Image description

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবসহ মানবসৃষ্ট নানা কারণে দেশে কমছে ইলিশ উৎপাদন। দুই বছরের ব্যবধানে এ মাছের উৎপাদন ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমেছে, পরিমাণের হিসাবে যেটি ৭১ হাজার টনের বেশি।

দুই দশকের মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড ৫ লাখ ৭১ হাজার টনের বেশি ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল। এরপর টানা দুই বছরে সেটি কমে গত অর্থবছরে পাঁচ লাখ টনে নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, অতিরিক্ত ও বেআইনি আহরণ, ইলিশের অভয়াশ্রম ও প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস হওয়া, কারেন্ট জাল ব্যবহার, নদীতে চর, দূষণসহ সাগরে মৎস্য আহরণের নিষিদ্ধ সময়ের ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ ব্যবধানের কারণে এমনটি ঘটে থাকতে পারে। অবশ্য তারা বলছেন, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে দেশে আবারো ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে দেশে ২ লাখ ৯৫ টন ইলিশ উৎপাদন হয়। তবে এর পর থেকে প্রতি বছরই এর পরিমাণ বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড উৎপাদন হয় ৫ লাখ ৭১ হাজার ৩৪২ টন। তবে এরপর টানা দুই বছর ইলিশ উৎপাদন কমেছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন দাঁড়ায় ৫ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৭ টনে এবং ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসে তা দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ টনে।

মৎস্য অধিদপ্তর ইলিশ উৎপাদন কমে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি মুখ্য কারণের কথা জানিয়েছে। সংস্থাটি বলছে জলবায়ু পরিবর্তন, বেআইনি মৎস্য আহরণ, ইলিশের অভয়াশ্রম ও প্রজনন স্থান নষ্ট, জেলি ফিশ বেড়ে যাওয়া, বিগত সময়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মৎস্য আহরণের নিষিদ্ধ সময়ের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধান, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও দূষণের কথা। পাশাপাশি তারা ইলিশের জেনেটিক্যাল পরিবর্তন ঘটে থাকতে পারে বলেও ধারণা করছে। কেননা গত কয়েক বছরে আহরিত মাছের গড় দৈর্ঘ্য কমে এসেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। অর্থাৎ আগের তুলনায় ইলিশের আকার ছোট হয়েছে। আকার ছোট হওয়ায় ইলিশের মোট ওজনেও তার প্রভাব পড়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশসম্পদ ব্যবস্থাপনা শাখার উপপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. আবুল কালাম আজাদ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সাগর ও নদীর মোহনায় ডুবোচর বেড়েছে। এতে ইলিশের চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। নদীর নাব্য কমে যাওয়া এবং জলবায়ুজনিত অভিঘাত ইলিশ উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’

বিভাগওয়ারি হিসাবে বরিশাল ও চট্টগ্রামে বেশি ইলিশ আহরণ হয়। ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনা করলে দেখা যায়, এক বছরের তুলনায় বরিশাল বিভাগে ইলিশ আহরণ কমেছে ২৩ হাজার ৫০৯ টন। বিভাগের ছয়টি জেলাতেই ইলিশ উৎপাদন কমেছে। সবচেয়ে বেশি ১১ হাজার ৩২০ টন কমেছে ভোলায়। এরপর বরগুনায় ৫ হাজার ৯১৩ টন এবং ৪ হাজার ৪৫৫ টন কমেছে পটুয়াখালীতে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বিভাগে ইলিশ আহরণ কমেছে ১৬ হাজার ৭১১ টন। এর মধ্যে চাঁদপুর জেলায় ২ হাজার ৫৮১ টন, চট্টগ্রামে ৫ হাজার ৮৮৪, কক্সবাজারে ৩ হাজার ৬৯৬, লক্ষ্মীপুরে ১ হাজার ৩১৭ ও নোয়াখালীতে কমেছে ৩ হাজার ১৭১ টন।

বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. হাদিউজ্জামান জানান, নদীতে চর জেগে ওঠার কারণে জাটকা সমুদ্রে যেতে পারছে না। ফলে ছোট ইলিশ আগেই জেলেদের জালে ধরা পড়ছে এবং বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। পাশাপাশি সমুদ্র থেকেও সরবরাহ কমে যাওয়ায় সংকট আরো তীব্র হয়েছে।

এ জেলার মৎস্যজীবী আবদুর রহমান বলেন, ‘নদী এখন কার্যত ইলিশশূন্য। এভাবে চলতে থাকলে বরিশাল একসময় পুরোপুরি ইলিশশূন্য হয়ে পড়বে।’ তিনি দূষণ ও ডুবোচর ঠেকানোসহ কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান।

জেলার পাইকারি মাছ বিক্রেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, ‘গত বছর দৈনিক ২০০ মণ ইলিশ এলেও এবার ২০ মণও আসছে না। ফলে এবার বৈশাখে ইলিশের সংকট তৈরি হয়েছে।’

পদ্মা-মেঘনা নদীতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন জেলেরা। তাদের ভাষ্য, দিন দিন ইলিশ আরো কমছে। ইলিশ গবেষকরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরে তাপমাত্রা বাড়ছে। তাপমাত্রা বাড়ায় ইলিশ তার গতিপথ পাল্টাচ্ছে। এছাড়া মেঘনার মোহনায় চর জেগে ওঠায় নাব্য কমেছে, ফলে ইলিশের স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। নির্বিচারে মা-ইলিশ ও জাটকা ধরা; কারেন্ট জাল ব্যবহার; নদী ও উপকূলীয় এলাকায় শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক ও কীটনাশকের কারণে ইলিশের খাদ্যশৃঙ্খল ও বাসস্থান নষ্ট হওয়া; নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ার মতো বিষয় ইলিশ উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব রাখছে।

ইলিশ গবেষক ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (নদী কেন্দ্র) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আনিছুর রহমান বলেন, ‘চর জাগায় নদীতে গতিপথ পাল্টানোর কারণ রয়েছে। নদীতে নৌযানের কারণে অবাধে পানিদূষণ, নদীতীরবর্তী ফসলের খেতে বিভিন্ন ধরনের সার ব্যবহারের ফলে পানি দূষিত হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন চাঁদপুর অঞ্চলে ইলিশ কম পাওয়াটা স্বাভাবিক। কারণ বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্মা নদীর দূষণ এবং পদ্মা-মেঘনায় চর ও ডুবোচরের কারণে কিছু সমস্যা হচ্ছে। আমরা শুধু নদী থেকে জাল দিয়ে ইলিশ ধরে খাচ্ছি। কিন্তু তাদের চলাচলের পথ সুগম করার ব্যবস্থা নিচ্ছি না।’

নদীতে অবাধে জাটকা ও মা-ইলিশ নিধনের অভিযোগ রয়েছে। মৎস্যবিজ্ঞানীরা বলছেন, বিগত কয়েক বছরে জেলের সংখ্যা বেড়েছে। অনেক বড় ট্রলার বেআইনিভাবে অল্প পানিতে ইলিশ আহরণ করছে। তারা যখন গভীর পানিতে ইলিশ পায় না তখন অল্প পানিতে ছোট ইলিশ ধরে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এটিও উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে।

চাঁদপুর নদী কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আমিনুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা, জাটকা সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধিতে গণসচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিতে হবে। ইলিশসম্পদ রক্ষার জন্য সরকারি নির্দেশনার পাশাপাশি সামাজিক শৃঙ্খলা ও জেলেদের বিকল্প আয়ের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

বিশেষজ্ঞ ও মৎস্যবিজ্ঞানীরা বলছেন, দূষণ ও মানবসৃষ্ট নানা বিপর্যয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমারের মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ের মধ্যে দীর্ঘ পার্থক্য ছিল। বঙ্গোপসাগরে এ তিন দেশ ইলিশ আহরণ করে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার নিষিদ্ধ সময়ের মধ্যে ব্যবধান ছিল ৩৯ দিন। বাংলাদেশে ২৩ জুলাই ব্যান পিরিয়ড (নিষিদ্ধ সময়) শেষ হলেও ভারতে সেটি হতো ১৫ জুন। ফলে বাংলাদেশে ‘নিষিদ্ধ সময়’ থাকলেও ভারতীয় জেলেরা সে সময় সাগরে মাছ শিকার করেছেন, যা ইলিশের প্রজননে প্রভাব ফেলেছে। তবে ২০২৫ সাল থেকে তিন দেশ কাছাকাছি সময়ে ব্যান পিরিয়ড ঘোষণার বিষয়ে একমত হয়েছে।

ইলিশ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা. ইয়ামিন হোসেন। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ইলিশ কমে যাওয়ার পেছনে কয়েকটি বড় কারণ রয়েছে। নাব্য কমায় প্রজনন মৌসুমে নদীগুলোতে একেবারেই স্রোত থাকে না। ফলে সাগর থেকে নদীতে চলাচলের পথে বাধা তৈরি হয়। জাটকা ও মা-ইলিশ আহরণ বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে না পারার বিষয়টিও রয়েছে। গত বছর থেকে সাগরে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে কাছাকাছি সময়ে ব্যান পিরিয়ড কার্যকরের বিষয়ে যৌথ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু নদীভিত্তিক বিষয়টি এখনো একসঙ্গে হয়নি। ফলে বাংলাদেশে যখন পদ্মায় ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ তখনো ভারতের জেলেরা ইলিশ শিকার করছেন। এতে মা-ইলিশ ধরা পড়ায় উৎপাদনেও প্রভাব পড়ছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে উৎপাদন কমার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ইলিশ বাঁচে পাঁচ বছর। ২০২১ ও ২০২২ সালে উপকূল অঞ্চলে ব্যাপক ‍বৃষ্টিপাত হয়। ফলে সে সময় ব্যাপকভাবে ইলিশও ধরা পড়ে। এতে নদীতে বড় ইলিশ কমে গেছে। এ কারণে এখন যেসব মাছ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো বিগত পাঁচ-ছয় বছরের তুলনায় অনেকটাই ছোট। পাঁচ বছর পরপর ইলিশের সার্কেল পরিবর্তন হয়। ২০২৭-এর শেষে এবং ২০২৮ সালে গিয়ে উৎপাদন বাড়তে পারে।’

ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণ শীতলক্ষ্যা হয়ে মেঘনায় যাচ্ছে। আর মেঘনা ইলিশ মাছের অন্যতম চলাচলের ক্ষেত্র। দিন দিন দূষণ বৃদ্ধির ফলে এখানে মাছের চলাচল কমে এসেছে জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়ামুল নাসের বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দূষণের কারণে পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে যেকোনো মাছ তার আবাস বদলায়। একইভাবে ইলিশ যখন দেখে পদ্মা বা মেঘনায় দূষণ, তখন সে ওই এলাকায় আর ডিম পাড়তে আসে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেশের নদীগুলো দূষিত হওয়ার পাশাপাশি প্রবাহ নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে ইলিশ মাছ আগের মতো আর ভেতরে ঢুকতে পারে না। সরকারকে অবশ্যই গুরুত্ব বিবেচনায় নদীগুলো খনন করতে হবে। বিশেষ করে রাজশাহীর পবা নদীর অবস্থা খুবই খারাপ। সেখানে খনন করলে আশা করা যায় তা ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক হবে।’

ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে মৎস্য অধিদপ্তর। ২০২১ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া ২২৯ কোটি টাকার এ প্রকল্প শেষ হবে আগামী জুনে। ‘ইলিশসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ নামের এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল মা-ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণে মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন; অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো; জাটকা ও মা-ইলিশ আহরণকারী ৩০ হাজার জেলে পরিবারের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা; জেলেদের মধ্যে জাল বিতরণ এবং প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে মা-ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। তবে এ প্রকল্প চলাকালেই গত দুই অর্থবছরে ইলিশের আহরণ কমল।

প্রকল্পটির পরিচালক (পিডি) মোল্লা এমদাদুল্যাহ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘প্রাকৃতিক উৎসের সব মাছেরই উৎপাদন কমছে। নদীতে পানি নেই। মাছ কীভাবে আসবে? মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতেই আড়াইশর বেশি চর তৈরি হয়েছে। সাগর থেকে নদীতে আসা কিংবা নদী থেকে সাগরে ফিরে যাওয়ার পথে বাধা তৈরি হয়েছে। ফলে ইলিশ ডিম ছাড়ার মৌসুমে নদীতে আসতে পারছে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘গত কয়েক বছরে জেলের সংখ্যা বেড়েছে। অনেক বড় ট্রলার বেআইনিভাবে অল্প পানিতে ইলিশ আহরণ করছে। ইলিশের মাইগ্রেশনের পথ, প্রজননক্ষেত্র ও নার্সারি গ্রাউন্ড নষ্ট হচ্ছে। দূষণ বেড়েছে। বিপরীতে আহরিত ইলিশের গ্রোথ কমছে। পাঁচ বছর আগেও আহরণ করা ইলিশের গড় ওজন ছিল ৫০০-৫৫০ গ্রাম। এখন সেটি ৩০০-৩৫০ গ্রামে নেমে এসেছে। এর মূল কারণ বাচ্চা ইলিশ সাগরে যেতে পারছে না। ডুবোচর কিংবা অতিরিক্ত শিকারের কারণে এসব ইলিশ সাগরে যেতে পারছে না। আর সাগরে যেতে না পারলে ইলিশের বৃদ্ধি কমে যায়।’ ইলিশের আকার ছোট হওয়ায় ওজনের হিসাবে উৎপাদন কমতে পারে বলেও জানান তিনি।

ইলিশের উৎপাদন হ্রাস বিষয়ে জানতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে গতকাল রাতে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সরকারি কর্মসূচিতে বাইরে আছেন। ইলিশ উৎপাদন বাড়া বা কমার বিষয়ে ওই মুহূর্তে তার কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত না থাকায় তিনি মন্তব্য করতে অপারগতা জানান।