Image description

সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সেই  নির্বাচন হবে নির্দলীয়ভাবে, মানে কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না।

সেটা মেয়র নির্বাচন হোক, সিটি করপোরেশন নির্বাচন হোক কিংবা ইউপি নির্বাচন হোক। সব নির্বাচনেই প্রার্থী থাকবে নির্দলীয়। মানে দলীয় প্রার্থী হতে পারে কিন্তু কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগও অংশ নিতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক মাসুদ কামাল।
      

 

আজ বুধবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, সব নির্বাচনই নির্দলীয় হয়। একমাত্র জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়া। জাতীয় সংসদ নির্বাচনটাই দলীয়ভাবে নির্বাচন হয়।

যখন নির্দলীয় নির্বাচন হবে তখন প্রশ্ন উঠবে সেই নির্বাচনে কি যারা একসময় আওয়ামী লীগ করতেন তারা অংশ নিতে পারবেন? কারণ আওয়ামী লীগের তো এখন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। কিন্তু আওয়ামী লীগের লোকজন তো আছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ মানে আওয়ামী লীগ তাদের ব্যানারে  কিছু করতে পারবে না। কিন্তু আওয়ামী লীগের ব্যানারে বাইরে থাকে তারা কি তাহলে বিয়েশাদি করতে পারবে না? পারবে। তারা কি কোনো পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে পারবে না? তাও পারবে।
পারা উচিত বলে তিনি মনে করেন।   

 

তিনি আরো বলেন,  ‘যখন তাকে পারতে দেওয়া না হয়, তখন বুঝতে মব হচ্ছে। আর সে মব থামানো একটা বৈধ সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সরকার যদি না থামাতে পারে দুটো অর্থ হবে। একটা অর্থ হলো সরকার এই মবকে মদদ দিচ্ছে অথবা আরেকটা অর্থ হতে পারে যে সরকার মবকারীদের কাছে অসহায়। এই দুটোর একটা। দুটোর কোনোটাই সরকারের জন্য সম্মানজনক নয়।’ 

মাসুদ কামাল বলেন,  ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে এর একটা প্রাতিষ্ঠানিক  জবাব পাওয়া গেছে। সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা  ডা. জাহেদ উর রহমান সচিবালয়ের সংবাদ সম্মেলন এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এই বিষয়ে ক্লিয়ার করেছেন। জাহেদ উর রহমান বলেছেন,  কোনোরকম সমস্যা নেই।  একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, যদি আওয়ামী লীগেরও হয় তিনি নির্বাচন করতে পারবেন। কারণ এটা নির্দলীয়, কেউ দলের কথা বলবেন না। তবে নির্দলীয় ব্যক্তি যদি প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাদের যা যা বলার সেটা বলেন তাহলে সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্বাচনের যে ক্রাইটেরিয়া আছে সেটি যদি পূরণ করতে পারেন তাহলে তিনি নিশ্চয়ই নির্বাচন করতে পারবেন।’