Image description

নরসিংদীতে ১০ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আপন দাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় শিশুর বাবাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে জেল খাটানোর অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

নরসিংদী প্রেসক্লাব এলাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ মে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় নিজ বাড়িতে ১০ বছরের ওই শিশুকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান তার আপন দাদা বজলুর রহমান। বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির বাবা প্রতিবাদ করলে দাদা ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহায়তায় শিশুর বাবার বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় ভাঙচুর ও গরু চুরির মামলা করা হয়। পরে ১৮ মে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। পাঁচ দিন কারাভোগের পর ২৩ মে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তার বৃদ্ধ বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা তার কথা শোনেন।

জেল থেকে মুক্ত হয়ে রোববার (২৪ মে) শিশুটির বাবা রায়পুরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার দাবি, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ধামাচাপা দিতেই তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দাদা বজলুর রহমান বলেন, নিজের ছেলে হয়েও সে আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। আমার বাড়িতে ভাঙচুর করায় আমি তার নামে মামলা করেছি। আমরা সামাজিকভাবে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি। আমি আমার নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করিনি।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।