রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার নামে আট বছর বয়সী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন)। বেলা পৌনে ১২টায় ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় যুক্তিতর্ক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে আসামি স্বপ্না খাতুন আদালতের হাজতখানায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় নির্দিষ্ট সময়ে শুনানি শুরু হয়নি। ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গমেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে সকাল ৮টায় আদালতে হাজির করা হয়। তাদের মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাখা হয়েছে। শুনানিকালে তাদের এজলাসে তোলা হবে।
এ মামলায় গত ১ জুন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুাল। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গুম করার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়।
এর আগে গত ২৪ মে রানা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান। ওইদিনই অভিযোগপত্র আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে সোহেল রানা দম্পতি কৌশলে আট বছরের শিশু রামিসাকে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ পর হত্যা করে সোহেল। পরে লাশ গুম করার জন্য গলা কেটে মস্তক আলাদা করে সে। এ ঘটনায় মামলা করেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।