Image description

গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন নিহত শিবির নেতার বাবা উপজেলা জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হাবিবুর রহমান।

 

সোমবার (২২ জুন) বেলা ৩টায় বোনারপাড়া সরকারি কাজি আজহার আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা হয়।

 

জানাজায় অংশ নেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা জামায়াতের আমির ও সদর আসনের এমপি আব্দুল করিম, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্ল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের এমপি মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, গাইবান্ধা জেলার সাবেক সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, সেক্রেটারি ফাহিম মন্ডল, সাঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমির ইব্রাহিম, সেক্রেটারি আব্দুল ওয়ারেছ, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাজেদুর রহমান সাদা প্রমুখ।

 

গতকাল রোববার (২১ জুন) বিকেলে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে সাইফুল্লাহ বারীকে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার বোনারপাড়া চারমাথায় সাইফুল্লাহকে ছুরিকাঘাত করেন বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মুকুল ও তার সঙ্গীরা।

 

রোববার রাতে জেলা যুবদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মোখলেছুর রহমান মুকুলকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই স্থানীয় জনতা যুবদল নেতা মুকুলের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় রোববার রাতে রাজধানীতে ও আজ দুপুরে জেলা ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল করে।