Image description

বাংলাদেশের জনমিতিক কাঠামো সম্ভাবনাময়। কিন্তু একে দক্ষ করে গড়ে না তুললে, প্রযুক্তিবান্ধব না করলে পুরোপুরি সুফল মিলবে না।  ২০৫০ সালে যখন বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়বে তখন এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অর্থনীতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এসব মাথায় রেখে এখনই পরিকল্পনা না করলে বিপদ অনিবার্য

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) পরিচালিত ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী দেশের বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ। কিন্তু অনেকেই মনে করেন, প্রকৃত বেকারত্বের হার সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি। কারণ বিবিএস ব্যবহৃত ‘কর্মে নিযুক্ত ’ এর সংজ্ঞা অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘অর্ধ বেকার’ বা ‘ছদ্মবেশী বেকার’ হিসেবে উৎপাদন ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তর ও শাখা-প্রশাখায় ছড়িয়ে আছে, যার সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া সম্ভব নয়। তা ছাড়া দেশের মোট ৭ দশমিক ১৭ কোটি কর্মক্ষম শ্রমশক্তির একটি বিরাট অংশ উৎপাদনশীলতা ও অনানুষ্ঠানিক খাতে স্বকর্মে নিয়োজিত, যেখানে তাদের দক্ষতা এবং শ্রমশক্তির পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার ও বিকাশের সুযোগ সীমিত।

বাংলাদেশে প্রতি বছর ২০ থেকে ২২ লাখ তরুণ-তরুণী শ্রমবাজারে প্রবেশ করে, যার অধিকাংশই সরকারি কিংবা আনুষ্ঠানিক বেসরকারি খাতে চাকরি লাভে ব্যর্থ হয়। তাদের মধ্যে শিক্ষিত চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থা অধিক শোচনীয়। তথাকথিত ‘ফুলপ্যান্ট পরিহিত’— অর্থাৎ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এর আগে উল্লিখিত ২০২৪-এর শ্রমশক্তি জরিপ প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্নাতকপর্যায়ের শিক্ষিত বেকারত্বের হার ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, যা জাতীয় বেকারত্বের হার অপেক্ষা অনেক বেশি। প্রতি বছর দেশে প্রায় ছয়-সাত লাখ নারী-পুরুষ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

‘লুঙ্গি পরিহিত’ স্বল্পশিক্ষিত বা শিক্ষাবিহীনদের ক্ষেত্রে চাকরির বাজার কিছুটা ভালো। অনেক কৃষকের সন্তানই শিক্ষালাভ করে চাকরির আশায় কৃষিক্ষেত্র ত্যাগ করেছেন। তাই কৃষিশ্রমিকরা ভালো মজুরিতে কাজ খুঁজে পাচ্ছেন, এমনকি অঞ্চলভেদে কখনো কখনো কৃষি খাত শ্রমিক সংকটে পড়ছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিক খাতে কিংবা সংগঠিত প্রতিষ্ঠানে স্বল্পশিক্ষিত বা শিক্ষাবিহীনদের জন্যও কাজের সংকট রয়েছে। অবশ্য তাদের মধ্যে যারা কোনো টেকনিক্যাল বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন, তারা দেশ-বিদেশে কর্ম লাভে সক্ষম হয়েছেন। অবশ্য হতদরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবারের সন্তানরা সব দিক থেকেই পিছিয়ে আছেন।

খাতভিত্তিক শ্রম নিয়োগ পরিস্থিতি

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী দেশের মোট কর্মক্ষম জনশক্তি প্রায় ৭ দশমিক ১৭ কোটি এবং দেশের কর্মসংস্থান সেবা খাত, কৃষি খাত ও শিল্প খাত— এই প্রধান তিনটি ভাগে বিভক্ত।

সেবা খাত হচ্ছে দেশের বৃহত্তম কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী খাত। মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৪ শতাংশ এই খাতে নিয়োজিত। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, পরিবহন, আবাসন, ব্যাংক-বীমা, সরকারি চাকরি ইত্যাদি এই খাতের অন্তর্ভুক্ত। এই খাত থেকে জিডিপির প্রায় ৫১ দশমিক ২৫ শতাংশ আসে।

কৃষি খাত থেকে জিডিপির মাত্র ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ এলেও দেশের ৩৫-৪০ শতাংশ মানুষ জীবিকার জন্য কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

শিল্প খাতে শ্রমশক্তির প্রায় ২১ শতাংশ নিয়োজিত। তৈরি পোশাকশিল্প খাত শ্রমিক নিয়োগে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। জিডিপির ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ আসে শিল্প খাত থেকে। দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে উপর্যুক্ত তিনটি খাতেই উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

জনমিতিক কাঠামোতে ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান

বাংলাদেশ বর্তমানে জনমিতিক লভ্যাংশ (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) ভোগ করছে। দেশের জনসংখ্যা বর্তমানে (২০২৬) প্রায় ১৭ দশমিক ৭৮ কোটি, যার মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশ কর্মক্ষম (১৫-৬৪ বছর বয়সী), জনসংখ্যার গড় বয়স ২৬ দশমিক ৩ বছর, যা উন্নত দেশের তুলনায় বেশ কম ও সুবিধাজনক। দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ নগরে বসবাস করে, ২০৪০-এর মধ্যে এ হার ৫০-এ দাঁড়াবে বা অতিক্রম করবে। বাংলাদেশের এই জনমিতিক কাঠামো দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ নানা চাপ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আমাদের বর্তমান জনমিতিক কাঠামো প্রবৃদ্ধিকে ধরে রেখেছে এবং রাখবে। ২০২৬ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ থেকে ৫ শতাংশ হবে বলে বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও আইএমএফ পূর্বাভাস দিয়েছে। বিশাল তরুণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশের কারণে ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ বিশ্বের নবম বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্তমান জনমিতিক কাঠামো ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ— উভয়ই তৈরি করেছে।

দক্ষতা ও উদ্ভাবনীনির্ভর উন্নয়ন কৌশল বেছে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। গার্মেন্টস বা প্রবাসী আয়ের মাধ্যমে যে প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও অটোমেশনের যুগে সেভাবে আর বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে না

ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান মূলত চতুর্থ বিপ্লব (4IR) দ্বারা প্রভাবিত হবে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ক্লাউড কম্পিউটিং এবং আইটি খাত প্রধান ভূমিকা পালন করবে। আমাদের দেশে বর্তমানে আইটি জ্ঞানসম্পন্ন মানুষের সংখ্যা মাত্র ৬ দশমিক ৫ লাখ। অন্যদিকে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব বাড়ছে। ২০২২ সালের এক জরিপ থেকে দেখা গেছে, ৪১ শতাংশ তরুণ কোনো শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণের (NEET) মধ্যে নেই। বিদেশে কর্মরত অদক্ষ-স্বল্পশিক্ষিত শ্রমিকদের ঘামে ভেজা রেমিট্যান্সপ্রবাহ দেশের অর্থনীতির একটি স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ২০৪০ পর্যন্ত জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা সহজেই ভোগ করতে পারবে। তবে এই সুবিধা পরিপূর্ণভাবে ভোগ করতে হলে কর্মক্ষম জনশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। অন্যথায় ২০৫০ সালের পর যখন বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, তখন আজকের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অর্থনীতির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

আমাদের শিক্ষা ও দক্ষতা: অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান

আমাদের দেশে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা এখনো ততটা গুরুত্ব পায়নি। একজন পিওর সায়েন্স গ্র্যাজুয়েট যখন দেখেন দেশে গবেষণার সুযোগ নেই এবং গবেষণাগারের চেয়ে ব্যাংকের ডেস্কে বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেশি, তখন তিনি এরূপ অসংগতির জবাব নিজের কাছেই খুঁজে পান না। নেতৃত্ব পর্যায় থেকে চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান করা হয় ঠিকই কিন্তু দেশে ‘উদ্ভাবনী উদ্যোক্তা’ তৈরির পরিবেশ নেই। আমরা শুধু ট্রেডিংনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি করছি, যা নতুন কিছু উৎপাদন করার চেয়ে কেনাবেচায় আগ্রহী। এই জাতীয় এন্টারপ্রাইজ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তেমন কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।

আমাদের দেশে একজন প্রকৌশলী কিংবা বিজ্ঞানীর চেয়ে একজন ‘আমলা’র সামাজিক মর্যাদা এবং ক্ষমতা অধিক। ফলে প্রকৌশল কিংবা মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটরা নিজস্ব পেশা ছেড়ে প্রশাসনিক চাকরিতে যোগ দিচ্ছেন। এটি রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগের চরম অপচয়। ভারত তাদের আইআইটির মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং গণিতকে (STEM) তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও একটি গ্ল্যামারাস পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শ্রীলঙ্কা দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে গ্লোবাল চেইনগুলোয় অবস্থান করে নিয়েছে। অন্যদিকে আমরা সস্তা শ্রমের (গার্মেন্টস ও রেমিট্যান্স) ওপর নির্ভর করে প্রবৃদ্ধি অর্জন করছি, যা চতুর্থ বিপ্লবের যুগে আমাদের পিছিয়ে দেবে।

বাংলাদেশ এতদিন পর্যন্ত উৎপাদনের উপকরণনির্ভর উন্নয়ন কৌশলের ওপর ভিত্তি করে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ঘটিয়েছে। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় আর প্রবৃদ্ধি ঘটানো সম্ভব নয়। আমাদের দক্ষতা ও উদ্ভাবনীনির্ভর উন্নয়ন কৌশল বেছে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। অর্থাৎ এতদিন ধরে যে সস্তা শ্রমের ওপর নির্ভর করে গার্মেন্টস বা প্রবাসী আয়ের মাধ্যমে যে প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও অটোমেশনের যুগে সেভাবে আর বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশের জন্য পরবর্তী ধাপ হতে হবে—  knowledge based economy বা ‘জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি’ গড়ে তোলা। শুধু বেকারত্ব কমানোর জন্য নয়, সম্ভাব্য middle income trap নামক সম্ভাব্য ফাঁদকে পাশ কাটিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এর কোনো বিকল্প নেই। তাই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে জিপিএ ৫-কেন্দ্রিক না করে গবেষণা ও উদ্ভাবনকেন্দ্রিক করা জরুরি। সামাজিক মর্যাদার মাপকাঠি অর্থবিত্ত-বংশমর্যাদা থেকে জ্ঞান ও দক্ষতাভিত্তিক করে গড়ে তুলতে হবে।

২০৫০ সালে কর্মসংস্থানের সম্ভাব্য প্রেক্ষাপট

২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ তার জনমিতিক লভ্যাংশের শেষপর্যায়ে অবস্থান করবে। আমাদের বর্তমানের জনগোষ্ঠী তখন অভিজ্ঞ জনশক্তিতে পরিণত হবে। তবে এই জনমিতিক লভ্যাংশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে কাজে লাগাতে হলে বর্তমানের শিক্ষিত বেকারত্ব সমস্যা দূর করতে হবে। শ্রমবাজারে কাঠামোগত পরিবর্তন জরুরি। ২০৫০ সালের কর্মসংস্থান শুধু সংখ্যা দিয়ে নয়, বরং কর্মের গুণমান এবং উৎপাদনশীলতা দিয়ে মূল্যায়ন হবে।

আগামী কয়েক দশকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন এবং রোবোটিকসের ব্যাপক প্রসার ঘটবে। প্রচলিত অনেক কায়িক শ্রমের চাহিদা কমে উচ্চতর কারিগরি দক্ষতা, বিশ্লেষণধর্মী ক্ষমতা এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে নতুন আঙ্গিকে নতুন ধরনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশে চলমান দক্ষতা উন্নয়ন কৌশল যদি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে ২০৫০ সালে বাংলাদেশের তরুণরা বৈশ্বিক সেবা খাত, উৎপাদন খাত এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

উন্নত এবং অনেক উন্নয়নশীল দেশের কর্মক্ষম জনশক্তির অভাব বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি করবে। ২০৫০ সালের আগেই অনেক দেশ যখন বার্ধক্যজনিত জনমিতিক সংকটে ভুগবে, তখন বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে ‘গ্লোবাল ট্যালেন্ট হাব’। তবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে আমাদের জনশক্তিকে আন্তর্জাতিক মানের পেশাদারি এবং ভাষা দক্ষতায় দক্ষ হতে হবে। বৈদেশিক বাজারের জন্য জনশক্তি তৈরি করার সময় শুধু শিক্ষা ও দক্ষতা নয়, বিদেশি নিয়োগকারীরা ঠিক কী চাচ্ছেন, তাও সঠিকভাবে উপলব্ধিতে নিতে হবে।

ভবিষ্যতের অর্থনীতি হবে পরিবেশবান্ধব। ২০৫০ সালের বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু অভিযোজন প্রযুক্তি, ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক ‘গ্রিন জবস’ বা সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন হবে দূরদর্শী নেতৃত্ব, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং পলিসি সাপোর্ট। এই সুদূরপ্রসারী উদ্ভাবনী খাতগুলোই হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এবং এ দেশের শিক্ষিত, প্রযুক্তিদক্ষ তরুণ-তরুণীর স্বপ্নের কাঙ্ক্ষিত কর্মস্থল।

 

লেখক: সাবেক সিনিয়র অর্থ র্সচিব