Image description

পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভার নির্বাচনের ফলাফলে ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বাধাগ্রন্থ হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ-উর রহমান।

 

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকান্ড তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টার কাছে প্রশ্ন ছিলো, গতকাল প্রতিবেশী দেশ পশ্চিমবঙ্গে একটা নির্বাচন হয়েছে। এই নির্বাচন সম্পর্কে বাংলাদেশের কোনো পর্যবেক্ষন আছে কিনা বা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি আছে কিনা?

জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘‘এটা (পশ্চিবঙ্গের নির্বাচন) নিয়ে কোনো অবজারভেশন নেই। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে যারা জিতবেন, যেই জিতুক প্রথম কথাটা হচ্ছে আমরা আসলে পশ্চিমবঙ্গের সাথেও খুব বেশি আলাদা করে চিন্তা করতে চাই না। যেমন ধরুন, আমাদের তিস্তা চুক্তি একসময় পশ্চিমবঙ্গকে আলাপে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। দুটো রাষ্ট্রের মধ্যে যখন চুক্তি হয় আসলে এটা দুটো রাষ্ট্রের চুক্তি হবে। তবে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজ্যগুলোর মধ্যে জনগণ যাদেরকে নির্বাচিত করবে… হ্যাঁ আমরা যেহেতু আমাদের একদম প্রতিবেশী এবং আমাদের সবচেয়ে লম্বা সীমান্ত রাজ্যের সাথে আমাদের এই সম্পর্ক ইন্টারকশন এটা কন্টিনিউ করবে। কিন্তু আমরা যেটা বলতে চাই, ভারত এজ এ স্টেট পুরো রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সাথে তার যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক আমাদের যে ইন্টারেকশন, আমাদের পারস্পরিক বেনিফিটের যে সম্পর্ক সেটা কোনো ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হবে না।

সোমবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে বড় জয় পেয়েছে বিজেপি। বেসরকারি ফলাফলে দলটি দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পেতে চলেছে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারির কাছে ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এটা নিয়ে আসলে হয়ত প্রশ্নটা এই কারণে আসে যে, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বাংলাদেশ একটা ফ্যাক্টর হয়েছে, বাংলাদেশকে নিয়ে নানা বক্তব্য দিয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এগুলো সব এক ধরনের পলিটিক্যাল রেটরিক। সরকার গঠিত হওয়ার পর আমাদের সাথে সুন্দর সহযোগিতা সম্পর্কই থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ আলম এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল উপস্থিত ছিলেন।