ্ছেন—তারা অপেক্ষা করছেন কখন নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাওয়া নিরাপদ হবে তা জানতে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, বড় ধরনের আফটারশকের শঙ্কা এখনো রয়ে গেছে।
পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে ভেনেজুয়েলা। বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ৭ দশমিক ৫।
রাজধানী কারাকাসেও কম্পন অনুভূত হয়েছে, সেখানে ভবন ধসে পড়েছে, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ সাহায্যের জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বুধবার প্রথম ভূমিকম্প আঘাত হানার পর থেকে ভেনেজুয়েলায় ২০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল, যার মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফ্যালকন।