বাড়ির পাশের মাঠে ছাগল আনতে গিয়েছিল ১৩ বছরের এক কিশোরী। ওই সময় বাদশা মিয়া নামে এক যুবক তাকে তুলে নিয়ে যান পাশের জঙ্গলে। সেখানে আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে চলে পালাক্রমে ধর্ষণ। মোবাইলে ধারণ করে রাখা হয় ধর্ষণের সেই ভিডিও। কাউকে জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নে গত ২৪ মে এমন ঘটনাই ঘটে। ওই ঘটনায় শনিবার (৩০ মে) প্রধান আসামি মো. বাদশা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে শনিবার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পরপরই প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ মে সন্ধ্যায় ওই কিশোরী বাড়ির পাশের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গেলে জসিম উদ্দীনের ছেলে বাদশা মিয়া তাকে জোরপূর্বক পাশের জঙ্গলে নিয়ে যান। পরে সেখানে মো. মাহাবুব ওরফে মাল্লু ও কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা ধলিয়া মুসলিম পাড়ার বাসিন্দা সাইফুল নামে দুজনকে ডেকে আনা হয়। এরপর ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগীসহ পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে এএসপি (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি বাদশা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া ভুক্তভোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।