Image description

মুদি দোকান, বিউটি পার্লার, জুতা দোকানসহ ১৬ ধরনের ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

 

বুধবার (২৪ জুন) সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা জানান।

 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

 

সেলিনা সুলতানা আরও জানতে চান, নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে কি না? জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জি।’

 

মন্ত্রী বলেন, মুদি দোকান ও বিউটি পার্লারসহ যেসব ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে, তা হলো তৈরি পোশাক বা কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকস বা প্রসাধনের দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটর, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্ট, ফার্নিচার, মিষ্টান্ন ভান্ডার ও রেস্টুরেন্ট।

 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে।

 

অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত অর্থবিলে খুচরা দোকানিদের কাছ থেকে ভ্যাট নিতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কর নেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়। তবে এর পরিমাণ এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। এ ছাড়া খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে দুই টাকা কর কেটে রাখার বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে।