Image description

ব্যক্তিগত ঋণ ও দীর্ঘস্থায়ী ভোগ্যপণ্য কেনার ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এ ধরনের ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৮ বছর পর্যন্ত নির্ধারণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো। এর আগে এ ঋণের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর।

 

বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞাপন

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘কনজিউমার ডিউরেবলস’ বা দীর্ঘস্থায়ী ভোগ্যপণ্য ক্রয়ের ঋণসহ পার্সোনাল লোনের বর্ধিত সীমার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে কনজিউমার ফাইন্যান্সিংয়ের জন্য প্রুডেন্সিয়াল রেগুলেশনের সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, এ ধরনের ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ ৮ বছরের বেশি হবে না।

একই সঙ্গে দেশীয় মোটরযান শিল্পের বিকাশে সহায়তার লক্ষ্যে অটো লোনের ক্ষেত্রেও কিছু শর্ত শিথিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণভাবে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন নিতে পারবেন। তবে ইলেকট্রিক, হাইব্রিড ও দেশীয়ভাবে উৎপাদিত যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন।

এ ছাড়া এসব পরিবেশবান্ধব ও দেশীয়ভাবে উৎপাদিত গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ঋণ-ইকুইটি অনুপাতও শিথিল করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থায়ন করতে পারবে। অন্যদিকে সাধারণ অটো লোনের ক্ষেত্রে আগের মতোই সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ অর্থায়নের সুযোগ থাকবে।

সার্কুলারে আরো বলা হয়েছে, কনজিউমার ফাইন্যান্সিংয়ের আওতায় ঋণ প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সামগ্রিক ঋণ প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি হতে পারবে না—এ সংক্রান্ত পূর্ববর্তী নির্দেশনাও বাতিল করা হয়েছে।