Image description

হামের প্রকোপ শুরুর সময় দেশে কোনো ভ্যাকসিন ছিল না বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ও কেয়ারটেকার সরকারকে সাতবার রিমাইন্ড দেওয়ার পরও কোনো ভ্যাকসিন নেয়নি। প্রাইভেটভাবে কেনার নামে টাকা খাওয়ার চেষ্টা হয়েছে। মহাখালীতে যখন প্রধানমন্ত্রী বললেন একটি শিশু মারা গেছে, তখন আমরা ১৮ ঘণ্টার মধ্যে আইসোলেশন নিশ্চিত করি। পরে দেখি কোনো ভ্যাকসিন নেই। এরপর থেকেই আমরা ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু করেছি।’

 

রোববার (২৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লা সরকারি মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি আকস্মিকভাবে হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের খোঁজখবর নেন।

 

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগ, ওয়ার্ডের পরিবেশ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসাসেবার মান পর্যবেক্ষণ করেন। এ ছাড়া হাসপাতালের রান্নাঘরে গিয়ে রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবার—ডাল ও সবজি খেয়ে মান যাচাই করেন।

 

এ সময় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সঠিকভাবে সবাই দায়িত্ব পালন করছে কি না, তা দেখতেই আমি নিজে এখানে এসেছি। আমরা চাই হামের রোগীদের সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত হোক, ইমার্জেন্সি বিভাগে ডাক্তার উপস্থিত থাকুক, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রান্নার মান ঠিক থাকুক। আমি আসাতে অনেকে পরিষ্কার করে রেখেছে, তাও একটা ভীতি আছে। ভয় পেতে পেতে সব ঠিক হয়ে যাবে।

 

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কুমেক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাহজাহান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. মীর্জা তাইয়েবুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবুসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা।