Image description

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র এখনো জমা পড়েনি। এগুলো দ্রুত জমা ও উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে বুধবার (৬ মে) জেলা প্রশাসক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। এ বিষয়ে প্রয়োজনে মামলা দায়ের এবং অস্ত্র বাজেয়াপ্তের নির্দেশনার কথাও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত নীতি বহির্ভূতভাবে দেওয়া অস্ত্রের লাইসেন্সগুলো জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারসহ নানা বিষয়ে ডিসিদের কাছে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে দায়ের করা রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক গায়েবি মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সুপারদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি এ সংক্রান্ত আবেদন যাচাই করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব মামলা আমরা নিষ্পত্তি করবো না। আমরা আইন মন্ত্রণালয় পাঠাবো। যেসব মামলা গুরুত্ব আছে বলে তারা মতামত দেবে সেগুলো চলবে, বাকিগুলো প্রত্যাহার করতে বলা হবে। এই তালিকা এক মাসের মধ্যে পাঠাতে বলেছি। যদি কোনও জেলা ন্যায় বিচারের স্বার্থে কিছুটা সময় বেশি নেয় তাতে খুব বেশি সমস্যা হবে বলে মনে করি না।

শুধু রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, হত্যা, অস্ত্র ও মাদক পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের ঘটনায় হওয়া মামলা এই প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবে।