Image description

বৃহত্তর চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পাইকারি মাছ বাজার ফিশারি ঘাটে রাক্ষুসে মাছ পিরানহা বিক্রি হচ্ছে। 

বুধবার (৩ জুন) জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সাহেদ ইকবাল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন।


 

তিনি লিখেছেন, সকালে মাছ কিনতে গিয়েছিলাম চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ মাছের পাইকারি বাজার ফিশারি ঘাটে। সেখানে মণে মণে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ ঘোষিত পিরানহা মাছ।

আমি ভিডিও করে সাথে সাথে বাজারের সভাপতি কাছে বিষয়টি জানাতে যাই কিন্তু তিনি উপস্থিত ছিলেন না এবং তার ফোন নাম্বারও না কি দেওয়া নিষেধ! তাকে না পেয়ে বিষাক্ত মাছ গুলো আটকাতে ৯৯৯ ফোন করে সহায়তা চাই। এরপর বাকলিয়া থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা ফোন করে আমার কাছ থেকে সব শুনেন।
প্রমাণের ভিডিও নিয়ে সেখানে গিয়ে সভাপতির সাথে কথা বলে সতর্ক করেছেন বলে আমাকে জানান! 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন হাট বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে পিরানহা। ভ্যানে কিংবা মাথায় ঝুড়িতে করে পাড়া মহল্লা বিভিন্ন কলোনি বা বস্তি গুলোতে বেশি বিক্রি হয়।

অশিক্ষিত দরিদ্র পরিবারগুলো অল্প দামে কিনে খাচ্ছে মাছের নামে বিষাক্ত পিরানহা। মা বাবা মাছের নামে শিশু সন্তানদের মুখে তুলে দেবে। এই মাছ ২০০৮ সালে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হয়। পিরানহার কারণে মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

 

ফিশারি ঘাটে পিরানহা বিক্রি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা (সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, গত ১৬ মে আমরা ফিশারি ঘাটে অভিযান চালিয়েছি তখন পিরানহা পাইনি। শিগগির অভিযান চালানো হবে।