Image description
অর্থ সংকট, বিদেশি ঋণের চাপ

রেমিট্যান্স ছাড়া সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো নেতিবাচক ধারায়। রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি। অর্থ সংকটে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাব। মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী। নিত্যপণ্যের বাজার চড়া। জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে নাভিশ্বাস অবস্থা। এ ছাড়া নতুন সরকারের ইশতেহার পূরণে অগ্রাধিকারমূলক বিশেষ সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের মধ্যে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড ও ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। এসব নানামুখী চ্যালেঞ্জ নিয়েই আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী।

জানা গেছে, গণ-অভ্যুত্থান-উত্তর দেশের নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের প্রথম বাজেটকে জনবান্ধব করার জন্য রাত-দিন একাকার করে কাজ করছেন নীতিনির্ধারকরা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন প্রথম সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে জনপ্রত্যাশা ব্যাপক। এ কারণে বাজেটে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উচ্চতর জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের কার্যকর কৌশল নির্ধারণে গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।

আগামী ৭ই জুন সংসদে দেশের ৫৪তম বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এরপর ১১ই জুন উপস্থাপন করা হবে বাজেট। বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট বিভাগ সূত্র বলছে, করজাল বিস্তৃত করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় সাত লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে। নতুন বাজেটে এডিপি’র আকারও বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ তিন লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৩৯ শতাংশই থাকবে থোক ও বিশেষ বরাদ্দের আওতায়। বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণ থেকে এক লাখ ১০ হাজার কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।

সীমিত আয়ের মানুষদের স্বস্তি: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে সীমিত আয়ের মানুষদের স্বস্তি দিতে বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে করছাড়ের কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে বিলাসবহুল জীবনযাপন ও উচ্চমূল্যের পণ্যের ওপর বাড়তি করারোপের প্রস্তাবনাও থাকবে এবারের বাজেটে। সীমিত আয়ের মানুষের জীবনে স্বস্তি আনতে বাজেটে চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, আটা, ময়দা, পিয়াজ ও বিভিন্ন মসলার ওপর বিদ্যমান উৎসে কর বাতিল করা হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি নিত্যপণ্যের ওপর আরোপিত ১ শতাংশ টার্নওভার করও যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনার চিন্তা করা হচ্ছে। তবে অন্যান্য করের পরিধি একেবারে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত করারও পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া নতুন বাংলাদেশে জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিকে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফেরানোই এ বাজেটের মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র দাবি করছে।

বাজেটের আকার: অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া বাজেট থেকে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট হবে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার। সোয়া ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেটে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করছে অর্থ বিভাগ। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল সাত লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এটি কমিয়ে সাত লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।

এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে ২০ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ছয়গুণ বেশি।

বড় আকারের বাজেট করতে গিয়ে ঘাটতি প্রাক্কলন করা হয়েছে দুই লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপি’র ৩.৪ শতাংশ। অথচ চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার আগের অর্থবছরের তুলনায় কম হলেও বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে জিডিপি’র ৩.৪ শতাংশ, যা আগামী বাজেটের প্রাক্কলিত ঘাটতির তুলনায় বেশি। এ ঘাটতি পূরণে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ইশতেহার পূরণে অগ্রাধিকার: বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটের খসড়ায় নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো কল্যাণমূলক কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ১৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ সামাজিক উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কৃষক কার্ডের জন্য এক হাজার ৪০০ কোটি টাকা এবং ইমাম-পুরোহিতদের ভাতার জন্য এক হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা দেয়া হবে। প্রস্তাবিত বরাদ্দ অনুযায়ী প্রায় ৪৮ লাখ ৩০ হাজার পরিবার এ সুবিধা পেতে পারে। গড় পরিবার সদস্যসংখ্যা বিবেচনায় সরাসরি উপকারভোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় দুই কোটি ছয় লাখ।

প্রস্তাবিত এডিপি’র মধ্যে প্রায় এক লাখ সাত হাজার ২০১ কোটি টাকা রাখা হচ্ছে নতুন প্রকল্প অনুমোদনসহ বিভিন্ন খাতে থোক বরাদ্দ হিসেবে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ প্রয়োজন মেটাতে আরও ৯ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা সংরক্ষিত রাখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট এডিপি’র প্রায় ৩৯ শতাংশই থাকবে থোক ও বিশেষ বরাদ্দের আওতায়।
পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে নির্বাচনী ইশতেহার গুরুত্ব পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বলা হচ্ছে, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশকে বাজেটে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এজন্য চলচ্চিত্র, সংগীত-শিল্প, স্পোর্টস ও গ্রামীণ সংস্কৃতি বিকাশে বাজেটে বাড়তি গুরুত্ব থাকছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়া ও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার ঘোষণার পাশাপাশি অ্যাথলেটদের জন্য প্রণোদনা দেয়া শুরু করেছে বিএনপি সরকার।

এডিপি’র আকার বাড়ছে: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ বর্তমান সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে তিন লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এটিই হতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ উন্নয়ন বাজেট। এর ফলে সরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে আশা করছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। উন্নয়ন বাজেটে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও বিশেষ প্রয়োজন মেটাতে আরও ২০ হাজার ৭৫১ কোটি ১০ লাখ টাকার থোক বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশই এবার সামাজিক ও বিশেষ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় যাচ্ছে।

ভর্তুকি-প্রণোদনা: বাজেটের আকার বড় হলেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেল আমদানির ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ভর্তুকি বরাদ্দ পুরোপুরি প্রাক্কলন করা হয়নি। আগামী অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ৩৭ হাজার কোটি টাকা, এলএনজিতে ছয় হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সারে ২৭ হাজার কোটি টাকা ও খাদ্য সহায়তায় ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দসহ মোট ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণে এক লাখ ১৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা। ইরান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের মার্চ-জুন সময়ে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

সরকারি ব্যয় বাড়ছে: ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে উন্নয়ন খাতে থাকছে তিন লাখ কোটি। বাকি ছয় লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা অনুন্নয়ন খাতে। সরকারের এ অনুন্নয়ন বা পরিচালন ব্যয় লাফিয়ে বাড়ছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারি ব্যয় কমানোর নানা উদ্যোগের কথা বলেছিল। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়ন, ভর্তুকি ও ঋণের সুদ খাতে ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে বাড়াতে হচ্ছে অনুন্নয়ন বাজেট।

কালোটাকা সাদা করার সুযোগ: দেশে ও বিদেশে থাকা অপ্রদর্শিত সম্পদ বা অর্থ বৈধ করার জন্য আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিশেষ কর সুবিধা চালুর কথা বিবেচনা করছে সরকার। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ধনীদের জন্য আসছে ‘সম্পদ কর’: বাজেটে সবচেয়ে বড় কাঠামোগত পরিবর্তন হতে যাচ্ছে সম্পদ কর বা ‘ওয়েলথ ট্যাক্স’ চালুর মাধ্যমে। বর্তমানে চার কোটি টাকার বেশি সম্পদের ক্ষেত্রে সারচার্জ আরোপ করা হয়। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, সরাসরি সম্পদের নিট মূল্যের ওপর কর ধার্য করা হবে।

জানা গেছে, আগামী অর্থবছরে ৬.৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এ ছাড়া বিনিয়োগকে জিডিপি’র ৩১.৪ শতাংশে উন্নীত করা এবং রাজস্ব আয় জিডিপি’র ১০.১৭ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে।

বর্তমানে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নতুন বাজেটে এটি বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী অর্থবছরে এনবিআরের মাধ্যমে ৬ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে চায় সরকার।
বাংলাদেশে কিশোর ও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় পাবজি মোবাইল, কল অব ডিউটি (সিওডি), ইএ স্পোর্টস সকার (ফুটবল) প্রভৃতি গেমসে কর বসানোর কথা ভাবছে সরকার।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আইনি সংজ্ঞা স্পষ্ট না থাকলে কর আরোপ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হতে পারে।’

জাহিদ হোসেন বলেন, রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, এটা কখনো আদায় সম্ভব নয়। যত ভালো পদক্ষেপই নেয়া হোক না কেন, এটা আদায় হবে না।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি সঠিকভাবে প্রণয়ন করা জরুরি। সাশ্রয়ী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি করতে হবে। এডিপিতে অহেতুক ব্যয় কমাতে হবে।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, অর্থনীতি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। সরকারের ঋণের পরিমাণ বাড়ছেই, রপ্তানি আয় নিম্নগামী। ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়। সরকারের পরিচালন ব্যয় বাড়ছে। গ্যাস না থাকায় কল-কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এসব বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়ন জরুরি।

শনিবার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নতুন করে করহার বাড়ানো হবে না। তবে কর আদায়ের ভিত্তি বাড়িয়ে রাজস্ব বাড়ানো হবে।

এ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘আমরা একটা করব্যবস্থার মধ্যে আছি, যেখানে আমরা প্রতিনিয়ত হয়রানির ভয় পাই। এই ভয় ভাঙতে হবে। বাংলাদেশে আমরা যারা কর দিই, তারা নিজেরটা দিই, আবার যারা দেন না, তাদেরটাও দিই। আমরা এটা থেকে মুক্তি চাই।’