Image description

এম সাইফুল ইসলাম

ক্ষমতার প্রথম তিন মাসে তুলনামূলক স্বস্তিতে পথচলা শুরু করলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সরকারের সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ। ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, প্রায় ২২ লাখ কোটি টাকার দেশি-বিদেশি ঋণের চাপ, রাজস্ব আহরণ ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, ব্যাংকিং খাত সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সংস্কার বাস্তবায়নের মতো চ্যালেঞ্জগুলো এখন সরকারের জন্য অগ্নিপরীক্ষা হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি বজায় রাখা, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা ধরে রাখার পাশাপাশি সংস্কার প্রশ্নে বিরোধী দলের ক্রমবর্ধমান চাপ এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফের সংগঠিত হওয়ার তৎপরতা মোকাবেলাও সরকারের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক, অর্থনীতিবিদ ও কূটনীতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিন মাস কোনো সরকারের চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট সময় নয়। তবে এই সময়ের কর্মকাণ্ডে সরকারের ইতিবাচক কিছু উদ্যোগের পাশাপাশি নীতিগত দুর্বলতা ও সংস্কার বাস্তবায়নে ধীরগতিও স্পষ্ট হয়েছে। ফলে শুরুর রাজনৈতিক সুবিধা ধরে রেখে সামনে এগোতে হলে সরকারকে একযোগে অর্থনীতি, সুশাসন, কূটনীতি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার চারটি বড় ফ্রন্টে লড়াই করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঢিলেঢালা প্রটোকলে চলাফেরা, ঈদের পর দ্রুত বর্জ্য অপসারণ তদারকি, নিজে গাড়ি চালিয়ে রাজধানী পরিদর্শন এবং ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের মতো উদ্যোগগুলো ইতিবাচকভাবে আলোচিত হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বিতরণ নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। একইসঙ্গে নিজের পিতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে ক্ষমতায় এসে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেও তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

তবে একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হওয়া, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তি, বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল এবং আর্থিক খাতে সংস্কারের ধীরগতি নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। এবার সরকার গঠনের পরপরই ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলার চ্যালেঞ্জে পড়লেও যুদ্ধ পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসায় প্রধানমন্ত্রীকে খুব একটা বেগ পোহাতে হয়নি। তবে সরকার গঠনের পর হাম পরিস্থিতিতে শিশু মৃত্যুরোধে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে জনমনে অসন্তোষ রয়েছে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বেগম সেলিমা রহমান টাইমস অব বাংলাদেশ’কে বলেন, গত তিন মাসে প্রধানমন্ত্রী মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছেন। তার পিতার মতোই প্রধানমন্ত্রীর সাদামাটা চলাফেরা মানুষের মন কেড়েছে। তারেক রহমান ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে কৃষির উৎপাদনশীলতায় জোর দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন দেশে জেঁকে বসে থাকা স্বৈরাচার এতো বড় একটি দেশকে ধ্বংস করে গেছে। দেশের ওপর চাপিয়ে দিয়ে গেছে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ। এটিকে মোকাবিলা করা একেবারে সহজ নয়, তবে দেশ ও মানুষের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাবেন।

সুশাসন ও বিনিয়োগের দ্বৈত চ্যালেঞ্জ

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের অন্যতম প্রধান শর্ত দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যার জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন, প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা এবং নীতির ধারাবাহিকতা অপরিহার্য। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তার বাস্তবায়নে নতুন সরকার আসার পরও ধীরগতি নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। এমনকি সরকারের শুরুতেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার টাইমস’কে বলেন, সর্বক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব নয়। কারণ, বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ ফেরতের নিরাপত্তা চান। সেই আস্থার জায়গা দুর্বল থাকলে যতই অবকাঠামো উন্নয়ন হোক, বিনিয়োগ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আসবে না।

তিনি আরও বলেন, সুশাসন মানেই হচ্ছে গণতান্ত্রিক স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত থাকা। সেজন্য সর্বক্ষেত্রে সংস্কারের লক্ষ্যে জুলাই আন্দোলন হয়েছিল। অথচ বিএনপি সরকার গঠনের পর সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তকরণ, সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিল এবং জুলাই সনদ এখনো বাস্তবায়ন করলো না, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার পরিপন্থী। আগামী দিনে সুশাসন নিশ্চিত না করলে অর্থনীতি, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জে পড়বে সরকার।

অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাতে অগ্নিপরীক্ষা

বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আগের সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা। বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, খেলাপি ঋণের বিস্তার, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ এবং বিনিয়োগ স্থবিরতা একসঙ্গে অর্থনীতিকে জটিল অবস্থায় ফেলেছে। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট ও আস্থার ঘাটতি নতুন বিনিয়োগকে বাধাগ্রস্ত করছে।

রাষ্ট্রীয় ব্যয়, উন্নয়ন প্রকল্প এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালিয়ে নিতে রাজস্ব আয় বাড়ানো এখন সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক চ্যালেঞ্জ হলেও কর ফাঁকি, সীমিত কর-নেট এবং অর্থনীতির অনানুষ্ঠানিক খাতের প্রভাব রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে দুর্বল করে রেখেছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপও বাড়ছে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বিএনপি সরকারের সামনে অর্থনীতির নানাক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ দেখছেন।

তিনি টাইমসকে বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ নিতে হচ্ছে। এ কারণে আগামী দিনে সরকারের উপর চাপ বাড়বেই। সেটি সামাল দিতে গিয়ে সরকারকে দুইভাবে কাজ করতে হবে, যার একটি হচ্ছে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো আর অন্যটি হলো বৈদেশিক ঋণ পাওয়া।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সরকার আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা করছে এবং বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সঙ্গে সরকারের কিছুটা সমঝোতা হয়েছে। এসব ঋণের সুপ্ত সুবিধা এবং শর্তসমূহ কী হবে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আসন্ন বাজেটে বিভিন্ন খরচের খাত থাকবে এবং সেখানে টাকা এনে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ছাড়া বিনিয়োগ একটা স্থবির অবস্থায় রয়েছে, এটি চাঙ্গা করতে না পারলে কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

কূটনৈতিক ভারসাম্যের পরীক্ষা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে জটিল বাস্তবতা হলো বড় শক্তিগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা। চীন অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, ভারত নিরাপত্তা ও প্রতিবেশী সম্পর্কের কেন্দ্র এবং পশ্চিমা দেশগুলো বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতার মূল উৎস। এ ছাড়া ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হওয়ায় বাংলাদেশকে এমন অবস্থান নিতে হবে, যাতে কোনো পক্ষের কৌশলগত বলয়ে যুক্ত হওয়ার ধারণা তৈরি না হয়। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন, ভারত এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সহযোগিতা একসঙ্গে কাজে লাগানোর কূটনৈতিক সক্ষমতাও সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হবে, ফলে বর্তমান সরকারের সামনে এই ভারসাম্য রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম. হুমায়ুন কবীর বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হলে নিজেদের সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। বাইরের বিনিয়োগ আনতে হলে সেই পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি অবশ্যই দক্ষ কূটনীতির দরকার আছে।

তিন মাসের সরকারের মূল্যায়ন নিয়ে তিনি বলেন, এ নিয়ে কথা বলতে আরও কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে সরকার ইতোমধ্যে কিছু সমস্যা চিহ্নিত করে কাজ করছে। একইসঙ্গে ভারত, চীন এবং পশ্চিমাদের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছে।

হুমায়ুন কবির আরও বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক মানেই হচ্ছে নিজের ভালোটা আদায় করা। আর সেটি করতে হলে অবশ্যই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হবে। এই জায়গায় সরকারকে বাড়তি মনোযোগ দেওয়ার পাশাপাশি গতিও বাড়াতে হবে। অর্থনীতি চাঙ্গা না হলে বিনিয়োগ বাড়বে না, ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হলে অস্থিরতা বাড়বে। তেমন পরিস্থিতিতে তরুণ প্রজন্মকে সামাল দেওয়া কঠিন হবে।

বিরোধী দলের অসন্তোষ মোকাবিলা

ক্ষমতার শুরুতে তুলনামূলক সমঝোতার পরিবেশ থাকলেও এখন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সংস্কার বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দলীয়করণ ইস্যুতে জামায়াত ও এনসিপি সরব অবস্থান নিচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ইতোমধ্যে জনমনে তৈরি হওয়া ক্ষোভও কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিরোধী দল। ফলে একটা সময় তারা মাঠের শক্ত কোনো কর্মসূচিতে গেলে সরকারকে বেগ পোহাতে হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম টাইমসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে চ্যালেঞ্জ অনেক। এর মধ্যে বিরোধী দলে যদি বেশি অসন্তোষ সৃষ্টি হয় তবে সরকারের পক্ষে তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে নানাক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিতে শুরু করেছে। সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সৃষ্টির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা ও এস আলমকে ইসলামী ব্যাংকে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া সংস্কার প্রশ্নেও সরকারের অবস্থান ইতিবাচক নয়। এসব নিয়ে ফের জেনজি ও বিরোধী দল ক্রমেই সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষিপ্ত হচ্ছে। এর পাশাপাশি আওয়ামী লীগও বসে নেই। তারা যদি বিশৃঙ্খলা করে, সেক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখাও সরকারের জন্যে বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

আ.লীগ মোকাবিলাও বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা

ক্ষমতা হারানোর পর থেকে প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় কৌশলগত নীরবতা পালন করলেও নতুন করে আওয়ামী লীগ সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।

বিশেষ করে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আইনি মোকাবিলা করতে চান বলে জোরালো আলোচনা রয়েছে। দেশে ফিরতে এবং শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেয়া সাজা ভিত্তিহীন দাবি করে নিজের পক্ষে জনমত তৈরিতে ইতোমধ্যে লবিস্টও নিয়োগের খবরও প্রকাশ পেয়েছে।

ফলে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চাইলে এবং আওয়ামী লীগ মাঠে নামলে উদ্ভুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সরকারের জন্যে সহজ নয় বলেও বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করছেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম টাইমসকে বলেন, ‘বিএনপি নির্বোচনের আগে বলেছিল, তারা কোন দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ চায় না। ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগকে আইন করে নিষিদ্ধ করলো। কিন্তু কোটি মানুষের আওয়ামী লীগকে বেশিদিন নিষিদ্ধ করে রাখা যাবে না। উপযুক্ত সময়েই আওয়ামী লীগ তার অধিকার আদায়ে মাঠে নামবে।’

দলটি এখনো মাঠে রয়েছে বলেও দাবি করেন বাহাউদ্দিন নাছিম।