Image description

ঈদের ছুটি এখনো শেষ হয়নি অনেকের। তবে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে অনেকে আগেভাগেই ফিরতে শুরু করেছেন ঢাকায়। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে ঈদের ফিরতিযাত্রার এমন চিত্র দেখা গেছে।

শনিবার (৩০ মে) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশরে গিয়ে দেখা যায়, স্টেশন এলাকায় বেড়েছে মানুষের ব্যস্ততা ও ফিরতি যাত্রীদের ভিড়। ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যাত্রীর উপস্থিতি চোখে পড়েছে। 

jagonews24

সরেজমিনে কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে দেখা যায়, নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন প্ল্যাটফর্মে এসে দাঁড়াতেই যাত্রীরা হুড়মুড় করে নামছেন। তারা দ্রুত ব্যাগ-লাগেজ নিয়ে স্টেশন ছাড়ছেন। এসময় স্টেশনের কুলিদেরও ব্যস্ত হয়ে উঠতে দেখা যায়।

 

শুধু ঈদের ফিরতি যাত্রাই নয়, ঈদের তৃতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন কেউ কেউ। কমলাপুর রেলস্টেশনে আজ তেমন যাত্রীদেরও দেখা মিলেছে। তারা বলছেন, অনেকে ঈদের দ্বিতীয় দিন পশু কোরবানি দিয়েছেন। ফলে সবকিছু গুয়ে বাড়ি ফিরতে তাদের দেরি হয়ে গেছে। 

সিলেটগামী ট্রেনের যাত্রী হামিদ ঢাকার একটি সফটওয়্যার ফার্মে চাকরি করেন। কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের এক ঈদে ছুটি হয়। গত ঈদে ছুটি কাটিয়েছিলাম। এবার ঈদে ডিউটি করেছি। ডিউটি শেষ করে আজ থেকে ছুটিতে যাচ্ছি।

jagonews24

 

অন্য যাত্রী আবু হানিফ জানান, তিনি ঈদ করতে ঢাকায় এসেছিলেন। আজ বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

ঈদের ছুটি শেষে কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরা এগারোসিন্ধু ট্রেনের যাত্রী বেসরকারি চাকরিজীবী সোহেল রানা বলেন, ঈদের ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে ভালো সময় কেটেছে। কাল থেকে অফিস শুরু। আবার কর্মজীবনে ফিরতে হবে। তাই আজই চলে এসেছি। রাতের ট্রেনে এসে সকালে অফিস করতে পারতাম, কিন্তু সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা থাকায় একটু সময় নিয়ে আগেভাগে চলে এলাম।

jagonews24

অন্য যাত্রী ইমান আলী বলেন, গ্রামে ঈদ শেষ করে ফিরলাম। যদিও ছুটি এখনো শেষ হয়নি। কাল-পরশু থেকে ভিড় বাড়বে। তখন পরিবার নিয়ে আসা ঝামেলার। যে কারণে ছুটি শেষ না হতেই চলে এসেছি।

স্টেশনে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মী জাগো নিউজকে বলেন, সকালে ফিরতিযাত্রার মানুষের চাপ ছিল। আপাতত কিছুটা কম। তবে এখনো সেভাবে মানুষের ফেরা শুরু হয়নি। দুদিন পর স্টেশনে পা ফেলা যাবে না। এখন ফিরছে, তবে তুলনামূলক কম।