Image description

দেশের মৎস্যজীবীদের একটি বড় অংশ নারী হলেও তাদের কাজের স্বীকৃতি নেই। বিশেষ করে উপকূলের নারীদের জীবন যেন এক অবিরাম সংগ্রামের নাম। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে লবণাক্ততা ও দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস তাদের। সমাজের কুসংস্কার, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা আর স্বাস্থ্যঝুঁকির মতো নানা চাপে তারা হারাচ্ছেন স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকার। যে নারী স্বামী হারানোর শোক সামলে সন্তানদের মানুষ করতে নদীতে নামেন, দিনমজুরি করেন, তিনিই আবার লবণাক্ত পানির কারণে ভোগেন বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায়। নিরাপদ পানির অভাব, সচেতনতার ঘাটতি ও চিকিৎসাসেবার অপ্রতুলতা তাদের ঠেলে দিচ্ছে নীরব স্বাস্থ্য সংকটে। অনেকেই বাধ্য হয়ে শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। এ জনপদের নারীরা তাই শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার নন, তারা লড়ছেন সমাজ, পরিবেশ এবং শরীরের ভেতরের অদৃশ্য যন্ত্রণার সঙ্গেও। এখন প্রশ্ন হলো কেন টিকে থাকার জন্য তাদের লড়াই।

তাদের এই লড়াইয়ের প্রধান কারণগুলো হলো চরম দারিদ্র্য, জীবন-জীবিকার লড়াই এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব। তারা বলছেন, উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় পুরুষদের একার আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। পরিবারকে টিকিয়ে রাখতে নারীরা বাধ্য হয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নামেন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলের কৃষিজমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং পানির লবণাক্ততা বেড়েছে। এর ফলে চাষাবাদ বা অন্য কাজ না পেয়ে নারীরা বিকল্প হিসেবে মাছ ধরা, কাঁকড়া ধরা বা মাছ শুকানোর কাজ বেছে নিচ্ছেন। এ ছাড়া স্বামীর অক্ষমতা বা মৃত্যুও একটি কারণ। অনেক ক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যু বা শারীরিক অক্ষমতার কারণে পরিবারের হাল ধরতে নারীরা জাল টানা বা মাছ ধরার মতো কঠিন কাজ করতে বাধ্য হন। তা ছাড়া উপকূলীয় এলাকায় নারীদের জন্য কাজের সুযোগ খুবই সীমিত। বাধ্য হয়েই তারা নিজেদের ঘরে বসে থাকার পরিবর্তে মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ ও আহরণের কাজ করেন। যদিও তারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত বছরের পর বছর। কিন্তু জেলে হিসেবে স্বীকৃতি বা সরকারি সহায়তা (জেলে কার্ড) পান না তারা।

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ পূর্ব কালিনগর এলাকার সাবিনা খাতুন উপকূলীয় পেশাগত সংকটের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তার স্বামী আব্দুস সালাম সুন্দরবনকেন্দ্রিক জেলে। 

সাবিনা জানান, যখন বনে ঢোকায় নিধেষাজ্ঞা বন্ধ থাকে, তখন সালাম অচল হয়ে পড়েন। ঘরে বসে থাকা ছাড়া তার করার কিছুই থাকে না। কিন্তু পেট তো আর নিষেধাজ্ঞা বোঝে না। ঋণের কিস্তি আর সংসারের টানে তখন তাকেই রোদে পুড়ে, জলে ভিজে পরের ঘেরে মজুরি দিতে হয়। লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে আবাদি জমি কমে যাওয়ায় বিকল্প কাজের সুযোগ এখন কেবল শ্রমনির্ভর ঘেরেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

Satkhira pic (5)নিরাপদ পানির অভাব, সচেতনতার ঘাটতি ও চিকিৎসাসেবার অপ্রতুলতা তাদের ঠেলে দিচ্ছে নীরব স্বাস্থ্য সংকটে

 

সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, বিশেষ করে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম রক্ষায় প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে বনে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এ সময়ে পুরুষ বনজীবী ও জেলেরা কর্মহীন হয়ে পড়লে সাবিনার মতো শত শত নারী হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে পরিবারের মুখে খাবার জোগান। সুন্দরবনের জোয়ার-ভাটায় নির্ধারিত হয় শ্যামনগর, আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলার হাজার হাজার মানুষের ভাগ্য। বর্তমানে সুন্দরবনে মৎস্য ও কাঁকড়া আহরণ স্বাভাবিক থাকলেও বছরে দুই দফায় নিষেধাজ্ঞা উপকূলীয় অর্থনীতিতে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে। যখন বন বিভাগ মাছ ও কাঁকড়া ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়, তখন এই উপকূলীয় জনপদে নেমে আসে নীরব দুর্ভিক্ষ। এই সংকটকালে পুরুষের অলসতা বনাম নারীর ‘কঠোর শ্রমের’ আড়ালে লুকিয়ে আছে করুণ পারিবারিক বাস্তবতা।

স্থানীয়দের নারী জেলেদের ভাষ্যমতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড় ও অনিশ্চিত আবহাওয়ার কারণে বিকল্প আয়ের সুযোগও দিন দিন কমে যাচ্ছে। ফলে নিষেধাজ্ঞার সময় সংকট আরও তীব্র হয়ে ওঠে। 

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা রেঞ্জে নিবন্ধিত জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালির সংখ্যা ছয় হাজার ৫০০ জন হলেও পরোক্ষভাবে দেড় লাখের বেশি মানুষ এই বনের ওপর নির্ভরশীল। আবার নিবন্ধিতদের মধ্যে সবাই পুরুষ। এখানে নারীদের কোনও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি কিংবা নিবন্ধন করা হয়নি।

Satkhira pic (4)অনেকেই বাধ্য হয়ে শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়ছেন

বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও প্রজনন নিশ্চিত করতে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় বনে প্রবেশাধিকার ও সম্পদ আহরণে নিষেধাজ্ঞা থাকে। এর মধ্যে জুন, জুলাই ও আগস্ট-এই তিন মাস সুন্দরবনের পর্যটনসহ সব ধরনের বনজ সম্পদ আহরণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। এ ছাড়া জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই দুই মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম হওয়ায় সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরা নিষিদ্ধ থাকে। তবে এই সময়ে মাছসহ অন্যান্য বনজ সম্পদ আহরণ কার্যক্রম চালু থাকে। মূলত বনের প্রাণপ্রকৃতি সংরক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিষয়টি মাথায় রেখেই এই নিয়মগুলো কার্যকর করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ এলাকার বনজীবী নেপাল সানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে সুন্দরবনের ওপর নির্ভর করেই বড় হয়েছি। বনে যাওয়া বন্ধ থাকলে অন্য কোনও কাজ আমাদের জানা নেই। এলাকায় বিকল্প কাজের সুযোগও নেই। বাধ্য হয়ে নারীদের কাজে পাঠাতে হয়। কেউ কেউ ইটভাটায় কাজ করেন। আবার কেউ খুলনা ও ঢাকায় রিকশা চালাতে যান। কিন্তু আমি ওসব কাজ জানি না। নিষেধাজ্ঞার সময় কর্মহীন হয়ে বাড়িতেই থাকি। এভাবে আর কয়দিন উপাস থাকা যায়। একপ্রকার বাধ্য হয়ে ঘরের নারীরা কাজে যাচ্ছেন। এ ছাড়া প্রতিনিয়ত আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস আমাদের সব সঞ্চয় শেষ করে দিয়েছে। কিছুই নেই।’

সুন্দরবন গবেষক পীযূষ বাউলিয়া পিন্টু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কেবল শ্যামনগর উপজেলায় প্রায় ৪০ থেকে ৬০ বনজীবী রয়েছেন। বছরে দুই দফায় নিষেধাজ্ঞার ফলে তৈরি হয় দীর্ঘমেয়াদি বেকারত্ব। সুন্দরবন সংলগ্ন ৫ থেকে ৭ হাজার পরিবার আছে, যারা কেবল বনজ সম্পদ ছাড়া অন্য কোনও পেশায় অভ্যস্ত নয়। বন বন্ধ থাকার অর্থ হলো এই হাজার হাজার পরিবারের আয়ের উৎস পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া। তখন উপকূলীয় জেলে পরিবারগুলোর টিকে থাকার লড়াইয়ে নারীরাই প্রধান চালিকাশক্তি হন। এই নারীরা বহুমুখী কাজে দক্ষ; তারা গাঙে জাল টানা থেকে শুরু করে রেণু পোনা সংগ্রহ, মাছ ও কাঁকড়া ধরা এবং চিংড়ি ঘেরে শ্রমিকের কাজও করেন। এমনকি মাটি কাটার মতো কঠিন শ্রমেও তারা পিছিয়ে নেই। নারীদের এই বহুমুখী কর্মতৎপরতার ওপর পুরো পরিবার নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তবে যখন তারা কাজ করতে পারেন না, তখনই পরিবারগুলো চরম অর্থকষ্টে পড়ে এবং ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এই নিষেধাজ্ঞার সময়গুলোতে জেলেরা অন্য কোনও পেশায় সহজে যুক্ত হতে পারেন না। ফলে এক ধরনের দীর্ঘমেয়াদি বেকারত্ব তৈরি হয়। অনেক বনজীবী দাদন চক্রে জড়িয়ে পড়েছেন। মাছ বা কাঁকড়া ধরার সরঞ্জাম থাকলেও ঋণের জালে আটকা পড়ে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারছেন না। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ বাড়ছে, যা এই মৌসুমি বেকারত্বকে আরও দীর্ঘ ও অনিশ্চিত করে তুলছে।’

Satkhira pic (3)জনপদের নারীরা তাই শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার নন, তারা লড়ছেন সমাজ, পরিবেশ এবং শরীরের ভেতরের অদৃশ্য যন্ত্রণার সঙ্গেও

এই পরিস্থিতির একটি অন্ধকার দিক তুলে ধরেন মানবাধিকারকর্মী মাধব দত্ত। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পুরুষরা কাজ না পেলে নারীরা কাজে যেতে বাধ্য হন। নারীদের মজুরি তুলনামূলক কম হওয়ায় মালিকপক্ষ তাদের নিতে বেশি আগ্রহী থাকে। এর ফলে এক ধরনের শ্রম শোষণ তৈরি হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি সহায়তা হিসেবে কেবল চাল দেওয়া হয়, যা একটি পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়।’

তার ভাষ্যমতে, শুধু চাল দিয়ে সংসার চলে না। নগদ টাকা ও নিত্যপণ্যের সমন্বয়ে একটি ‘পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ’ দেওয়া প্রয়োজন, যাতে বনজীবীরা অবৈধ পন্থা গ্রহণে বাধ্য না হন। এ ছাড়া মৎস্য অধিদফতরের ‘জেলে কার্ড’ এবং বন বিভাগের ‘বিএলসি’ (বোট লাইসেন্স সার্টিফিকেট) ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। প্রকৃত বনজীবীদের পরিবর্তে অনেকে ঘরে বসে বা পুকুরে মাছ ধরেও জেলে কার্ড পাচ্ছেন, যা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার খর্ব করছে।

এসব বিষয়ে সাতক্ষীরা জলবায়ু পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় পুরুষরা কাজের সন্ধানে দীর্ঘ সময় এলাকার বাইরে বা সাগরে অবস্থান করেন। এর ফলে এই এলাকার পরিবারগুলো কার্যত নারীনির্ভর হয়ে পড়েছে। সংসারের পুরো দায়িত্ব নারীদের কাঁধে এসে পড়ছে। সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ বা বন্ধ থাকাকালীন এই এলাকার অধিকাংশ পুরুষ বেকার হয়ে পড়ে। তারা মূলত জঙ্গল-নির্ভর হওয়ায় বনের বাইরে অন্য কাজে অভ্যস্ত নয়, ফলে এই সময়ে তারা কর্মহীন হয়ে বসে থাকেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিবার রক্ষার তাগিদে উপকূলীয় নারীরা মাছের পোনা ধরা থেকে শুরু করে দিনমজুরির মতো কঠোর শ্রমে যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন। জীবনধারণের প্রয়োজনে তারা এমন সব কাজ করছে যা অনেক সময় তাদের শারীরিক সামর্থ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। স্থিতিশীল কাজের অভাব এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে পুরুষরা অনেকটা উদ্বাস্তুর মতো জীবনযাপন করছেন। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের শিশু, বৃদ্ধ এবং অন্য সদস্যদের ভরণপোষণের মূল ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছেন নারীরাই। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে কাজের যে বিপর্যয় ও ক্ষেত্র সংকুচিত হয়েছে, এটি তারই একটি চরম প্রতিফলন।’

Satkhira pic (2)নারীরা বিকল্প হিসেবে মাছ ধরা, কাঁকড়া ধরা বা মাছ শুকানোর কাজ বেছে নিচ্ছেন

জলবায়ু পরিষদের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘উপকূলীয় অঞ্চলে লোনা পানির আগ্রাসনে জীবন-জীবিকার প্রথাগত উৎসগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পুরুষরা আজ নিজ ভূমিতেই অনেকটা জলবায়ু উদ্বাস্তুর মতো। এই শূন্যতা পূরণে নারীরাই এখন সংসারের ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন।’

সাতক্ষীরা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা ফজলুল রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বন বিভাগের বিএলসি অনুযায়ী সরাসরি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হলে তা হবে শতভাগ নির্ভুল এবং প্রকৃত বনজীবীরাই তা পাবেন। বনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বর্তমানে সহব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য ২৯ লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার আওতায় মাছ-কাঁকড়া চাষ ও হাঁস-মুরগি পালনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’

তবে বন বিভাগ এককভাবে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে না। বন কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, খাদ্য, মৎস্য ও বন বিভাগের মধ্যে একটি সমন্বিত ও ইনক্লুসিভ পরিকল্পনা থাকলে এবং দাদন চক্র নিরসনে বিশেষ ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে বনজীবীদের জীবনমানের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় জীবিকায় যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা সমাধান না হলে এই সংকট আরও দীর্ঘমেয়াদি রূপ নেবে।