Image description

জাতীয় সংসদে বিগত ১৭ বছরে গুম-খুন, ভোট চুরি ও গণহত্যার বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া সাংবাদিকদের বিভিন্ন গণমাধ্যমে পুনর্বাসন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।

রোববার (৭ জুন ২০২৬) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্ন করতে দাঁড়িয়ে তিনি এসব অভিযোগ তোলেন। তিনি জানতে চান, এসব সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট মিডিয়া হাউসের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।

জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর পক্ষে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে কেউ যদি প্রচলিত আইনের বাইরে গিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী বা অন্য যেই হোক না কেন—আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতার আড়ালে কিছু ব্যক্তি গুম-খুন, ভোট চুরি ও বিভিন্ন অনিয়মের পক্ষে অবস্থান তৈরি করেছে এবং এখন তাদের বিভিন্ন গণমাধ্যমে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু মিডিয়া হাউস রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতমূলক ভূমিকা রাখছে এবং অতীতে বিভিন্ন ঘটনার ক্ষেত্রে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে।

এ বিষয়ে নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক সম্পূরক প্রশ্নে গণমাধ্যমে সাংবাদিক পরিচয়ের মানদণ্ড ও কার্ড প্রদানের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন মোকাবিলায় সরকার একটি মনিটরিং টিম গঠন করেছে। যারা সাংবাদিক হিসেবে নিবন্ধিত নয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে বলেও তিনি জানান।

শীর্ষনিউজ/